এতে উপস্থিত রয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ। যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।
আলী রীয়াজ বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য না থাকলে তা গণতান্ত্রিক হয় না। কিন্তু ঐক্যের জায়গাও থাকতে হবে। আমাদের অনেক স্রোত, মোহনা একটি— একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ তৈরি করা। আমাদের বহু স্রোত, কিন্তু সবাই এক জায়গায়— আমরা যেকোনো ধরনের স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই দাঁড়িয়ে থাকব।
দীর্ঘ আলোচনা শেষে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। শেষ মুহূর্তেও কিছু রাজনৈতিক দলের মতভিন্নতা থাকলেও শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান আয়োজন করে সরকার। অনুষ্ঠানের ঘটনাপ্রবাহ সরাসরি তুলে ধরা হচ্ছে রাজনীতি ডটকমের পাঠকদের জন্য...
বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এ জঘন্য কর্মকাণ্ড অগ্রহণযোগ্য। এটি মানবাধিকার ও আইনের শাসনের গুরুতর লঙ্ঘন। বাংলাদেশ সরকার এ দুঃখজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ভারত সরকারকে এ ঘটনার বিষয়ে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রেস উইংয়ের বার্তায় বলা হয়েছে, আমরা প্রস্তুত ঐতিহাসিক জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের জন্য। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনুষ্ঠান শুরুর সময় কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
জুলাই যোদ্ধাদের বিক্ষোভ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আপত্তির মুখে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামার পঞ্চম দফায় সংশোধনী এনেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সংশোধনীতে জুলাই যোদ্ধাদের আইনি দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা যুক্ত করা হয়েছে।
সড়কের কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশের ব্যারিকেডের জন্য ব্যবহৃত ‘রোড ব্লকার’গুলো একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে তাদের সড়কের দুপাশে সরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, অতীতেও রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, এবং এখনো সেই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তারা এই ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টাকে “ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান” করেছে।
তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত পার্থক্য সত্ত্বেও, আমরা এক ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি। এটি আমাদের একসঙ্গে উদযাপন করার সময়—ঐক্যের শক্তি অনুভব করার এবং গর্ব ও আশার এই ঐতিহাসিক দিন থেকে শক্তি সঞ্চার করার।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সিইপিজেডের অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জিহং মেডিকেল কোম্পানি নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের গুদাম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলতে গত আট মাস ধরে কাজ করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে চূড়ান্ত হয়েছে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’।
১২ ফেব্রুয়ারি এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল ছয় মাস মেয়াদ দিয়ে। সে হিসাবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মেয়াদ ছিল ঐকমত্য কমিশনের। তবে এ সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা না গেলে কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়।
আগামীকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই সনদ সইয়ের এ অনুষ্ঠান হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, সংশোধনের সুযোগ না থাকলেও কোনো দল যদি আগামীকালের অনুষ্ঠানের পরেও এ সনদে সই করতে চায়, সে সুযোগ তাদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
আগামী বছর (২০২৬ সাল) হজে যেতে ৬৬টি এজেন্সি থেকে ৫৩৭ জন প্রাক-নিবন্ধন করলেও একজনও প্রাথমিক নিবন্ধন করেননি। তাই এই এজেন্সিগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
শহীদ মিনার এলাকায় দেখা যায়, সেখানে কয়েক হাজার শিক্ষক-কর্মচারী জড়ো হয়েছেন। ‘২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, দিতে হবে দিতে হবে’, ‘বাংলার শিক্ষক, এক হও এক হও’, ‘শিক্ষকদের সঙ্গে প্রহসন, মানি না মানি না’ প্রভৃতি স্লোগান দিচ্ছেন তারা।