
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, প্রবাসী কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্ড চালু করেছে সরকার। এবার ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ করে তাতে সরকারি সব সেবা ও আর্থিক সুবিধা পর্যায়ক্রমে একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকারপ্রধান বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিটি খাতের মানুষের কাছে আর্থিক সুবিধা সংবলিত বিভিন্ন ধরনের কার্ড দেওয়ার কাজ পর্যায়ক্রমিকভাবে শুরু করেছি। কিন্তু এই সবগুলোকে একসময় আমরা একটি কার্ডের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই।
‘সে জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি— পর্যায়ক্রমিকভাবে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসী কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানির কার্ড— সবকিছু আমরা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ নামে একটি কার্ডের ভেতরে নিয়ে আসব। লক্ষ্য একটিই— নাগরিকরা যেন সহজে রাষ্ট্রীয় সেবা পেতে পারেন,’— বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে সংসদ নেতার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা নির্বাচিত একটি সরকার। অবশ্যই এই সরকারের লক্ষ্য একটি— জনগণ, জনগণ ও বাংলাদেশের জনগণ। সেই জনগণকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
এ সময় নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের সম্মানি কার্ড চালুর কথা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। বলেন, যে বিষয়গুলো আমরা উল্লেখ করেছিলাম, প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই কাজগুলো আমরা শুরু করেছি।
সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এসব সুবিধা নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের করুণা নয়, বরং এগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের দায়। রাষ্ট্র যদি নাগরিকদের সেই দায় মেটাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ ও রাষ্ট্র— উভয়ই দুর্বল হয়ে পড়বে।
সমাপনী বক্তব্যে বিভিন্ন ধরনের কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির দিকেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। বলেন, আমাদের অন্যতম মূল লক্ষ্য— এই বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনশক্তির জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা। বিভিন্ন খাতে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। এসব পরিকল্পনার ফলে আমরা পর্যায়ক্রমে কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে সক্ষম হব বলে আশা করি।
নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ও পরিবহন, ব্লু ইকোনমি ও ইকো-ট্যুরিজমের মতো খাতগুলোতে সরকার বিশেষ নজর দিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বিভিন্ন খাতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থান সহজ করতে ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণও চালু করা হয়েছে।

সরকার গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, প্রবাসী কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্ড চালু করেছে সরকার। এবার ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ করে তাতে সরকারি সব সেবা ও আর্থিক সুবিধা পর্যায়ক্রমে একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকারপ্রধান বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিটি খাতের মানুষের কাছে আর্থিক সুবিধা সংবলিত বিভিন্ন ধরনের কার্ড দেওয়ার কাজ পর্যায়ক্রমিকভাবে শুরু করেছি। কিন্তু এই সবগুলোকে একসময় আমরা একটি কার্ডের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই।
‘সে জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি— পর্যায়ক্রমিকভাবে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসী কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানির কার্ড— সবকিছু আমরা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ নামে একটি কার্ডের ভেতরে নিয়ে আসব। লক্ষ্য একটিই— নাগরিকরা যেন সহজে রাষ্ট্রীয় সেবা পেতে পারেন,’— বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে সংসদ নেতার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা নির্বাচিত একটি সরকার। অবশ্যই এই সরকারের লক্ষ্য একটি— জনগণ, জনগণ ও বাংলাদেশের জনগণ। সেই জনগণকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
এ সময় নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের সম্মানি কার্ড চালুর কথা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। বলেন, যে বিষয়গুলো আমরা উল্লেখ করেছিলাম, প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই কাজগুলো আমরা শুরু করেছি।
সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এসব সুবিধা নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের করুণা নয়, বরং এগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের দায়। রাষ্ট্র যদি নাগরিকদের সেই দায় মেটাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ ও রাষ্ট্র— উভয়ই দুর্বল হয়ে পড়বে।
সমাপনী বক্তব্যে বিভিন্ন ধরনের কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির দিকেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। বলেন, আমাদের অন্যতম মূল লক্ষ্য— এই বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনশক্তির জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা। বিভিন্ন খাতে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। এসব পরিকল্পনার ফলে আমরা পর্যায়ক্রমে কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে সক্ষম হব বলে আশা করি।
নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ও পরিবহন, ব্লু ইকোনমি ও ইকো-ট্যুরিজমের মতো খাতগুলোতে সরকার বিশেষ নজর দিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বিভিন্ন খাতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থান সহজ করতে ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণও চালু করা হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে দেশজুড়ে তীব্র গণঅভ্যুত্থান গড়ে ওঠে। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ৫ আগস্ট হাজার হাজার ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে এলে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। ওইদিনই উত্তেজিত জনতা গণভবনে প্রবেশ করে উদযাপন করে এবং ভবনটিতে
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা ও রাষ্ট্র কাঠামোর যে আমরা বিবর্তনমূলক কার্যে যাচ্ছি এবং রাষ্ট্র কাঠামোর যে গণতান্ত্রিক সংস্কার আমরা করতে চাই, সেগুলো সবগুলো আমরা এখানে ধারণ করব, যেটা আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের আকাঙ্ক্ষাও সংশোধন প
১৪ ঘণ্টা আগে