ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ৩৫
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডা. তাসনিম জারা।

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তার পছন্দের ‘ফুটবল’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রতীক পাওয়ার পর ডা. তাসনিম জারা তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমি ফুটবল প্রতীক পেয়েছি। আগামীকাল থেকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামবো। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং এলাকার উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আমি মাঠে থাকবো।"

আজ সারা দেশে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হচ্ছে। প্রতীক হাতে পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ডা. তাসনিম জারা একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিশাল অনুসারী থাকায় ঢাকা-৯ আসনের লড়াইয়ে তিনি সবার নজর কাড়ছেন।

এই নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের ভোটাররা এবার ফুটবল প্রতীক আর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতীকের মধ্যে কাকে বেছে নেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই ডা. জারার কর্মী-সমর্থকরা ফুটবল প্রতীক নিয়ে মাঠে নামবেন বলে জানা গেছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে দুই দিনের রিমান্ড আবেদন

রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

৪ ঘণ্টা আগে

সংসদ অধিবেশনে আজ ৯টি বিল পাস

জাতীয় সংসদে আজ নয়টি বিল পাস হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে এসব বিল পাস করা হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে প্রথমে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ বিল’ সংসদে পাসের জন্য প্রস্তাব করেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী। বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

৪ ঘণ্টা আগে

হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান রিজভীর

হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, চিকিৎসক সমাজ ও জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

৫ ঘণ্টা আগে

গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি।

৫ ঘণ্টা আগে