
রুহিন হোসেন প্রিন্স

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কথা অনেকদিন ধরেই বলে আসছি আমরা। এ জন্য ভোটে দাঁড়ানো ও ভোট দেওয়ার সমঅধিকারের কথাও বারবার বলা হয়েছে। আগামী নির্বাচনেও এর কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না।
এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার টাকার পরিমাণ ও বিগত দিনের তুলনায় খরচের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ আইনিভাবে নির্বাচনের জন্য খরচের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। যদিও বিগত দিনে দেখা গেছে নির্ধারিত খরচের পরিমাণের থেকে বহুগুণ বেশি টাকা খরচ করে শুধু ক্ষমতা ভোগকারী প্রার্থীরা।
নির্বাচনের পর এরা নির্বাচনি খরচের যে হিসাব দেন ওইসব যে একেবারেই মিথ্যা, এ কথা নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এ অবস্থা পরিবর্তনের বিন্দুমাত্র আলামত দেখা যাচ্ছে না।
একজন উপদেষ্টা তো আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছেন ১৫-২০ কোটি টাকা না হলে নাকি নির্বাচনি করা যায় না। এবার হিসাব মিলিয়ে দেখুন, নির্বাচনের নামে কি পরিমাণ টাকার খেলা চলবে?
অনেকদিন ধরেই বলছি, নির্বাচনে সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হলে অন্তত পাঁচটি বিষয় থেকে নির্বাচনকে মুক্ত রাখতে হবে—
কিন্তু এর কোনো আলামত একেবারেই দেখা যাচ্ছে না। এমনকি প্রচার মাধ্যমে এসব কথাও বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে না।
এবারের নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক প্রচার-প্রচারণা যে ভয়াবহ রূপ লাভ করবে, সেটা এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। সরকার নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে আচরণবিধি ঠিক রেখে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার সার্বিক দায়-দায়িত্ব নিলে অনেক কিছু রোধ করা যেত।
নির্বাচনের বিষয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হলে এ কথাগুলো সামনে আসত। বিগত দিনে আলাপ-আলোচনার সময় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দাবি সিপিবি ও বামপন্থিদের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো নিয়ে ভাবার মতো কেউ নেই।
নির্বাচনের আচরণবিধি যতটুকু আছে, তাও হয়তো কিছুটা দেখার চেষ্টা হয় নির্বাচন ঘোষণার পর। কিন্তু অনেকদিন ধরেই তো নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রোপাগান্ডার নামে টাকা খরচের উৎসব চলছে। আমরা বলেছিলাম, নির্বাচন কমিশনকে ৩৬৫ দিনই টাকা খরচসহ নির্বাচনি আচরণবিধির বিষয়টি মনিটর করতে হবে।
এসব বিষয় সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে নির্বাচন কমিশন এখন কোনো দায়িত্বই পালন করছে না। তাহলে টাকা খরচের, সাম্প্রদায়িক প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের যে উৎসব চলছে এগুলো রোধ হবে কীভাবে? যাদের এভাবে খরচ করার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই, তারা নির্বাচনে অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে কীভাবে?
প্রচার মাধ্যমের কথা নাই বা বললাম। অধিকাংশ প্রচার মাধ্যম বিশেষ এক-দুইটা দল বা এক-দুইজন প্রার্থীকে বিশেষভাবে প্রচারের সহায়তা করছে। রাজনীতিতে কার কী নীতি, কে কোন কোন বিষয় জনস্বার্থে কোন কোন ধরনের নীতিমালা প্রতিষ্ঠা করতে চায়— এসব আলোচনার মধ্যে উঠে আসছে না। এভাবেই তো চলছে সব।
অবশ্য এসব কথা যখন বলছি তখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মনে বড় প্রশ্ন— যথাসময়ে, অর্থাৎ সরকার ও নির্বাচন কমিশনঘোষিত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে কি?
