
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

১ আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ‘কাঁচামিঠে ফলের ছড়া’ বইয়ে প্রকাশনা উৎসব। আনন্দমুখর এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বহুপ্রজ সাহিত্যিক রফিকুর রশীদ। শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কলামিস্ট সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রকাশনা উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও কথাশিল্পী দন্ত্যস রওশন এবং সাহিত্যিক, লোকসংস্কৃতিবিদ ও গীতিকার তপন বাগচী।
অনুষ্ঠানের সভাপতি শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, "শিক্ষার দুটো দিক রয়েছে। একটি হলো ট্রাডিশনাল, যা আমরা পড়েছি, আপনারাও পড়েন। আরেকটি হলো জাঁ জ্যাক রুশোর পদ্ধতি। তিনি বলেছেন, প্রকৃতির সঙ্গে শেখা। রবীন্দ্রনাথ যা বিশ্বভারতীর মাধ্যমে করিয়ে দেখিয়েছেন। অমিত কুমার কুণ্ডুর ছড়ার বইটি সে রকমই। এর মাধ্যমে প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভ করবে শিশুরা ও ওরা শিখবে। এ রকম বই প্রকাশ করার জন্য প্রকাশককে ধন্যবাদ। আমাদের প্রকাশকদের এ ধরনের বই বেশি বেশি করতে হবে।"
প্রধান অতিথি বহুপ্রজ সাহিত্যিক রফিকুর রশীদ বলেন, ‘১২৪টি ফলের ওপর লেখা এই বইয়ের ছড়াগুলো কেবল পাঠকের রসাস্বাদনই করাবে না, শিশুশিক্ষামূলক এই ছড়াগুলো রসোত্তীর্ণও বটে।" তিনি দেশের প্রকাশকদের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘"প্রকাশকদের বেশি বেশি এরকম প্রকাশনা উৎসব আয়োজন করা উচিত।’
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক ও বাংলাদেশের অণুকাব্যের জনক দন্ত্যস রওশন বলেন, ‘পাঠক তৈরির প্রয়াস করতেই পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এমন ক্ষুদ্রাকৃতির ও নতুন নতুন সাইজের বইয়ের ধারণা বাজারে আনছে। এটা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য।’
‘শিশুরা ছবিগুলো দেখে কল্পনায় ফল নিয়ে ভাববে। ওরা ফল খাওয়ার প্রতি যেমন আগ্রহী হয়ে উঠবে, তেমনি শিখবেও,’ বলেন সংস্কৃতি সংগঠক ও শিশুসাহিত্যিক সঙ্গীতা ইমাম।
বইটির বিষয়বৈচিত্র্য ও শিল্পসৌকর্য নিয়ে আলোচনা করেন শিশুসাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ইমরুল ইউসুফ। ‘কাঁচামিঠে ফলের ছড়া' বই থেকে ছড়া আবৃত্তি করেন প্রতিশ্রুতিশীল বাচিক শিল্পী জান্নাতুল ফেরদৌস মুক্তা।

১ আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ‘কাঁচামিঠে ফলের ছড়া’ বইয়ে প্রকাশনা উৎসব। আনন্দমুখর এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বহুপ্রজ সাহিত্যিক রফিকুর রশীদ। শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কলামিস্ট সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রকাশনা উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও কথাশিল্পী দন্ত্যস রওশন এবং সাহিত্যিক, লোকসংস্কৃতিবিদ ও গীতিকার তপন বাগচী।
অনুষ্ঠানের সভাপতি শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, "শিক্ষার দুটো দিক রয়েছে। একটি হলো ট্রাডিশনাল, যা আমরা পড়েছি, আপনারাও পড়েন। আরেকটি হলো জাঁ জ্যাক রুশোর পদ্ধতি। তিনি বলেছেন, প্রকৃতির সঙ্গে শেখা। রবীন্দ্রনাথ যা বিশ্বভারতীর মাধ্যমে করিয়ে দেখিয়েছেন। অমিত কুমার কুণ্ডুর ছড়ার বইটি সে রকমই। এর মাধ্যমে প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভ করবে শিশুরা ও ওরা শিখবে। এ রকম বই প্রকাশ করার জন্য প্রকাশককে ধন্যবাদ। আমাদের প্রকাশকদের এ ধরনের বই বেশি বেশি করতে হবে।"
প্রধান অতিথি বহুপ্রজ সাহিত্যিক রফিকুর রশীদ বলেন, ‘১২৪টি ফলের ওপর লেখা এই বইয়ের ছড়াগুলো কেবল পাঠকের রসাস্বাদনই করাবে না, শিশুশিক্ষামূলক এই ছড়াগুলো রসোত্তীর্ণও বটে।" তিনি দেশের প্রকাশকদের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘"প্রকাশকদের বেশি বেশি এরকম প্রকাশনা উৎসব আয়োজন করা উচিত।’
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক ও বাংলাদেশের অণুকাব্যের জনক দন্ত্যস রওশন বলেন, ‘পাঠক তৈরির প্রয়াস করতেই পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এমন ক্ষুদ্রাকৃতির ও নতুন নতুন সাইজের বইয়ের ধারণা বাজারে আনছে। এটা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য।’
‘শিশুরা ছবিগুলো দেখে কল্পনায় ফল নিয়ে ভাববে। ওরা ফল খাওয়ার প্রতি যেমন আগ্রহী হয়ে উঠবে, তেমনি শিখবেও,’ বলেন সংস্কৃতি সংগঠক ও শিশুসাহিত্যিক সঙ্গীতা ইমাম।
বইটির বিষয়বৈচিত্র্য ও শিল্পসৌকর্য নিয়ে আলোচনা করেন শিশুসাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ইমরুল ইউসুফ। ‘কাঁচামিঠে ফলের ছড়া' বই থেকে ছড়া আবৃত্তি করেন প্রতিশ্রুতিশীল বাচিক শিল্পী জান্নাতুল ফেরদৌস মুক্তা।

বাড়ির উঠোনের এক পাশে খড়ের পালা, অন্য পাশে পুঁথি পাঠের আয়োজন। ভ্যাপসা গরমেও মানুষের আগ্রহে কমতি নেই। আয়োজকরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। মাথার ওপরে পূর্ণিমার চাঁদ, আর উঠোনে কুপি ও হারিকেনের আলো— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল অন্যরকম এক আবহ।
২৫ দিন আগে
আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে বলেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারি
২৭ আগস্ট ২০২৬
এথিকের প্রথম প্রযোজনা ‘হাঁড়ি ফাটিবে’ নতুন আঙ্গিকে নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। নাটকটির শততম মঞ্চায়ন উপলক্ষ্যে মঞ্চ ও নেপথ্যে যুক্ত থাকা ১০০ জন কলাকুশলীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।
২০ আগস্ট ২০২৬
১৯৪৯ সালের এ দিনে সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস এবং মা মরহুম ফিরোজা খাতুন।
১৮ আগস্ট ২০২৬