খাগড়াছড়িতে চোর সন্দেহে পিটুনিতে এক বাঙালি যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার পর পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে হঠাৎ কেন তিন পার্বত্য জেলা এমন অশান্ত হয়ে উঠলো সেটি নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৩ শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে। ২৭শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৯ তম অধিবেশনে তার ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে।
গত দেড় দশকের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জনপ্রশাসনে অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে প্রায় দেড় গুণ বেশি কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব করা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম-সচিব পদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা দুই গুণ ছাড়িয়ে গেছে।
বাংলাদেশে এখনও নানা জায়গায় অশান্ত পরিস্থিতি রয়েছে। একদিকে মব জাস্টিসের নামে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা, অন্যদিকে নারী, সংখ্যালঘু, মাজার, আদিবাসীদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। পাহাড় অশান্ত হয়ে উঠেছে, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে নিহত হয়েছেন চারজন।
ওরা তাকে খাওয়াতো। জানত ক্ষুধা নিয়েই এসেছে। ১৮ তারিখও তফাজ্জল এসেছিল ক্ষুধার তাড়নায়। সেদিন তার সাথে এলাকার কারো দেখা হয়নি। দেখা হয়েছিল ছাত্র নামধারী কয়েকজন দুর্বৃত্তর সাথে। তারা তাকে মোবাইল চোর বানিয়ে ফেলল। আসলে এটা ছিল একটা কৌশল। না হলে এতদিনে জাতি জানত কার মোবাইল চুরি হয়েছে, কোথা থেকে চুরি হয়েছে,
বাংলাদেশে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যবসা বাণিজ্যে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর একচেটিয়া আধিপত্য দেখা গেছে। ক্ষমতার ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে বিপুল সম্পদের মালিক এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কারণে বাংলাদেশে এসব শিল্প মালিকদেরকে ‘অলিগার্ক’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হচ্ছে
ছাত্র-জনতার সরকার পতনের আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ভিসি, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষকদের অপসারণ দাবি তুলে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। ভিসিসহ প্রশাসনিক ব্যক্তিদের পদত্যাগ এবং পদগুলোতে নিয়োগ দিতে দেরি হওয়ার মতো কারণে উচ্চশ
বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক সবসময়ই একটা সংবেদনশীল বিষয় ছিল। ১৯৭১ সালের ইতিহাস বিবেচনায় এ নিয়ে আলোচনা, রাজনীতি কম হয়নি। তবে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের ভয়াবহ অবনতি ঘটে আওয়ামী লীগ আমলে, বিশেষত যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রেক্ষাপটে।
তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারত পালিয়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন কি না, তা নিয়ে আবার নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার একটি ফোন রেকর্ড ফাঁসের ও কথিত ‘পদত্যাগপত্র’ ঘিরেই নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ঘটনার ঘনঘটায় পরিপূর্ণ দেশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনারগণ পদত্যাগ করেছেন সেও বেশ কিছুদিন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার বিদায়ী ভাষণে বলে গেছেন, সর্বশেষ নির্বাচনটি হয়েছিল একদলীয়। দলের মধ্যে নয়, ব্যক্তির মধ্যে নির্বাচন হয়েছিল। আজ এতদিন পর পাশাই যখন উল্টে গেছে তখন তিনি এ কথা বললেন!
দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যায় আক্রান্তদের সাহায্যার্থে গত আগস্টে গণত্রাণ সংগ্রহের ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অসংখ্য মানুষকে তখন ট্রাকভরে ত্রাণের মাল নিয়ে সমবেত হতে দেখা গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি)।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত বুধবার জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন সমন্বয়কও তথাকথিত ‘মব জাস্টিসের' বিরুদ্ধে তাদের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়েছেন৷ কিন্তু এসবে কোনো কাজ হচ্ছে না৷
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে তিনটি বড় গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনীতির বাঁক বদল ঘটেছে, তার সবগুলোতে দৃশ্যত লাভবান হয়েছে বিএনপি। এই তিনটি ঘটনা ঘটেছে ১৯৭৫ সাল, ১৯৯০ সাল এবং ২০২৪ সালে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এক মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিবেশি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত অবস্থায় রয়েছে। একদিকে যখন হাসিনার ভারতে থাকার বিষয়টি বাংলাদেশের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক এ
কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশে তীব্র লোডশেডিংয়ে নাকাল মানুষ। ডলারসংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন কমেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে। একইসাথে জ্বালানির আমদানি নির্ভর এ খাতে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের বকেয়াও বাড়ছে। ফলে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না।
রাষ্ট্র সংস্কার ও পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রোববার জাতীয় নাগরিক কমিটি নামে আত্মপ্রকাশ করার পরদিনই কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর শুরু করেছে। এ সফরকে ঘিরে তাদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ সদর দফতরের এক চিঠিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব
দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ সম্প্রতি সরকারি আমলাদের নিয়ে একটি মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।