
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক গণমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার ঘটায় সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা ও আচরণবিধির (কোড অব কনডাক্ট) অতি জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (তথ্য ও সম্প্রচার) ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুত নীতিমালা ও রেগুলেটরি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে।
আজ বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, খুব সহজে এখন অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া চালু করা যাচ্ছে। সেখানে নীতিমালার একটা অভাব আছে—এটা আপনারাও (উপস্থিত সাংবাদিক) নিশ্চয় স্বীকার করবেন। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা এসেছে যে– সাংবাদিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকা প্রয়োজন, যাতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে প্রশাসন ও গণমাধ্যম—উভয় পক্ষেরই সুবিধা হয়। এ কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিকতার জন্য একটি নীতিমালা ও কোড অব কনডাক্ট তৈরির বিষয়ে কাজ করছে এবং তা দ্রুতই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সরকারের তথ্য প্রকাশ ও স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত এবং ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। তাই তথ্য গোপনের প্রবণতা থেকে সরকার সরে আসবে বলেই তিনি মনে করেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘তথ্য গোপন করার যে প্রবণতা আগে দেখা গেছে, যুক্তি বলে এই সরকার সেটা করতে যাবে না।’
গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করতে ইতিমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য অবকাঠামোকে সমন্বিত করা হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে সরকারের তথ্যসেবা কাঠামোকে নতুন ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
রাজনীতি/একে

অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক গণমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার ঘটায় সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা ও আচরণবিধির (কোড অব কনডাক্ট) অতি জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (তথ্য ও সম্প্রচার) ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুত নীতিমালা ও রেগুলেটরি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে।
আজ বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, খুব সহজে এখন অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া চালু করা যাচ্ছে। সেখানে নীতিমালার একটা অভাব আছে—এটা আপনারাও (উপস্থিত সাংবাদিক) নিশ্চয় স্বীকার করবেন। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা এসেছে যে– সাংবাদিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকা প্রয়োজন, যাতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে প্রশাসন ও গণমাধ্যম—উভয় পক্ষেরই সুবিধা হয়। এ কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিকতার জন্য একটি নীতিমালা ও কোড অব কনডাক্ট তৈরির বিষয়ে কাজ করছে এবং তা দ্রুতই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সরকারের তথ্য প্রকাশ ও স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত এবং ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। তাই তথ্য গোপনের প্রবণতা থেকে সরকার সরে আসবে বলেই তিনি মনে করেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘তথ্য গোপন করার যে প্রবণতা আগে দেখা গেছে, যুক্তি বলে এই সরকার সেটা করতে যাবে না।’
গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করতে ইতিমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য অবকাঠামোকে সমন্বিত করা হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে সরকারের তথ্যসেবা কাঠামোকে নতুন ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
রাজনীতি/একে

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে