
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় ১৬ মাস পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে। তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আরও চারজনকে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠনের এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম কমিশনেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। একই কমিশনের আরও দুজন সদস্যকে মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।
পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশনে নিয়োগ পাওয়া বাকি দুই কমিশনার হলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম ও মানবাধিকার কর্মী ইলিরা দেওয়ান।
আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ৬-এর উপধারা (১) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে এই কমিশনের চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনারকে নিয়োগ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (ড্রাফটিং) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূরের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদসহ সব সদস্য পদত্যাগ করলে মানবাধিকার সম্পর্কিত জাতীয় এ সংস্থাটি অকার্যকর হয়ে পরে। বৃহস্পতিবারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রায় ১৬ মাস পর এটি আবার সচল হতে যাচ্ছে।
ড. কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ওই মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ছিলেন মো. সেলিম রেজা, মো. আমিনুল ইসলাম, কংজরী চৌধুরী, ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও ড. তানিয়া হক।

প্রায় ১৬ মাস পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে। তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আরও চারজনকে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠনের এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম কমিশনেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। একই কমিশনের আরও দুজন সদস্যকে মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।
পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশনে নিয়োগ পাওয়া বাকি দুই কমিশনার হলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম ও মানবাধিকার কর্মী ইলিরা দেওয়ান।
আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ৬-এর উপধারা (১) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে এই কমিশনের চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনারকে নিয়োগ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (ড্রাফটিং) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূরের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদসহ সব সদস্য পদত্যাগ করলে মানবাধিকার সম্পর্কিত জাতীয় এ সংস্থাটি অকার্যকর হয়ে পরে। বৃহস্পতিবারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রায় ১৬ মাস পর এটি আবার সচল হতে যাচ্ছে।
ড. কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ওই মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ছিলেন মো. সেলিম রেজা, মো. আমিনুল ইসলাম, কংজরী চৌধুরী, ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও ড. তানিয়া হক।

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ’ অনুমোদন নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। সরকারি দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমঝোতা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
১২ ঘণ্টা আগে
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ মাহিমকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (২০২৬-২৭) সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার সমর্থন আদায়ে ঢাকা এই প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগাতে চায়।
১৪ ঘণ্টা আগে