
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০০ লিটার বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য, চারটি ককটেল সদৃশ বস্তু, একটি ল্যাপটপ ও দুটি মনিটর উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি, এটিইউসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত চালাচ্ছেন।
মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিনের স্ত্রী আছিয়া বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আছিয়ার ভাবি ইয়াছমিন আক্তার (৩০) ও আসমানী খাতুন আসমাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। ইয়াছমিনকে হাসনাবাদ এলাকা থেকে এবং আসমানীকে ঢাকার বাসাবো এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকার উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে মাদ্রাসার একতলা ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল ও ছাদের অংশ উড়ে যায়।
এতে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের তিন সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হয়। আহতদের মধ্যে আছিয়া ও তার দুই ছেলেকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ভবনের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। অপর পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন।
মাদ্রাসাটিতে ৩০ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত বলে জানা গেছে। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসাটি বন্ধ ছিল। এ কারণে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে ঘটনাস্থলে ককটেল সদৃশ বস্তু, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এদিকে পুলিশি অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শেখ আল আমিন পলাতক রয়েছেন। তিনি এর আগেও ২০১৭ ও ২০২০ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন থানায় অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসমানী খাতুনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০০ লিটার বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য, চারটি ককটেল সদৃশ বস্তু, একটি ল্যাপটপ ও দুটি মনিটর উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি, এটিইউসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত চালাচ্ছেন।
মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিনের স্ত্রী আছিয়া বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আছিয়ার ভাবি ইয়াছমিন আক্তার (৩০) ও আসমানী খাতুন আসমাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। ইয়াছমিনকে হাসনাবাদ এলাকা থেকে এবং আসমানীকে ঢাকার বাসাবো এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকার উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে মাদ্রাসার একতলা ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল ও ছাদের অংশ উড়ে যায়।
এতে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের তিন সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হয়। আহতদের মধ্যে আছিয়া ও তার দুই ছেলেকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ভবনের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। অপর পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন।
মাদ্রাসাটিতে ৩০ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত বলে জানা গেছে। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসাটি বন্ধ ছিল। এ কারণে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে ঘটনাস্থলে ককটেল সদৃশ বস্তু, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এদিকে পুলিশি অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শেখ আল আমিন পলাতক রয়েছেন। তিনি এর আগেও ২০১৭ ও ২০২০ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন থানায় অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসমানী খাতুনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ছেলে হত্যার বর্ণনা দেওয়ার কান্নায় ভেঙে পড়েন শহিদুল ইসলাম। মামলার আসামি সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ তার একমাত্র ছেলের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রায় ১৩৭ কোটি টাকার (১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট দীর্ঘ ২৯ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে।
৭ ঘণ্টা আগে
স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরাকে ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা’র অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভীর দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরনী মীর এ আদেশ দেন।
৮ ঘণ্টা আগে