
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রকাশকদের বিভিন্ন সংগঠনের মোর্চা প্রকাশক ঐক্যের আপত্তির মুখে অবশেষে প্যাভিলিয়ন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণে প্যাভিলিয়ন স্থাপনের অনুমতি পাওয়া প্রকাশনা সংস্থাগুলো।
মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর বইমেলায় সব প্রকাশকের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। এরই মধ্যে বইমেলার স্টল বরাদ্দের লটারিও সম্পন্ন হয়েছে। প্রকাশক ঐক্যও মেলায় অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বইমেলা আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ বছর জাতীয় নির্বাচনসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরুতে বইমেলা ডিসেম্বরেই আয়োজন করে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলা একাডেমি। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রকাশকদের আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ২০ দিনের বইমেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
তারিখ নির্ধারণ করা হলেও বইমেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। প্রকাশক ঐক্য বাংলা একাডেমির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিন দফা দাবি তুলে ধরেছিল। প্রধান দাবি ছিল বইমেলা প্রাঙ্গণে প্রকাশকদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনে প্যাভিলিয়ন না রাখা। স্টল বরাদ্দ নিয়ে আরও দুটি দাবি আগামী বছরের বইমেলায় কার্যকর করতে বলা হয়।
প্রকাশক ঐক্য জানায়, এসব দাবি বাংলা একাডেমি মৌখিকভাবে মেনে নিলেও পরে তারা দেখতে পান, বইমেলা প্রাঙ্গণে প্যাভিলিয়ন নির্মাণ বন্ধ করা হয়নি। এ অবস্থায় তিন শতাধিক প্রকাশকদের নিয়ে গঠিত মোর্চা প্রকাশক ঐক্য বইমেলায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক বৈঠকে শেষ পর্যন্ত এ অচলাবস্থা কেটেছে। বাংলা একাডেমি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রকাশক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) নেতাদের নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম ও সচিব ড. মো. সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা একাডেমি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সভায় সিদ্ধান্ত হয়— অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ কোনো প্যাভিলিয়ন থাকবে না। বাপুস নেতাদের সহায়তায় এরই মধ্যে প্যাভিলিয়ন পাওয়া প্রকাশকরা প্যাভিলিয়ন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন।
এ অবস্থায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি যেসব প্রকাশক স্টলের জন্য আবেদন করেছিলেন তাদের স্টল বিন্যাসের লটারিও রোববার রাত ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকাশকরা আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে স্টল নির্মাণের কাজ শুরু করবেন।
বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, এর আগে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবারের বইমেলার স্টল-ফি সম্পূর্ণ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের বইমেলা উদ্বোধন করবেন।

প্রকাশকদের বিভিন্ন সংগঠনের মোর্চা প্রকাশক ঐক্যের আপত্তির মুখে অবশেষে প্যাভিলিয়ন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণে প্যাভিলিয়ন স্থাপনের অনুমতি পাওয়া প্রকাশনা সংস্থাগুলো।
মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর বইমেলায় সব প্রকাশকের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। এরই মধ্যে বইমেলার স্টল বরাদ্দের লটারিও সম্পন্ন হয়েছে। প্রকাশক ঐক্যও মেলায় অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বইমেলা আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ বছর জাতীয় নির্বাচনসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরুতে বইমেলা ডিসেম্বরেই আয়োজন করে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলা একাডেমি। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রকাশকদের আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ২০ দিনের বইমেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
তারিখ নির্ধারণ করা হলেও বইমেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। প্রকাশক ঐক্য বাংলা একাডেমির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিন দফা দাবি তুলে ধরেছিল। প্রধান দাবি ছিল বইমেলা প্রাঙ্গণে প্রকাশকদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনে প্যাভিলিয়ন না রাখা। স্টল বরাদ্দ নিয়ে আরও দুটি দাবি আগামী বছরের বইমেলায় কার্যকর করতে বলা হয়।
প্রকাশক ঐক্য জানায়, এসব দাবি বাংলা একাডেমি মৌখিকভাবে মেনে নিলেও পরে তারা দেখতে পান, বইমেলা প্রাঙ্গণে প্যাভিলিয়ন নির্মাণ বন্ধ করা হয়নি। এ অবস্থায় তিন শতাধিক প্রকাশকদের নিয়ে গঠিত মোর্চা প্রকাশক ঐক্য বইমেলায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক বৈঠকে শেষ পর্যন্ত এ অচলাবস্থা কেটেছে। বাংলা একাডেমি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রকাশক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) নেতাদের নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম ও সচিব ড. মো. সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা একাডেমি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সভায় সিদ্ধান্ত হয়— অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ কোনো প্যাভিলিয়ন থাকবে না। বাপুস নেতাদের সহায়তায় এরই মধ্যে প্যাভিলিয়ন পাওয়া প্রকাশকরা প্যাভিলিয়ন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন।
এ অবস্থায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি যেসব প্রকাশক স্টলের জন্য আবেদন করেছিলেন তাদের স্টল বিন্যাসের লটারিও রোববার রাত ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকাশকরা আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে স্টল নির্মাণের কাজ শুরু করবেন।
বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, এর আগে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবারের বইমেলার স্টল-ফি সম্পূর্ণ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের বইমেলা উদ্বোধন করবেন।

এখন থেকে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ লিখে ফল জানতে পারবে। এ ছাড়া মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালেও ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে।
২ ঘণ্টা আগে
২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সম্রাট আত্মগোপন করেন।
২ ঘণ্টা আগে
মেলা শুরু নিয়ে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, স্টল বরাদ্দে সমন্বয়হীনতা আর শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে এবারের মেলা শুরুর আগেই এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ প্রকাশকদের।
৩ ঘণ্টা আগে