
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের বঞ্চনা, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি ‘নকশীকাঁথার জমিন’ চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ প্রদর্শনী গতকাল সোমবার বসুন্ধরা সিটির শপিং মলের স্টার সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নারীদের সংগ্রাম ও অনুপ্রেরণার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী, শিক্ষার্থী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, গৃহকর্মী, গৃহবধূ, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, প্রশাসক, লেখক এবং নারী এক্টিভিস্ট।
বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আকরাম খানের নির্মিত ‘নকশীকাঁথার জমিন’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রান্তিক নারীদের বয়ানকে তুলে ধরেছে। গল্পে দেখা যায়, বাংলার এক গ্রামীণ কৃষক পরিবারের দুই বোন রাহেলা ও সালেহার জীবনযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে তাদের পরিবারের মধ্যকার দ্বন্দ্ব।
চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান (রাহেলা), ফারিয়া সামস সেউতি (সালেহা), ইরেশ যাকের (জবর), রওনক হাসান (সবর), সৌম্য জ্যোতি (রাহেলিল্লাহ), এবং দিব্য জ্যোতি (সাহেব আলী)। আকরাম খান পরিচালিত অন্যান্য আলোচিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে "ঘাসফুল" (২০১৫) এবং "খাঁচা" (২০১৭)।
প্রদর্শনীর শেষে দর্শকদের উচ্ছ্বাস এবং প্রশংসা আয়োজকদের ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। ‘নকশীকাঁথার জমিন’-এর দল উল্লেখ করেছে যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উপেক্ষিত প্রান্তিক নারীদের গল্প বলার মাধ্যমে এই চলচ্চিত্রটি নারীদের চলমান সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছে।
প্রযোজক আকরাম খান জানান, নারীদের সম্মান জানাতে এবং তাদের আরও অনুপ্রাণিত করতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই বিশেষ প্রদর্শনী দেশের নারীদের সংগ্রামী চেতনা ও সাম্যবাদের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধার্ঘ্য।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের বঞ্চনা, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি ‘নকশীকাঁথার জমিন’ চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ প্রদর্শনী গতকাল সোমবার বসুন্ধরা সিটির শপিং মলের স্টার সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নারীদের সংগ্রাম ও অনুপ্রেরণার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী, শিক্ষার্থী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, গৃহকর্মী, গৃহবধূ, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, প্রশাসক, লেখক এবং নারী এক্টিভিস্ট।
বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আকরাম খানের নির্মিত ‘নকশীকাঁথার জমিন’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রান্তিক নারীদের বয়ানকে তুলে ধরেছে। গল্পে দেখা যায়, বাংলার এক গ্রামীণ কৃষক পরিবারের দুই বোন রাহেলা ও সালেহার জীবনযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে তাদের পরিবারের মধ্যকার দ্বন্দ্ব।
চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান (রাহেলা), ফারিয়া সামস সেউতি (সালেহা), ইরেশ যাকের (জবর), রওনক হাসান (সবর), সৌম্য জ্যোতি (রাহেলিল্লাহ), এবং দিব্য জ্যোতি (সাহেব আলী)। আকরাম খান পরিচালিত অন্যান্য আলোচিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে "ঘাসফুল" (২০১৫) এবং "খাঁচা" (২০১৭)।
প্রদর্শনীর শেষে দর্শকদের উচ্ছ্বাস এবং প্রশংসা আয়োজকদের ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। ‘নকশীকাঁথার জমিন’-এর দল উল্লেখ করেছে যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উপেক্ষিত প্রান্তিক নারীদের গল্প বলার মাধ্যমে এই চলচ্চিত্রটি নারীদের চলমান সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছে।
প্রযোজক আকরাম খান জানান, নারীদের সম্মান জানাতে এবং তাদের আরও অনুপ্রাণিত করতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই বিশেষ প্রদর্শনী দেশের নারীদের সংগ্রামী চেতনা ও সাম্যবাদের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধার্ঘ্য।

বাড়ির উঠোনের এক পাশে খড়ের পালা, অন্য পাশে পুঁথি পাঠের আয়োজন। ভ্যাপসা গরমেও মানুষের আগ্রহে কমতি নেই। আয়োজকরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। মাথার ওপরে পূর্ণিমার চাঁদ, আর উঠোনে কুপি ও হারিকেনের আলো— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল অন্যরকম এক আবহ।
২৮ আগস্ট ২০২৬
আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে বলেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারি
২৭ আগস্ট ২০২৬
এথিকের প্রথম প্রযোজনা ‘হাঁড়ি ফাটিবে’ নতুন আঙ্গিকে নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। নাটকটির শততম মঞ্চায়ন উপলক্ষ্যে মঞ্চ ও নেপথ্যে যুক্ত থাকা ১০০ জন কলাকুশলীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।
২০ আগস্ট ২০২৬
১৯৪৯ সালের এ দিনে সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস এবং মা মরহুম ফিরোজা খাতুন।
১৮ আগস্ট ২০২৬