বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে জাতীয় পার্টি। দলটি শেষপর্যন্ত রাজনীতি করতে পারবে কি-না, তা নিয়ে দলের নেতারা চিন্তিত। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, দেশে এখনও কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
বাংলাদেশে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং সংবিধান বাতিলের মতো দাবিতে সক্রিয় হয়ে উঠতে দেখা গেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নাগরিক কমিটিসহ বিভিন্ন পক্ষকে। গত কয়েকদিনে ধারাবাহিকভাবে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকও করেছে তারা।
১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি সেটা ছিল ভৌগলিক স্বাধীনতা। মূলত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছিল না, মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের যে স্বাধীনতা তা মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সকল বৈষম্যবিরোধী অবসান ঘটিয়ে সমাজের ন্যায় বিচার, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে আম
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে রিভিউ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা আগামী ১৭ নভেম্বর। তবে আইনজীবী ও বিশ্লেষকেরা মনে করেন সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন আইন সংস্কারও প্রয়োজন।
বাংলাদেশে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই দেশটির সাধারণ মানুষের মুখে যে প্রশ্নটি ঘুরেফিরে বার বার শোনা যাচ্ছে, সেটি হচ্ছে- পরবর্তী সংসদ নির্বাচন কবে হবে? অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।
‘সাংবিধানিক পথে যাত্রা ভুল হলে সেটা এই আন্দোলনে থাকা সবার ভুল’ আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আদর্শ ও গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান ব্রেইন আয়োজিত যৌথ আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন আইন উপদ
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগকে অন্তর্বর্তী সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণার পর ছাত্র রাজনীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না সেটি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের বড় ভূমিকা থাকলেও স্বাধীনতার পরবর্
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মাধ্যমে দেশে কোনো সাংবিধানিক সংকট ও শূন্যতা তৈরি হলে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিএনপি। আর এ কারণে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না দলটি। রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে, শূন্যতা তৈরি হবে। তাই তারা চায় সংস্কার ও দ্রুত নির্বাচন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদচ্যুতির দাবিতে আন্দোলন শুরুর পর রাষ্ট্রপ্রধানকে সরানোর উদ্যোগ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা, বিশ্লেষণ। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কিংবা অপসারণের ক্ষেত্রে কিছু সাংবিধানিক জটিলতা সামনে এসেছে। আচমকা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিরোধিতা করে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈ
বাংলাদেশে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ‘হঠাৎ’ স্থগিতের ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আজ রোববার রাজশাহীর পুলিশ একাডেমিতে এ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো।
বাংলাদেশে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য দেয়ায় রাজনৈতিক দল ও নেতাদের কাছ থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পরে তার ব্যাখ্যা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ
নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের শুরুতেই এখন আলোচনায় সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা প্রাধান্য পাচ্ছে। এই ব্যবস্থায় নির্বাচন হয় দলীয় প্রতীকের ওপর। আর আসন ভাগ হয় শতকরা ভোটের হারের ওপর। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ব্যবস্থায় গণতন্ত্র সংহত হয় এবং সংসদে সবার অংশগ্রহণ থাকে। ক্ষমতায় গিয়ে কোনো দলের স্বৈরাচারি হওয়ার স
প্রায় আড়াই মাস হতে চলল বাংলাদেশ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা একটি সামরিক বিমানে চেপে দিল্লিতে এসে অবতরণ করেছিলেন। তারপর থেকে তাকে আর এক মুহূর্তের জন্যও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও তার কোনও ছবি ‘লিক’ হয়নি, নানা কথিত ফোনালাপের অডিও ফাঁস হলেও সেগুলো যে তারই কণ্ঠস্বর তারও কোনও প্রমাণ মেলে
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিল সেখানে বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটেছে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাবার পর। অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় আড়াই মাস পার করলেও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলার কোনো ইঙ্গিত মিলছে না।
সম্প্রতি আটটি জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলছেন, আওয়ামী লীগ আমলে ‘বিভিন্ন দলীয় দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তো, সেগুলা এবং যে দিবসগুলোকে অগুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, সেই দিবসগুলোকে বাতিল করা হয়েছে।’
পাকিস্তান আমলে নিজের তারুণ্যে বক্তৃতার দক্ষতার জন্য ‘অগ্নিকন্যা’ হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া মতিয়া চৌধুরী তার মন্ত্রিত্বসহ প্রায় ছয় দশকের রাজনৈতিক জীবনে বরাবরই সাদামাটা জীবনযাপনের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গনে।