
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক সামরিক শাসক প্রয়াত হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০০৮ সালে দায়ের করা প্রতারণার একটি মামলায় দুই বছরের সাজা পেয়েছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলায় পরোয়ানা থাকার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত অ্যারাবিকা নামে একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে বিদিশা সিদ্দিকের নামে প্রতারণার একটি মামলা হয়েছিল। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ওই মামলায় আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। আদালত থেকে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিদিশার বিরুদ্ধে মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী গুলশান থানায় মামলাটি করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী মোশাররফ হোসেনকে ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের ওই ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয় তাদের মধ্যে।
এজাহারে উল্লেখ, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা তাকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন। পরে তার বন্ধু আব্দুর রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করলে বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরেও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।
বাদীর অভিযোগ, বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ২০ মে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার মহানগর হাকিম জামসেদ আলম। রায়ে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড সাজা দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ মামলার রায়ের দিন জানান, বিদিশা পলাতক থাকায় সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তার নামে।
বিদিশা সিদ্দিকের জন্ম বাগেরহাটে। তার বাবা প্রয়াত কবি আবু বকর সিদ্দিক। প্রয়াত এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা। এই দম্পতির ঘরে শাহাতা জারাব এরশাদ (এরিক) নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তিনি। ‘শত্রুর সঙ্গে বসবাস’ নামে একটি আত্মজীবনীমূলক বইও লেখেন।

সাবেক সামরিক শাসক প্রয়াত হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০০৮ সালে দায়ের করা প্রতারণার একটি মামলায় দুই বছরের সাজা পেয়েছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলায় পরোয়ানা থাকার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত অ্যারাবিকা নামে একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে বিদিশা সিদ্দিকের নামে প্রতারণার একটি মামলা হয়েছিল। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ওই মামলায় আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। আদালত থেকে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিদিশার বিরুদ্ধে মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী গুলশান থানায় মামলাটি করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী মোশাররফ হোসেনকে ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের ওই ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয় তাদের মধ্যে।
এজাহারে উল্লেখ, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা তাকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন। পরে তার বন্ধু আব্দুর রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করলে বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরেও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।
বাদীর অভিযোগ, বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ২০ মে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার মহানগর হাকিম জামসেদ আলম। রায়ে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড সাজা দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ মামলার রায়ের দিন জানান, বিদিশা পলাতক থাকায় সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তার নামে।
বিদিশা সিদ্দিকের জন্ম বাগেরহাটে। তার বাবা প্রয়াত কবি আবু বকর সিদ্দিক। প্রয়াত এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা। এই দম্পতির ঘরে শাহাতা জারাব এরশাদ (এরিক) নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তিনি। ‘শত্রুর সঙ্গে বসবাস’ নামে একটি আত্মজীবনীমূলক বইও লেখেন।

নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
১৯ ঘণ্টা আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লে ব্যয়ও বাড়ে এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হয়। তাই নির্ধারিত সময়ে, সাশ্রয়ী ব্যয়ে ও যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে