ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছিলেন আনসার সদস্য, পথে অসুস্থ হয়ে গেল প্রাণ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
মরদেহের প্রতীকী ছবি

ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে মো. আবু তালেব (৫৫) নামে আনসারের এক প্লাটুন কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিকালে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল নিয়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্য জানান।

আবু তালেব পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলার চরপাড়া গ্রামের মৃত দবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি এক ছেলে এক মেয়ের জনক ছিলেন। নিউমার্কেট সংলগ্ন বিশ্বাস বিল্ডার্স কমপ্লেক্সে প্লাটুন কমান্ডার হিসাবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

ঢামেক হাসপাতালে কর্মরত আনসারের প্লাটুন কমান্ডার মো. মিজান বলেন, ‘আবু তালেব ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়ে কর্মস্থল থেকে কিছুদূর গিয়ে অসুস্থ হয়ে পরেন। পরে স্থানীয় এক দোকানি তাকে চিনতে পেরে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে আনেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গরমে স্টোক করে মারা গেছেন।’

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

উদ্বোধনকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

১৬ ঘণ্টা আগে

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অধিকাংশ যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এতে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়ায়। এর ফলে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হয়।

১৮ ঘণ্টা আগে

খুলনা-চট্টগ্রামসহ ৭ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

১৮ ঘণ্টা আগে

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জমকালো কাওয়ালী সন্ধ্যা

অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।

১ দিন আগে