
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

৩ দিনের মধ্যে কবি ও প্রাবন্ধিক সোহেল হাসান গালিবের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন একদল লেখক, প্রকাশক ও সংস্কৃতিকর্মী। সোমবার বিকাল ৫টায় অমর একুশে বইমেলায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের মাধ্যমে এই সময়সীমা বেঁধে দেন তারা।
কর্মসূচিতে আদর্শর প্রকাশক ও সম্পাদক লেখক মাহাবুবুর রহমান বলেন, "গালিবকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি না দিলে আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পিটিশন করব। কোথায় কোথায় পিটিশন করতে হয়, আমাদের জানা আছে। আমাদেরকে সংখ্যা দিয়ে বিচার করবেন না।"
ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার কবি সোহেল হাসান গালিবকে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারিও গালিবকে আদালতে তোলা হয়। সেদিন তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
ওই সময় গালিবের আইনজীবী তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সোমবারের কর্মসূচিতে লেখক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস বলেন, "গালিবকে ধরে নিয়েছে পুলিশ, তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছে। এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আমরা এখানে জড়ো হয়েছি এবং প্রতিবাদ করছি। আমরা বলছি, গালিবকে যেন অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়া হয়।"
কবি-প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন বলেন, "গালিবের সঙ্গে রাষ্ট্র যে আচরণ করছে, তা নতুন কিছু নয়। সব সময় আমরা দেখেছি ধর্মকে ব্যবহার করে রাষ্ট্র। শুনেছি গালিবকে দুই দিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র জানে না, লেখককে গ্রেপ্তার করা যেতে পারে, কিন্তু লেখকের চিন্তাকে কখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব না। গালিবকে কবিতা লেখার জন্য গ্রেপ্তার করে রাষ্ট্র আত্মঘাতী কাজ করেছে।"
কবি চঞ্চল আশরাফ বলেন, "গালিব তো চুরি করে নাই; দুর্নীতি করেন নাই। তবে তাকে কেন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে? কত বড় বড় চোর, রাঘব বোয়ালেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, গালিবকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে?”
কবি ও সাংবাদিক জুয়েল মাজহার বলেন, "রাষ্ট্র যেন কবির ভাষাকে সরলীকরণ না করে।"
কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ বলেন, "প্রথমে শুনলাম গালিবকে আটক করা হয়েছে, পরে শুনলাম গ্রেপ্তার। আর আজ শুনলাম রিমান্ডে। এটা খুবই দুঃখজনক যে, কবিতা লেখার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
‘আদর্শ’ প্রকাশনী সংস্থার প্রকাশক মাহাবুবুর রহমান বলেন, "এখানে দাঁড়ানোর আগে আমি ব্যক্তিগতভাবে তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমার মনে হলো, তারা ব্যাপারটি সিরিয়াসলি নিচ্ছে না।
"এই সরকার ব্যর্থ হলে আমরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হব। যারা এখন সরকারে আছেন, তাদেরকে বলব, আপনারা দুই দিনের ক্ষমতা পেয়ে যদি বন্ধুদের ভুলে যান; দুদিন পর ক্ষমতা থেকে যখন সরে যাবেন, আমাদের পাশেই কিন্তু আপনাদের বসতে হবে।"
লেখক ও সাংবাদিক ধ্রুব সাদিক বলেন, "পুলিশ হুট করে এত উৎসাহী হয়ে গেল যে একজন কবিকে গ্রেপ্তার করতে হল। জুলাই আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার কারণে গালিবের চাকরি চলে যাচ্ছিল। সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান, গালিবকে মুক্তি দিন এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।"
২০২৪ সালে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান উজান থেকে প্রকাশিত বইয়ে গালিবের লেখা একটি কবিতা ঘিরে সমালোচনা শুরু হয়। কবিতাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালে গালিবের বিরুদ্ধে মহানবীকে ‘কটাক্ষ’ করার অভিযোগ ওঠে। ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সানারপাড় থেকে গালিবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সোহেল হাসান গালিবের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন কবি ও সাংবাদিক শিমুল সালাহ্উদ্দিন। তিনি পুলিশের এ বিষয়ক অযাচিত আগ্রহ ও ভূমিকাকে সমালোচনা করে রাষ্ট্রকে দুর্বল, ভঙ্গুর করতেই এমন কাজ পতিত সরকারের সহযোগীরা করছে বলে অভিযোগ করেন।
এই ঘটনার পর থেকে কবির পরিবার কী ভয়াবহ ট্রমা ও অনিরাপত্ত্বাবোধের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে তাও তিনি তুলে ধরেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কবি সোহেল হাসান গালিবকে মুক্তি না দিলে আন্তর্জাতিক লেখক সংগঠনগুলোকে যুক্ত করে সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।

