
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঈদের উৎসবমুখর আবহে প্রেক্ষাগৃহে নতুন প্রাণ ফিরিয়েছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। বড় বাজেটের অ্যাকশনধর্মী সিনেমার ভিড়েও ভিন্নধর্মী গল্প আর শক্তিশালী অভিনয়ের জোরে সিনেমাটি দর্শকদের কাছে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটিকে ঘিরে চলছে ইতিবাচক আলোচনা, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বক্সঅফিসের আয়েও।
বিএমআর-এর হিসাব বলছে, মুক্তির প্রথম দিনেই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আয় করে ১৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। দ্বিতীয় দিনে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ২২ লাখ ২৬ হাজারে। তৃতীয় দিনে এসে সিনেমাটি আয় করে ২৮ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিনই ধারাবাহিকভাবে আয় বেড়েছে, যা একটি চলচ্চিত্রের জন্য শক্তিশালী ‘ওয়ার্ড অব মাউথ’-এর ইঙ্গিত দেয়। তিন দিনে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকায়।
শুধু আয় নয়, প্রেক্ষাগৃহের উপস্থিতিও আশাব্যঞ্জক। শো বাড়ানোর পরও রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হলে দর্শক চাহিদা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তৃতীয় দিনে মোট ৩১টি শোর মধ্যে ২৯টিই ছিল হাউজফুল, বাকি দুটিও প্রায় পূর্ণ। এমন সাড়া প্রমাণ করে, গল্পনির্ভর সিনেমার জন্য দর্শকদের আগ্রহ এখনো অটুট।
নির্মাতা তানিম নূরের পরিচালনায় নির্মিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস থেকে অনুপ্রাণিত। একটি ট্রেনযাত্রাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই গল্পে উঠে এসেছে মানুষের সম্পর্ক, একাকিত্ব, স্মৃতিকাতরতা ও জীবনের ছোট ছোট অনুভূতি। কোনো দৃশ্য কাঁদায়, আবার পরের দৃশ্যটিই হয়তো হাসায়। গানের ব্যবহার ছিল দারুণ। অর্থহীনের ‘চাইতেই পারো’, আইয়ুব বাচ্চুকে ট্রিবিউট করে ‘উড়াল দিব আকাশে’ বা অর্ণবের গলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মাঝে মাঝে তব’ এর উদাহরণ।
মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, শরিফুল রাজ, সাবিলা নূর, আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ইন্তেখাব দিনার এবং শ্যামল মাওলার মতো জনপ্রিয় তারকারা নিজ নিজ চরিত্রে প্রাণ ঢেলেছেন। ছবিজুড়ে নুহাশ হুমায়ূনের ভয়েজওভার, শামীমা নাজনীনের অভিনয় এবং ছবির একদম শেষে দুটি ক্যামিও চরিত্র এক মুহূর্তের জন্যও দর্শকদের হুমায়ূন আহমেদকে ভুলে থাকতে দেয়নি। তাদের অভিনয়ের সূক্ষ্মতা ও সংলাপের স্বাভাবিকতা দর্শকদের গল্পের ভেতরে টেনে নিতে সক্ষম হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা চোখে পড়ার মতো। দর্শকদের অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে শুধু অ্যাকশন বা বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমা নয়, এমন গল্পভিত্তিক কাজও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সেই প্রয়োজনের দিকেই ইঙ্গিত করছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ঈদের ভিড়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শুধু একটি সিনেমা নয়— এটি এক ধরনের বার্তা। ভালো গল্প, শক্তিশালী নির্মাণ আর মানসম্পন্ন অভিনয় থাকলে দর্শক এখনো হলে যায় এবং সেই সিনেমাকে এগিয়েও নেয়। এবার ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত পাঁচটি সিনেমার মধ্যে পরিবার নিয়ে দেখার জন্য সবচেয়ে উপযোগী সিনেমা এটাই, যা নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা যে কাউকেই ভোগাবে টেলিভিশন বা হলে হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমা দেখার নস্টালজিয়ায়।

