
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ হামের টিকা সংগ্রহের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সাতবার রিমাইন্ডার দিলেও তারা তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। তিনি দাবি করেন, টিকা সরকারি ব্যবস্থায় না এনে বেসরকারিভাবে কেনার চেষ্টা হয়েছিল ‘পয়সা খাওয়ার’ উদ্দেশ্যে।
সোমবার (২৫ মে) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুমিল্লা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'হামের প্রকোপের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ইউনিসেফ বারবার ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছিল। কিন্তু আগের সরকারগুলো সেটি নেয়নি। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি। এখন তার সুফলও পাওয়া যাচ্ছে। আমরা চাই না, হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মায়ের বুক খালি হোক।'
তিনি জানান, দেশের হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ইতোমধ্যে ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যেসব ১৮টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছে, সেখানে হামের সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসাসেবা যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে কুমিল্লার দুটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন, রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং খাবারের মানও যাচাই করেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের নানা সংকট ও সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হন মন্ত্রী। রোগীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন তিনি।
এ সময় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ হামের টিকা সংগ্রহের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সাতবার রিমাইন্ডার দিলেও তারা তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। তিনি দাবি করেন, টিকা সরকারি ব্যবস্থায় না এনে বেসরকারিভাবে কেনার চেষ্টা হয়েছিল ‘পয়সা খাওয়ার’ উদ্দেশ্যে।
সোমবার (২৫ মে) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুমিল্লা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'হামের প্রকোপের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ইউনিসেফ বারবার ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছিল। কিন্তু আগের সরকারগুলো সেটি নেয়নি। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি। এখন তার সুফলও পাওয়া যাচ্ছে। আমরা চাই না, হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মায়ের বুক খালি হোক।'
তিনি জানান, দেশের হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ইতোমধ্যে ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যেসব ১৮টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছে, সেখানে হামের সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসাসেবা যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে কুমিল্লার দুটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন, রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং খাবারের মানও যাচাই করেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের নানা সংকট ও সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হন মন্ত্রী। রোগীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন তিনি।
এ সময় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
৫ ঘণ্টা আগে
নদী বাঁচাতে এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে হলে প্রচলিত খুঁটিযুক্ত সেতুর বদলে খুঁটিবিহীন বা ঝুলন্ত সেতু তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পিলারভিত্তিক ব্রিজের ঐতিহ্য থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করে তাদের হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি জানান, এটিকে প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আইনগুলো হলো— পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩; পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১।
৭ ঘণ্টা আগে