৩ দিনের মধ্যে কবি ও প্রাবন্ধিক সোহেল হাসান গালিবের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন একদল লেখক, প্রকাশক ও সংস্কৃতিকর্মী। সোমবার বিকাল ৫টায় অমর একুশে বইমেলায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের মাধ্যমে এই সময়সীমা বেঁধে দেন তারা।
কর্মসূচিতে আদর্শর প্রকাশক ও সম্পাদক লেখক মাহাবুবুর রহমান বলেন, "গালিবকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি না দিলে আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পিটিশন করব। কোথায় কোথায় পিটিশন করতে হয়, আমাদের জানা আছে। আমাদেরকে সংখ্যা দিয়ে বিচার করবেন না।"
ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার কবি সোহেল হাসান গালিবকে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারিও গালিবকে আদালতে তোলা হয়। সেদিন তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
ওই সময় গালিবের আইনজীবী তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সোমবারের কর্মসূচিতে লেখক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস বলেন, "গালিবকে ধরে নিয়েছে পুলিশ, তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছে। এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আমরা এখানে জড়ো হয়েছি এবং প্রতিবাদ করছি। আমরা বলছি, গালিবকে যেন অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়া হয়।"
কবি-প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন বলেন, "গালিবের সঙ্গে রাষ্ট্র যে আচরণ করছে, তা নতুন কিছু নয়। সব সময় আমরা দেখেছি ধর্মকে ব্যবহার করে রাষ্ট্র। শুনেছি গালিবকে দুই দিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র জানে না, লেখককে গ্রেপ্তার করা যেতে পারে, কিন্তু লেখকের চিন্তাকে কখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব না। গালিবকে কবিতা লেখার জন্য গ্রেপ্তার করে রাষ্ট্র আত্মঘাতী কাজ করেছে।"
কবি চঞ্চল আশরাফ বলেন, "গালিব তো চুরি করে নাই; দুর্নীতি করেন নাই। তবে তাকে কেন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে? কত বড় বড় চোর, রাঘব বোয়ালেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, গালিবকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে?”
কবি ও সাংবাদিক জুয়েল মাজহার বলেন, "রাষ্ট্র যেন কবির ভাষাকে সরলীকরণ না করে।"
কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ বলেন, "প্রথমে শুনলাম গালিবকে আটক করা হয়েছে, পরে শুনলাম গ্রেপ্তার। আর আজ শুনলাম রিমান্ডে। এটা খুবই দুঃখজনক যে, কবিতা লেখার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
‘আদর্শ’ প্রকাশনী সংস্থার প্রকাশক মাহাবুবুর রহমান বলেন, "এখানে দাঁড়ানোর আগে আমি ব্যক্তিগতভাবে তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমার মনে হলো, তারা ব্যাপারটি সিরিয়াসলি নিচ্ছে না।
"এই সরকার ব্যর্থ হলে আমরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হব। যারা এখন সরকারে আছেন, তাদেরকে বলব, আপনারা দুই দিনের ক্ষমতা পেয়ে যদি বন্ধুদের ভুলে যান; দুদিন পর ক্ষমতা থেকে যখন সরে যাবেন, আমাদের পাশেই কিন্তু আপনাদের বসতে হবে।"
লেখক ও সাংবাদিক ধ্রুব সাদিক বলেন, "পুলিশ হুট করে এত উৎসাহী হয়ে গেল যে একজন কবিকে গ্রেপ্তার করতে হল। জুলাই আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার কারণে গালিবের চাকরি চলে যাচ্ছিল। সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান, গালিবকে মুক্তি দিন এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।"
২০২৪ সালে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান উজান থেকে প্রকাশিত বইয়ে গালিবের লেখা একটি কবিতা ঘিরে সমালোচনা শুরু হয়। কবিতাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালে গালিবের বিরুদ্ধে মহানবীকে ‘কটাক্ষ’ করার অভিযোগ ওঠে। ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সানারপাড় থেকে গালিবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সোহেল হাসান গালিবের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন কবি ও সাংবাদিক শিমুল সালাহ্উদ্দিন। তিনি পুলিশের এ বিষয়ক অযাচিত আগ্রহ ও ভূমিকাকে সমালোচনা করে রাষ্ট্রকে দুর্বল, ভঙ্গুর করতেই এমন কাজ পতিত সরকারের সহযোগীরা করছে বলে অভিযোগ করেন।
এই ঘটনার পর থেকে কবির পরিবার কী ভয়াবহ ট্রমা ও অনিরাপত্ত্বাবোধের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে তাও তিনি তুলে ধরেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কবি সোহেল হাসান গালিবকে মুক্তি না দিলে আন্তর্জাতিক লেখক সংগঠনগুলোকে যুক্ত করে সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।

বাড়ির উঠোনের এক পাশে খড়ের পালা, অন্য পাশে পুঁথি পাঠের আয়োজন। ভ্যাপসা গরমেও মানুষের আগ্রহে কমতি নেই। আয়োজকরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। মাথার ওপরে পূর্ণিমার চাঁদ, আর উঠোনে কুপি ও হারিকেনের আলো— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল অন্যরকম এক আবহ।
২৮ আগস্ট ২০২৬
আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে বলেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারি
২৭ আগস্ট ২০২৬
এথিকের প্রথম প্রযোজনা ‘হাঁড়ি ফাটিবে’ নতুন আঙ্গিকে নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। নাটকটির শততম মঞ্চায়ন উপলক্ষ্যে মঞ্চ ও নেপথ্যে যুক্ত থাকা ১০০ জন কলাকুশলীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।
২০ আগস্ট ২০২৬
১৯৪৯ সালের এ দিনে সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস এবং মা মরহুম ফিরোজা খাতুন।
১৮ আগস্ট ২০২৬