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যথাসময়ে নির্বাচনের কথা জোর দিয়ে বলা হচ্ছে। আমরা বরাবর বলে এসেছি, কোনো কোনো মহল গণতন্ত্রের পথে যাত্রা বাধাগ্রস্ত করার জন্য অবাধ-গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায়। এটা মনে রেখে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন আদায় করতে হবে।
এই ধারা অব্যাহত রেখে যথাসময়ে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষকে সোচ্চার হতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনকে টাকা, পেশীশক্তি, ভয়, সাম্প্রদায়িক প্রচার ও প্রশাসনিক কারসাজি থেকে মুক্ত রাখতে প্রতি মুহূর্তে সোচ্চার থাকতে হবে।
নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষেকের কথা সামনে আসে। এসব পর্যবেক্ষক তো নির্বাচনের দিন কিছু পর্যবেক্ষণ করেন। সেই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আমরা বিভিন্ন ঘটনাবলি দেখেছি। সেসব বিষয় অন্য সময় আলোচনা করা যাবে।
কথাটা তুললাম এই কারণে যে আসন্ন নির্বাচনে স্থানীয় তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে আগ্রহীরা এখন থেকেই বিশেষ পর্যবেক্ষণের কাজ করতে পারেন। সরকার নির্বাচনি আচরণবিধি বিষয়ে ব্যাপক প্রচার চালাতে পারে। এসব বিষয়কে ধরে কোথায় কীভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে, সেগুলো সংশ্লিষ্টরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও নির্মোহ অবস্থানে থেকে প্রচার মাধ্যমে তুলে আনতে পারেন। অর্থাৎ সবখানেই জনগণের শক্তিকে সামনে এনে আগামী দিনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে আমরা এগুতে চাই।
যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান ও নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরই সময়ের দাবি। এ কাজে ব্যর্থ হলে দীর্ঘমেয়াদে অগণতান্ত্রিক শাসনের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে দেশ, যা দেশকে আরও পেছনের দিকে নিয়ে যাবে।
সময় বলে দেবে এসব কাজে কে কতটুকু দায়িত্ব পালন করছে, সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে কতটুকু এগোতে পারলাম বা পারলাম না কিংবা এসব বিষয় দায়-দায়িত্বই কে কতটুকু পালন করছেন। এসব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই মানুষ সচেতন হবে।
লেখক: সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কথা অনেকদিন ধরেই বলে আসছি আমরা। এ জন্য ভোটে দাঁড়ানো ও ভোট দেওয়ার সমঅধিকারের কথাও বারবার বলা হয়েছে। আগামী নির্বাচনেও এর কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না।
এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার টাকার পরিমাণ ও বিগত দিনের তুলনায় খরচের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ আইনিভাবে নির্বাচনের জন্য খরচের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। যদিও বিগত দিনে দেখা গেছে নির্ধারিত খরচের পরিমাণের থেকে বহুগুণ বেশি টাকা খরচ করে শুধু ক্ষমতা ভোগকারী প্রার্থীরা।
নির্বাচনের পর এরা নির্বাচনি খরচের যে হিসাব দেন ওইসব যে একেবারেই মিথ্যা, এ কথা নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এ অবস্থা পরিবর্তনের বিন্দুমাত্র আলামত দেখা যাচ্ছে না।
একজন উপদেষ্টা তো আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছেন ১৫-২০ কোটি টাকা না হলে নাকি নির্বাচনি করা যায় না। এবার হিসাব মিলিয়ে দেখুন, নির্বাচনের নামে কি পরিমাণ টাকার খেলা চলবে?
অনেকদিন ধরেই বলছি, নির্বাচনে সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হলে অন্তত পাঁচটি বিষয় থেকে নির্বাচনকে মুক্ত রাখতে হবে—
কিন্তু এর কোনো আলামত একেবারেই দেখা যাচ্ছে না। এমনকি প্রচার মাধ্যমে এসব কথাও বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে না।
এবারের নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক প্রচার-প্রচারণা যে ভয়াবহ রূপ লাভ করবে, সেটা এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। সরকার নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে আচরণবিধি ঠিক রেখে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার সার্বিক দায়-দায়িত্ব নিলে অনেক কিছু রোধ করা যেত।
নির্বাচনের বিষয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হলে এ কথাগুলো সামনে আসত। বিগত দিনে আলাপ-আলোচনার সময় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দাবি সিপিবি ও বামপন্থিদের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো নিয়ে ভাবার মতো কেউ নেই।
নির্বাচনের আচরণবিধি যতটুকু আছে, তাও হয়তো কিছুটা দেখার চেষ্টা হয় নির্বাচন ঘোষণার পর। কিন্তু অনেকদিন ধরেই তো নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রোপাগান্ডার নামে টাকা খরচের উৎসব চলছে। আমরা বলেছিলাম, নির্বাচন কমিশনকে ৩৬৫ দিনই টাকা খরচসহ নির্বাচনি আচরণবিধির বিষয়টি মনিটর করতে হবে।
এসব বিষয় সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে নির্বাচন কমিশন এখন কোনো দায়িত্বই পালন করছে না। তাহলে টাকা খরচের, সাম্প্রদায়িক প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের যে উৎসব চলছে এগুলো রোধ হবে কীভাবে? যাদের এভাবে খরচ করার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই, তারা নির্বাচনে অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে কীভাবে?
