
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শ্রাবণ সন্ধ্যায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত বংশীবাদক ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের অপূর্ব বাঁশির সুরে মুগ্ধ হয়েছেন সংগীতপ্রেমী শ্রোতারা। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আয়োজনে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘একক বাঁশি সন্ধ্যা’।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। এরপর ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ। সাংস্কৃতিক উপকমিটির আহ্বায়ক কাজী রওনাক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয় সন্ধ্যা ৭টায়।
এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রাণা, সদস্য কাদের গনি চৌধুরী, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এ কে এম মহসীন, শাহনাজ বেগম পলি ও মোহাম্মদ মোমিন হোসেন। এ ছাড়া ক্লাবের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং সংগীতপিয়াসী শ্রোতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাঁশিতে রাগ শ্যাম কল্যাণ পরিবেশন করেন ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম। প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত আলাপ পরিবেশন করেন। পরে ঝাপতাল ও তিন তালে নিবদ্ধ গৎ পরিবেশন করেন। এরপর তিনি পরিবেশন করেন রাগ হংসধ্বনি। পর্যায়ক্রমে রাগ জয়-জয়ন্তীসহ আরও কয়েকটি রাগ সংক্ষিপ্তভাবে বাঁশিতে তুলে ধরেন প্রখ্যাত এই শিল্পী।
সবশেষে মিশ্র পিলু ও মিশ্র খাম্বাজের ধুন পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মনোমুগ্ধকর এই বাঁশি সন্ধ্যা। অনুষ্ঠান শেষে ফিরে যাওয়ার সময়ও শ্রোতাদের কানে অনুরণিত হচ্ছিল বাঁশির অপূর্ব সুর ও মূর্ছনা। এমন একটি আয়োজনের জন্য জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান উপস্থিত শ্রোতারা।
অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ওস্তাদ আজিজুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

শ্রাবণ সন্ধ্যায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত বংশীবাদক ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের অপূর্ব বাঁশির সুরে মুগ্ধ হয়েছেন সংগীতপ্রেমী শ্রোতারা। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আয়োজনে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘একক বাঁশি সন্ধ্যা’।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। এরপর ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ। সাংস্কৃতিক উপকমিটির আহ্বায়ক কাজী রওনাক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয় সন্ধ্যা ৭টায়।
এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রাণা, সদস্য কাদের গনি চৌধুরী, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এ কে এম মহসীন, শাহনাজ বেগম পলি ও মোহাম্মদ মোমিন হোসেন। এ ছাড়া ক্লাবের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং সংগীতপিয়াসী শ্রোতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাঁশিতে রাগ শ্যাম কল্যাণ পরিবেশন করেন ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম। প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত আলাপ পরিবেশন করেন। পরে ঝাপতাল ও তিন তালে নিবদ্ধ গৎ পরিবেশন করেন। এরপর তিনি পরিবেশন করেন রাগ হংসধ্বনি। পর্যায়ক্রমে রাগ জয়-জয়ন্তীসহ আরও কয়েকটি রাগ সংক্ষিপ্তভাবে বাঁশিতে তুলে ধরেন প্রখ্যাত এই শিল্পী।
সবশেষে মিশ্র পিলু ও মিশ্র খাম্বাজের ধুন পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মনোমুগ্ধকর এই বাঁশি সন্ধ্যা। অনুষ্ঠান শেষে ফিরে যাওয়ার সময়ও শ্রোতাদের কানে অনুরণিত হচ্ছিল বাঁশির অপূর্ব সুর ও মূর্ছনা। এমন একটি আয়োজনের জন্য জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান উপস্থিত শ্রোতারা।
অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ওস্তাদ আজিজুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

পাখির ছানারা যেমন একদিন বাসা ছেড়ে আকাশে উড়ে যায়, সন্তানেরাও তেমনি একদিন নিজের পৃথিবী গড়তে বেরিয়ে পড়ে। বাবা-মা শুধু বাসাটা আগলে রাখেন, যতদিন দরকার। তারপর একদিন বারান্দা খালি হয়ে যায়। থেকে যায় কয়েকটি শুকনো খড়কুটো, কিছু পালক, কিছু নীরবতা আর ভোরবেলার সেই বিষণ্ন অথচ মধুর ঘুঘুর ডাক।
১৬ দিন আগে
ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর আতিথ্যে কাটানো দুই মাসের স্মৃতি, অনুভূতি, নীরবতা ও অন্তর্জগতের আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ম্যাড থেটারের দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় বিজয়া’। শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে নাটকটির একাদশ প্রদর্শনী অনু
১৮ দিন আগে
১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই লেফট ফুট’ ছবিতে ক্রিস ব্রাউনের মায়ের (ব্রিজেট ফ্যাগন ব্রাউন) মর্মস্পর্শী চরিত্রে অভিনয় করে তিনি একাডেমি পুরস্কারে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর অস্কার জিতে নেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য তৎকালীন আইরিশ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক যুগান্তকারী মোড় এনে দিয়েছিল, যা দেশটির পরবর্তী সিনেমা
২৩ দিন আগে
আনিকা মেরাজ শুধু সৌন্দর্যেই নয়, মেধার দিক থেকেও অনন্য। তিনি ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) এবং অর্থনীতিতে সফলতার সাথে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি অডিটিং এবং অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করছেন। পেশাদার ক্যারিয়ারে একজন রাষ্ট্রীয় অনুমোদিত পাবলিক অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়ার স্ব
২৪ দিন আগে