বৈষম্যবিরোধী আইন প্রবর্তনের আহ্বান দেবপ্রিয়র

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ৪২

সমাজের সব স্তরে বৈষম্য ঠেকাতে আইন প্রবর্তনের অঙ্গীকার করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সংলাপের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এ বিষয়ে জনসচেতনতা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘একটি কার্যকর বৈষম্যবিরোধী আইন প্রবর্তন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ আহ্বান জানান।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে আমাদের মনে হয়েছে, বাংলাদেশে বৈষম্য মোকাবিলায় একটি আইনি কাঠামোর প্রয়োজন। আগের সরকারের সময়েও আমরা সর্বজনীন বৈষম্যবিরোধী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছিলাম, খসড়াও তৈরি হয়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে গত বছরের আগস্টে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে বৈষম্যবিরোধী চেতনা উন্মোচিত হয়েছে, সেটি আমাদের উৎসাহিত করেছে। এটি শুধু কোটা আন্দোলন নয় বরং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। এখনই সময় সেই চেতনাকে আইনি কাঠামোয় রূপ দেওয়া।

তিনি তিনটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সেগুলো হলো বিচার, নির্বাচন ও সংস্কার।

তিনি বলেন, ন্যায্য বিচার চাইলে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে হবে, তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তেমনি সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংস্কারের ক্ষেত্রেও একটি সর্বজনীন বৈষম্যবিরোধী আইনের প্রবর্তন অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, বিএনপি নেতা ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং অর্থনীতিবিদ ড. এস আর ওসমানী।

বাংলাদেশে বৈষম্য নিরসনের আইনি প্রেক্ষাপট, বর্তমান বাস্তবতা ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এই নাগরিক সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আজ

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতি সচেতন ছিলেন শেখ মুজিব, যুক্ত হন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে। পরে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের সান্নিধ্যে ছাত্র রাজনীতিতে অবদান রাখেন। ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে শুরু হয় তার রাজনৈতিক জীবন।

১৬ ঘণ্টা আগে

নিয়োগ পেয়েও বঞ্চিত, ২০ বছর পর যোগ দিচ্ছেন ৩৩০ সার্জেন্ট-এসআই

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাই করা ১২৩ জন পুলিশ সার্জেন্ট ও ২০৭ জন এসআইয়ের (নিরস্ত্র) নিয়োগ সে সময় ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১৭ ঘণ্টা আগে

পুলিশের ২১ কর্মকর্তা বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ৬ জন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে।

২০ ঘণ্টা আগে

‘হাদি হত্যায় ভারতে গ্রেপ্তারদের কনস্যুলার অ্যাকসেস এখনো মেলেনি’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, আমরা কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগে আছি, আমরা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগে আছি। আমাদের সরকার সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের কনস্যুলার অ্যাক্সেস পেতে এবং তাদের ফেরত আনতে। এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ আছে, তারা তাদের কাজ করছে।

২০ ঘণ্টা আগে