
মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

ফেনী নদী ও মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ডুবেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই। পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। গত বুধবার বিকেল থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা নিজেদের উদ্যোগে বন্যা কবলিত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিনভর পানিতে নিমজ্জিত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের। সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
জানা গেছে, মীরসরাই উপজেলার আমলীঘাট, করেরহাট, হিঙ্গুলী, বারইয়ারহাট পৌরসভা, মীরসরাই পৌরসভার নিম্নাঞ্চল, জোরারগঞ্জ, ইছাখালী, কাটাছরা, দুর্গাপুর, মিঠানালা, খৈয়াছড়া, ওসমানপুর, ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার, অলিনগর গ্রাম, কাটাগাং, হিঙ্গুলী ইউনিয়নের আজমনগর, পূর্ব আজমনগর ও খিলমুরালী; ধুম ইউনিয়নের শুক্রবারইয়াহাট, মিনাবাজার, আনন্দবাজার গ্রামেও বন্যার পানি বাড়ছে।
বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক ১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মীরসরাইয়ের মহামায়া লেকের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি ওঠে যাওয়ায় স্লুইসগেটের সবগুলো দরজা খুলে দেয়া হয়েছে। এতে উপজেলার দুর্গাপুর, কাটাছরা ও ইছাখালী ইউনিয়নের বেশকিছু গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাপাহাড় এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেন পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে। এতে করে যানবাহন চলাচল করছে অত্যন্ত ধীরগতিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টানা ৬ দিনের বৃষ্টিতে এবং ফেনী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার কারণে উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও শত শত মাছের পুকুর ডুবে গেছে।
গত বুধবার বিকাল থেকে এলাকার স্বেচ্ছাসেবকরা বোট দিয়ে কিছু কিছু এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার সকালেও স্বেচ্ছাসেবকরা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত থাকলেও দুপুরের দিকে সেনাবাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নামতে দেখা গেছে।
দুর্ঘটনার আশংকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কিছু এলাকায়। বেশিরভাগ সমস্যা দেখা দিয়েছে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে।
মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা প্রশাসক মাহফুজা জেরিন জানান, মীরসরাইয়ে ৭৯টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে খোলা রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৭০০ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ৩০টার অধিক স্পিড বোট আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে। মীরসরাই উপজেলায় প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় আছে।

ফেনী নদী ও মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ডুবেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই। পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। গত বুধবার বিকেল থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা নিজেদের উদ্যোগে বন্যা কবলিত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিনভর পানিতে নিমজ্জিত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের। সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
জানা গেছে, মীরসরাই উপজেলার আমলীঘাট, করেরহাট, হিঙ্গুলী, বারইয়ারহাট পৌরসভা, মীরসরাই পৌরসভার নিম্নাঞ্চল, জোরারগঞ্জ, ইছাখালী, কাটাছরা, দুর্গাপুর, মিঠানালা, খৈয়াছড়া, ওসমানপুর, ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার, অলিনগর গ্রাম, কাটাগাং, হিঙ্গুলী ইউনিয়নের আজমনগর, পূর্ব আজমনগর ও খিলমুরালী; ধুম ইউনিয়নের শুক্রবারইয়াহাট, মিনাবাজার, আনন্দবাজার গ্রামেও বন্যার পানি বাড়ছে।
বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক ১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মীরসরাইয়ের মহামায়া লেকের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি ওঠে যাওয়ায় স্লুইসগেটের সবগুলো দরজা খুলে দেয়া হয়েছে। এতে উপজেলার দুর্গাপুর, কাটাছরা ও ইছাখালী ইউনিয়নের বেশকিছু গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাপাহাড় এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেন পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে। এতে করে যানবাহন চলাচল করছে অত্যন্ত ধীরগতিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টানা ৬ দিনের বৃষ্টিতে এবং ফেনী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার কারণে উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও শত শত মাছের পুকুর ডুবে গেছে।
গত বুধবার বিকাল থেকে এলাকার স্বেচ্ছাসেবকরা বোট দিয়ে কিছু কিছু এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার সকালেও স্বেচ্ছাসেবকরা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত থাকলেও দুপুরের দিকে সেনাবাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নামতে দেখা গেছে।
দুর্ঘটনার আশংকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কিছু এলাকায়। বেশিরভাগ সমস্যা দেখা দিয়েছে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে।
মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা প্রশাসক মাহফুজা জেরিন জানান, মীরসরাইয়ে ৭৯টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে খোলা রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৭০০ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ৩০টার অধিক স্পিড বোট আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে। মীরসরাই উপজেলায় প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাদ্যবর্জ্য ল্যান্ডফিলে না পাঠিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট জলবায়ু প্রভাব ৮৯ থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। একই সঙ্গে পানিতে অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান জমে শৈবাল বৃদ্ধির মতো ‘ইউট্রোফিকেশন’ সমস্যাও কমানো সম্ভব।
১৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হেলিকপ্টারে করে ফটিকছড়ির পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
১৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
১৭ ঘণ্টা আগে