
বিনোদন ডেস্ক

প্রবাস জীবন বেছে নেওয়া একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির আর নেই। কিংবদন্তি ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরে কলকাতায় অভিনয় শুরু করা জয়শ্রী ‘সূর্যকন্যা’ সিনেমা দিয়ে পা রেখেছিলেন বাংলাদেশে, থিতুও হয়েছিলেন। পরে লন্ডনে প্রবাস জীবন বেছে নিয়ে ৭৩ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া কাটালেন নীরবেই।
জয়শ্রী কবিরের ভাগনে জাভেদ মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সূর্যকন্যা’খ্যাত এই নায়িকা গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।
জয়শ্রীর জন্ম কলকাতায়, ১৯৫২ সালে। ১৯৬৮ সালে ‘মিস ক্যালকাটা’ খেতাব লাভ করেন তিনি। বড় পর্দায় তার অভিষেক সত্যজিৎ রায়ের সাড়া জাগানো ‘কলকাতা ট্রিলজি’র প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’র মাধ্যমে। উত্তমকুমারের সঙ্গে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘অসাধারণ’ মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে।
‘সূর্যকন্যা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বাংলাদেশে এসেছিলেন জয়শ্রী। পরে পরিচালক আলমগীর কবিরকে বিয়ে করে এ দেশে থেকে যান। সত্তর দশকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় এক যুগ অভিনয় চালিয়ে যান তিনি। অভিনয়ের নিপুণতার পাশাপাশি জনপ্রিয়তাতেও শীর্ষে ছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও তিনি অভিনয় করেছেন বেছে বেছে হাতেগোনা অল্প কিছু চলচ্চিত্রে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা বুলবুল আহমেদের সঙ্গে জুটি গড়ে বেশ কিছু সিনেমায় কাজ করেন জয়শ্রী। এই জুটির প্রথম সিনেমা ছিল ‘সূর্যকন্যা’। এরপর একে একে ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘মোহনা’, ‘পুরস্কার’, ‘রুপালি সৈকতে’র মতো দর্শকপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে তারা একসঙ্গে অভিনয় করে।
বুলবুল-জয়শ্রী জুটিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা জুটি মনে করা হয়। তাদের অভিনীত ‘রুপালি সৈকতে’ ও ‘সীমানা পেরিয়ে’ ২০০৭ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের করা বাংলাদেশের সেরা ১০ চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
আলমগীর কবিরের সঙ্গে জয়শ্রীর দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৮৯ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে জয়শ্রী কলকাতায় চলে যান। পরে একমাত্র সন্তান লেনিন সৌরভ কবিরকে নিয়ে চলে যান লন্ডনে। সেখানে এক যুগেরও বেশি সময় সিটি কলেজে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন তিনি।
লন্ডনে পাড়ি জমানোর পর থেকেই বলা চলে নিভৃতে দিন কেটেছে জয়শ্রীর। একসময় রুপালি পর্দা কাঁপানো এই নায়িকা গণমাধ্যমে উপস্থিতি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলেছেন। তার বিদায়টাও হলো নিভৃতেই।

প্রবাস জীবন বেছে নেওয়া একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির আর নেই। কিংবদন্তি ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরে কলকাতায় অভিনয় শুরু করা জয়শ্রী ‘সূর্যকন্যা’ সিনেমা দিয়ে পা রেখেছিলেন বাংলাদেশে, থিতুও হয়েছিলেন। পরে লন্ডনে প্রবাস জীবন বেছে নিয়ে ৭৩ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া কাটালেন নীরবেই।
জয়শ্রী কবিরের ভাগনে জাভেদ মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সূর্যকন্যা’খ্যাত এই নায়িকা গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।
জয়শ্রীর জন্ম কলকাতায়, ১৯৫২ সালে। ১৯৬৮ সালে ‘মিস ক্যালকাটা’ খেতাব লাভ করেন তিনি। বড় পর্দায় তার অভিষেক সত্যজিৎ রায়ের সাড়া জাগানো ‘কলকাতা ট্রিলজি’র প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’র মাধ্যমে। উত্তমকুমারের সঙ্গে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘অসাধারণ’ মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে।
‘সূর্যকন্যা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বাংলাদেশে এসেছিলেন জয়শ্রী। পরে পরিচালক আলমগীর কবিরকে বিয়ে করে এ দেশে থেকে যান। সত্তর দশকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় এক যুগ অভিনয় চালিয়ে যান তিনি। অভিনয়ের নিপুণতার পাশাপাশি জনপ্রিয়তাতেও শীর্ষে ছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও তিনি অভিনয় করেছেন বেছে বেছে হাতেগোনা অল্প কিছু চলচ্চিত্রে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা বুলবুল আহমেদের সঙ্গে জুটি গড়ে বেশ কিছু সিনেমায় কাজ করেন জয়শ্রী। এই জুটির প্রথম সিনেমা ছিল ‘সূর্যকন্যা’। এরপর একে একে ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘মোহনা’, ‘পুরস্কার’, ‘রুপালি সৈকতে’র মতো দর্শকপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে তারা একসঙ্গে অভিনয় করে।
বুলবুল-জয়শ্রী জুটিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা জুটি মনে করা হয়। তাদের অভিনীত ‘রুপালি সৈকতে’ ও ‘সীমানা পেরিয়ে’ ২০০৭ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের করা বাংলাদেশের সেরা ১০ চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
আলমগীর কবিরের সঙ্গে জয়শ্রীর দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৮৯ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে জয়শ্রী কলকাতায় চলে যান। পরে একমাত্র সন্তান লেনিন সৌরভ কবিরকে নিয়ে চলে যান লন্ডনে। সেখানে এক যুগেরও বেশি সময় সিটি কলেজে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন তিনি।
লন্ডনে পাড়ি জমানোর পর থেকেই বলা চলে নিভৃতে দিন কেটেছে জয়শ্রীর। একসময় রুপালি পর্দা কাঁপানো এই নায়িকা গণমাধ্যমে উপস্থিতি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলেছেন। তার বিদায়টাও হলো নিভৃতেই।

গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
১৪ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
১৬ দিন আগে
প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত আলাপ পরিবেশন করেন। পরে ঝাপতাল ও তিন তালে নিবদ্ধ গৎ পরিবেশন করেন। এরপর তিনি পরিবেশন করেন রাগ হংসধ্বনি। পর্যায়ক্রমে রাগ জয়-জয়ন্তীসহ আরও কয়েকটি রাগ সংক্ষিপ্তভাবে বাঁশিতে তুলে ধরেন প্রখ্যাত এই শিল্পী।
২১ দিন আগে