
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাংবাদিকতার শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান মারা গেছেন। বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে অসুস্থ বোধ করায় অধ্যাপক সাখাওয়াতকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে, দুই নাতিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ছাত্রছাত্রী রেখে গেছেন তিনি। তার মেয়ে সুমনা শারমীন প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অধ্যাপক সাখাওয়াতের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানাজায় অংশ নিয়ে তাকে শেষ বিদায় জানান। পরিবার জানিয়েছে, জানাজার পর তার মরদেহ নেওয়া হবে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। সেখানে নিজ গ্রাম ধানুয়ায় তাকে সমাহিত করা হবে।
অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের জন্ম ১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতা করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিজ এলাকায় গেরিলা যোদ্ধাদের সংগঠক ও পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন।
স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে যোগ দেন অধ্যাপক সাখাওয়াত। ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত বিভাগটির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। ওই সময়েই সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) কোর্স চালু হয়।
অধ্যাপক সাখাওয়াত ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অবসরে যান। এরপরও পাঁচ বছর সুপার নিউমারারি অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আমৃত্যু তিনি বিভাগটির ‘অনারারি প্রফেসর’ ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অধ্যাপক সাখাওয়াত। সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যম ও গবেষণা ছাড়াও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান। সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টেরও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহিদ আসাদের স্মৃতি রক্ষায় গঠিত আসাদ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তিনি।
সাংবাদিকতাও শিক্ষক ও প্রশিক্ষক হিসেবে অসামান্য সাফল্য ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন অধ্যাপক সাখাওয়াত। গবেষক ও লেখক হিসেবেও সমান খ্যাতিমান তিনি। ১৯৭১ সালে গণহত্যা ও নির্যাতনের ওপর লেখা তার দুটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের অষ্টম খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়।

সাংবাদিকতার শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান মারা গেছেন। বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে অসুস্থ বোধ করায় অধ্যাপক সাখাওয়াতকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে, দুই নাতিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ছাত্রছাত্রী রেখে গেছেন তিনি। তার মেয়ে সুমনা শারমীন প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অধ্যাপক সাখাওয়াতের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানাজায় অংশ নিয়ে তাকে শেষ বিদায় জানান। পরিবার জানিয়েছে, জানাজার পর তার মরদেহ নেওয়া হবে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। সেখানে নিজ গ্রাম ধানুয়ায় তাকে সমাহিত করা হবে।
অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের জন্ম ১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতা করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিজ এলাকায় গেরিলা যোদ্ধাদের সংগঠক ও পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন।
স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে যোগ দেন অধ্যাপক সাখাওয়াত। ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত বিভাগটির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। ওই সময়েই সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) কোর্স চালু হয়।
অধ্যাপক সাখাওয়াত ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অবসরে যান। এরপরও পাঁচ বছর সুপার নিউমারারি অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আমৃত্যু তিনি বিভাগটির ‘অনারারি প্রফেসর’ ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অধ্যাপক সাখাওয়াত। সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যম ও গবেষণা ছাড়াও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান। সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টেরও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহিদ আসাদের স্মৃতি রক্ষায় গঠিত আসাদ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তিনি।
সাংবাদিকতাও শিক্ষক ও প্রশিক্ষক হিসেবে অসামান্য সাফল্য ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন অধ্যাপক সাখাওয়াত। গবেষক ও লেখক হিসেবেও সমান খ্যাতিমান তিনি। ১৯৭১ সালে গণহত্যা ও নির্যাতনের ওপর লেখা তার দুটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের অষ্টম খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাদ্যবর্জ্য ল্যান্ডফিলে না পাঠিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট জলবায়ু প্রভাব ৮৯ থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। একই সঙ্গে পানিতে অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান জমে শৈবাল বৃদ্ধির মতো ‘ইউট্রোফিকেশন’ সমস্যাও কমানো সম্ভব।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হেলিকপ্টারে করে ফটিকছড়ির পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
১০ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
১১ ঘণ্টা আগে