ঈদের উৎসবমুখর আবহে প্রেক্ষাগৃহে নতুন প্রাণ ফিরিয়েছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। বড় বাজেটের অ্যাকশনধর্মী সিনেমার ভিড়েও ভিন্নধর্মী গল্প আর শক্তিশালী অভিনয়ের জোরে সিনেমাটি দর্শকদের কাছে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটিকে ঘিরে চলছে ইতিবাচক আলোচনা, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বক্সঅফিসের আয়েও।
বিএমআর-এর হিসাব বলছে, মুক্তির প্রথম দিনেই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আয় করে ১৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। দ্বিতীয় দিনে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ২২ লাখ ২৬ হাজারে। তৃতীয় দিনে এসে সিনেমাটি আয় করে ২৮ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিনই ধারাবাহিকভাবে আয় বেড়েছে, যা একটি চলচ্চিত্রের জন্য শক্তিশালী ‘ওয়ার্ড অব মাউথ’-এর ইঙ্গিত দেয়। তিন দিনে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকায়।
শুধু আয় নয়, প্রেক্ষাগৃহের উপস্থিতিও আশাব্যঞ্জক। শো বাড়ানোর পরও রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হলে দর্শক চাহিদা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তৃতীয় দিনে মোট ৩১টি শোর মধ্যে ২৯টিই ছিল হাউজফুল, বাকি দুটিও প্রায় পূর্ণ। এমন সাড়া প্রমাণ করে, গল্পনির্ভর সিনেমার জন্য দর্শকদের আগ্রহ এখনো অটুট।
নির্মাতা তানিম নূরের পরিচালনায় নির্মিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস থেকে অনুপ্রাণিত। একটি ট্রেনযাত্রাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই গল্পে উঠে এসেছে মানুষের সম্পর্ক, একাকিত্ব, স্মৃতিকাতরতা ও জীবনের ছোট ছোট অনুভূতি। কোনো দৃশ্য কাঁদায়, আবার পরের দৃশ্যটিই হয়তো হাসায়। গানের ব্যবহার ছিল দারুণ। অর্থহীনের ‘চাইতেই পারো’, আইয়ুব বাচ্চুকে ট্রিবিউট করে ‘উড়াল দিব আকাশে’ বা অর্ণবের গলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মাঝে মাঝে তব’ এর উদাহরণ।
মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, শরিফুল রাজ, সাবিলা নূর, আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ইন্তেখাব দিনার এবং শ্যামল মাওলার মতো জনপ্রিয় তারকারা নিজ নিজ চরিত্রে প্রাণ ঢেলেছেন। ছবিজুড়ে নুহাশ হুমায়ূনের ভয়েজওভার, শামীমা নাজনীনের অভিনয় এবং ছবির একদম শেষে দুটি ক্যামিও চরিত্র এক মুহূর্তের জন্যও দর্শকদের হুমায়ূন আহমেদকে ভুলে থাকতে দেয়নি। তাদের অভিনয়ের সূক্ষ্মতা ও সংলাপের স্বাভাবিকতা দর্শকদের গল্পের ভেতরে টেনে নিতে সক্ষম হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা চোখে পড়ার মতো। দর্শকদের অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে শুধু অ্যাকশন বা বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমা নয়, এমন গল্পভিত্তিক কাজও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সেই প্রয়োজনের দিকেই ইঙ্গিত করছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ঈদের ভিড়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শুধু একটি সিনেমা নয়— এটি এক ধরনের বার্তা। ভালো গল্প, শক্তিশালী নির্মাণ আর মানসম্পন্ন অভিনয় থাকলে দর্শক এখনো হলে যায় এবং সেই সিনেমাকে এগিয়েও নেয়। এবার ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত পাঁচটি সিনেমার মধ্যে পরিবার নিয়ে দেখার জন্য সবচেয়ে উপযোগী সিনেমা এটাই, যা নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা যে কাউকেই ভোগাবে টেলিভিশন বা হলে হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমা দেখার নস্টালজিয়ায়।

গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
১৪ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
১৬ দিন আগে
প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত আলাপ পরিবেশন করেন। পরে ঝাপতাল ও তিন তালে নিবদ্ধ গৎ পরিবেশন করেন। এরপর তিনি পরিবেশন করেন রাগ হংসধ্বনি। পর্যায়ক্রমে রাগ জয়-জয়ন্তীসহ আরও কয়েকটি রাগ সংক্ষিপ্তভাবে বাঁশিতে তুলে ধরেন প্রখ্যাত এই শিল্পী।
২১ দিন আগে