অর্থমন্ত্রী বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সম্পর্কিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অসাধারণ সফলতা দেখিয়েছে। মাতৃমৃত্যুর হার ২০০৭ সালে ছিল প্রতি লাখে ৩৫১ জন, যা বর্তমানে কমে ১৩৬ হয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুর হার ২০০৭ সালে ছিল প্রতি হাজারে ৬০, যা বর্তমানে কমে
অর্থমন্ত্রী জানান, মূল্যস্ফীতির হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং রাজস্ব নীতিতেও সহায়ক নীতিকৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে ফ্যামিলি কার্ড, ওএমএস ইত্যাদি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানির কিছু অপ্রদর্শিত আয় ও পরিসম্পদ দেখানোর ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে। এমন ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে এই অপ্রদর্শিত অর্থ ১৫ শতাংশ কর দিয়ে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির অপ্রদর্শিত সম্পদ নির্দিষ্ট হারে কর দিয়েও বৈধ করার সুযোগ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন ধরনের পণ্যে শুল্ক ও কর হ্রাস-বৃদ্ধির প্রস্তাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটের মূল স্লোগান সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার। রাজস্ব আহরণ ত্বরান্বিত করতে
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে মোবাইলফোনের কল রেটের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে গ্রাহকদের মোবাইলফোনে কথা বলার খরচও বাড়বে।
বাজার স্থিতিশীল রাখা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমাতে প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যশস্য সরবরাহের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব পণ্যে উৎসে কর ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পণ্যগুলো হলো—ধান, চাল, ডাল, আটা, ময়দা, লবণ, ভুট্টা, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মটর, ছ
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
আগামী অর্থবছরের (২০২৪-২৫) বাজেটে শুল্ক-করারোপ করা হতে পারে বেশকিছু পণ্য ও সেবায়। এতে বাড়তে পারে আইসক্রিম, বেভারেজ, ইট, এলইডি বাল্ব, তামাকজাতীয় দ্রব্য প্রভৃতি পণ্যের দাম। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
এবার নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করে কর কমানো হয়েছে বেশকিছু পণ্যের। গুঁড়োদুধ, দেশে তৈরি মোটরসাইকেল, ল্যাপটপসহ অনেক পণ্যের দাম কমতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১১ মাসে সকল পণ্য থেকে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৫৪ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি ২.০১ শতাংশ। তবে গত মে মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৩৫ কোটি ডলারের, যা আগের বছরের থেকে ১৭.১৯ শতাংশ কম।
বিশ্লেষকেরা বলেন, মূল্যস্ফীতি এক ধরনের কর; ধনী-গরিব-নির্বিশেষে সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতি। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে গরিব ও মধ্যবিত্তরা সংসার চালাতে ভোগান্তিতে পড়ে। গত দুই বছর ধরে চলা এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। প্রভাব পড়ছে মানুষের যাপিত জীবনে।
আলুর দাম বাড়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে আলুর দাম কম। এছাড়াও আসন্ন ঈদে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।
খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পর্যটন খাতে মানুষের ভালো আগ্রহ দেখা গেছে। ফলে হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে যে মন্দাভাব ছিল, তা কেটে গেছে। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকরাও এখন বাংলাদেশে আসছেন। ব্যবসার কাজেও বাংলাদেশে বিদেশিদের আসা ও যাওয়া গত কয়েক বছরে দ্বিগুণ বেড়েছে। আর বি
তারই ধারাবাহিকতার প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য লিটার প্রতি ১০৭ টাকা হতে শূন্য দশমিক ৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে লিটার প্রতি ১০৭ দশমিক ৭৫ টাকা, পেট্রোলের বিদ্যমান মূল্য লিটার প্রতি ১২৪ দশমিক ৫০ টাকা হতে ২ দশমিক ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে লিটার প্রতি ১২৭ টাকা এবং অকটেনের বিদ্
এবার চতুর্থ দফায় জুন মাসের জন্য ঘোষিত দামে প্রতি লিটার ডিজেলে ও কেরোসিনে দাম বেড়েছে ৭৫ পয়সা। পেট্রল ও অকটেনের দাম বেড়েছে লিটারে আড়াই টাকা। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১ জুন থেকে কার্যকর হবে।
আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘আপনারা জানেন অ্যামাজন সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। আমরা সেন্টার ওয়্যারহাউস তৈরি করবো। তারা সেখান থেকে পণ্যগুলো সংগ্রহ করবে। এরপর তারা সেগুলো আঞ্চলিকভাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রি করবে।’
তথ্যে দেখা যায়, চলতি মে মাসের ২৪ দিনে প্রবাসীদের পাঠানো আয় আগের এপ্রিল ও আগের বছরের মে মাসে পাঠানো প্রবাসী আয়ের চেয়ে বেশি। ২০২৩ সালের মে মাসে প্রবাসীরা প্রতিদিন দেশে পাঠিয়েছিলেন পাঁচ কোটি ৬৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬৭ মার্কিন ডলার। আর চলতি বছরের এপ্রিল অর্থাৎ আগের মাসে প্রবাসীরা প্রতিদিন দেশে পাঠিয়েছিলেন ছয়