উপকথা

তুই থুলি মুই থুলি পাখির গল্প

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
চ্যাটজিপিটির চোখে তুই থুলি মুই থুলি পাখি

এক গরিব-বুড়ি বাস করে এক গাঁয়ে। তাদের খুব অভাব। ঘটনাক্রমে বুড়ো একদিন এক হাঁড়া সোনার টাকা পেয়ে যায়। হাঁড়া মানে আসলে এক ধরনের বড় কলসি।

বুড়ো টাকাটা এনে দেয় বুড়ির কাছে। বুড়ি টাকাটা গোপন জায়গায় লুকিয়ে রাখে। বুড়ো ভেবেছিল এবার বুঝি তাদের দুঃখ ঘুঁচল। কিন্তু যেদিন টাকার দরকার পড়ল, বুড়ো চাইল টাকার হাড়াটা। বুড়ি তখন বলে, টাকার হাড়া তো তার কাছে নেই। সেই কবেই সে বুড়োকে বের করে দিয়েছে। বুড়ো সেটা অন্য কোথাও লুকিয়ে রেখেছে। কিন্তু বুড়ো সেটা অস্বীকার করে। ফলে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। তারপর তুমুল ঝগড়া। সেই জগড়ায় তখন দুটি বাক্যই উচ্চারিত হয়–তুই থুলি না মুই থুলি, টাকার হাড়া কনে থুলি?

দিন যায়, রাত যায়, টাকার শোকে তারা বিমর্ষ হয়ে ওঠে। কিন্তু টাকার হাঁড়ার সন্ধান আর মেলে না। প্রতিদিন ঝগড়া হয়—তুই থুলি না মুই থুলি, টাকার হাড়া কনে থুলি।

এভাবে ঝগড়া করতেই একদিন বুড়ো-বুড়ি পাখিতে পরিণত হয়। পাখিতে পরিণত হয়ে আজও তারা গাছে বসে ঝগড়া করে—তুই থুলি না মুই থুলি, টাকার হাঁড়া কনে থুলি। লোকে বলে বুড়ো-বুড়ি নাকি হুতোম প্যাঁচায় পরিণত হয়েছিল। হুতোম প্যাঁচার ডাক শুনলে মনে হয়, ওরা যেন—তুই থুলি না মুই থুলি—বলে ডাকে। নিজে একদিন শুনে দেখুন গ্রামে গিয়ে–অথবা ইউটিউবে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

সাত-পাঁচ থেকে আরও পড়ুন

জোছনা আর হারিকেন-কুপির আলোয় জমল হারানো পুঁথি পাঠের আসর

বাড়ির উঠোনের এক পাশে খড়ের পালা, অন্য পাশে পুঁথি পাঠের আয়োজন। ভ্যাপসা গরমেও মানুষের আগ্রহে কমতি নেই। আয়োজকরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। মাথার ওপরে পূর্ণিমার চাঁদ, আর উঠোনে কুপি ও হারিকেনের আলো— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল অন্যরকম এক আবহ।

২৫ দিন আগে

প্রেমের নাটক-সিনেমার নির্মাণ-সম্প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ চেয়ে আইনি নোটিশ

আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে বলেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারি

২৭ আগস্ট ২০২৬

এথিকের ‘হাঁড়ি ফাটিবে’র শততম মঞ্চায়ন ২২ আগস্ট, বিশেষ প্রদর্শনী

এথিকের প্রথম প্রযোজনা ‘হাঁড়ি ফাটিবে’ নতুন আঙ্গিকে নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। নাটকটির শততম মঞ্চায়ন উপলক্ষ্যে মঞ্চ ও নেপথ্যে যুক্ত থাকা ১০০ জন কলাকুশলীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।

২০ আগস্ট ২০২৬

বাংলা নাটকের রূপকার সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

১৯৪৯ সালের এ দিনে সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস এবং মা মরহুম ফিরোজা খাতুন।

১৮ আগস্ট ২০২৬
Advertisement