প্রচার মাধ্যমের কথা নাই বা বললাম। অধিকাংশ প্রচার মাধ্যম বিশেষ এক-দুইটা দল বা এক-দুইজন প্রার্থীকে বিশেষভাবে প্রচারের সহায়তা করছে। রাজনীতিতে কার কী নীতি, কে কোন কোন বিষয় জনস্বার্থে কোন কোন ধরনের নীতিমালা প্রতিষ্ঠা করতে চায়— এসব আলোচনার মধ্যে উঠে আসছে না। এভাবেই তো চলছে সব।
অবশ্য এসব কথা যখন বলছি তখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মনে বড় প্রশ্ন— যথাসময়ে, অর্থাৎ সরকার ও নির্বাচন কমিশনঘোষিত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে কি?
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যথাসময়ে নির্বাচনের কথা জোর দিয়ে বলা হচ্ছে। আমরা বরাবর বলে এসেছি, কোনো কোনো মহল গণতন্ত্রের পথে যাত্রা বাধাগ্রস্ত করার জন্য অবাধ-গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায়। এটা মনে রেখে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন আদায় করতে হবে।
এই ধারা অব্যাহত রেখে যথাসময়ে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষকে সোচ্চার হতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনকে টাকা, পেশীশক্তি, ভয়, সাম্প্রদায়িক প্রচার ও প্রশাসনিক কারসাজি থেকে মুক্ত রাখতে প্রতি মুহূর্তে সোচ্চার থাকতে হবে।
নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষেকের কথা সামনে আসে। এসব পর্যবেক্ষক তো নির্বাচনের দিন কিছু পর্যবেক্ষণ করেন। সেই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আমরা বিভিন্ন ঘটনাবলি দেখেছি। সেসব বিষয় অন্য সময় আলোচনা করা যাবে।
কথাটা তুললাম এই কারণে যে আসন্ন নির্বাচনে স্থানীয় তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে আগ্রহীরা এখন থেকেই বিশেষ পর্যবেক্ষণের কাজ করতে পারেন। সরকার নির্বাচনি আচরণবিধি বিষয়ে ব্যাপক প্রচার চালাতে পারে। এসব বিষয়কে ধরে কোথায় কীভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে, সেগুলো সংশ্লিষ্টরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও নির্মোহ অবস্থানে থেকে প্রচার মাধ্যমে তুলে আনতে পারেন। অর্থাৎ সবখানেই জনগণের শক্তিকে সামনে এনে আগামী দিনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে আমরা এগুতে চাই।
যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান ও নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরই সময়ের দাবি। এ কাজে ব্যর্থ হলে দীর্ঘমেয়াদে অগণতান্ত্রিক শাসনের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে দেশ, যা দেশকে আরও পেছনের দিকে নিয়ে যাবে।
সময় বলে দেবে এসব কাজে কে কতটুকু দায়িত্ব পালন করছে, সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে কতটুকু এগোতে পারলাম বা পারলাম না কিংবা এসব বিষয় দায়-দায়িত্বই কে কতটুকু পালন করছেন। এসব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই মানুষ সচেতন হবে।
লেখক: সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)

ফিফা বিশ্বকাপ, অলিম্পিক গেমসের মতো, প্রায়শই ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও মানবিক সাফল্যের উৎসব হিসাবে উপস্থাপিত হয়। কিন্তু জৌলুস আর আড়ম্বরের আড়ালে লুকিয়ে আছে আরও তাৎপর্যপূর্ণ এক বাস্তবতা: মেগা-ক্রীড়া ইভেন্টগুলো আধুনিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
৯ দিন আগে
প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজ, দ্রুত এবং বিশ্বসংযুক্ত করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্ব নতুন কিছু সামাজিক, মানসিক ও শিক্ষাগত সংকটও তৈরি করেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্ফোরণমূলক বিস্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিকাশ, শিক্ষাগ্রহণ, নৈতিকতা, সৃজনশীলতা এ
১১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকে ঘিরে বেইজিংয়ের কূটনৈতিক তৎপরতা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করছে যে বাংলাদেশকে এখন আর কেবল একটি উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার উদীয়মান ভূরাজনৈতিক সমীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
১১ দিন আগে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আসসালামু আলাইকুম। এই চিঠি আপনার কাছে পৌঁছাবে কি না, জানি না। কিন্তু আমি জানি, বাংলাদেশের মাটি, নদী, মাঠ, জনপদ, শহর, বন্দর, শ্রমিক কলোনি, চরাঞ্চল, পাহাড়, চা বাগান এবং বস্তির মধ্যে যে দীর্ঘশ্বাস প্রতিদিন ঘুরে বেড়ায়, তার ভাষা একদিন না একদিন রাষ্ট্রের দরজায় কড়া নাড়বেই।
১২ দিন আগে