
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা স্যাম নিল মারা গেছেন। ১৯৯৩ সালে স্টিভেন স্পিলবার্গের বিশ্বমাতানো ‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে সুপরিচিত হয়ে ওঠেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্যাম। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
স্যাম নিলের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরিবার জানিয়েছে, শেষ সময়ে স্যাম নিল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই ছিলেন এবং মর্যাদার সঙ্গে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।
অ্যাঞ্জিওইমিউনোব্লাস্টিক টি-সেল লিম্ফোমা নামের রক্তের বিরল এক ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন স্যাম নিল। দীর্ঘ দিন সিডনির সেন্ট ভিনসেন্টস প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পরিবার বলেছেন, আকস্মিকভাবে মারা গেলেও স্যাম নিল ক্যানসারমুক্ত অবস্থাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

স্যাম নিলের অভিনয় জীবনের ব্যাপ্তি পাঁচ দশকেরও বেশি। ১৯৭১ সালে ‘দ্য সিটি অব নো’ দিয়ে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু নিলের। প্রথম সিনেমা ‘ল্যান্ডফল’ মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালে। ১৯৭৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাই ব্রিলিয়ান্ট ক্যারিয়ার’ দিয়ে তিনি আলোচনায় উঠে আসেন। ১৯৮৩ সালে তার অভিনীত ‘রাইলি: এস অব স্পাইজ’ টিভি সিরিজ তাকে খ্যাতি এনে দেয়।
১৯৯৩ সাল ছিল স্যাম নিলের জন্য দারুণ একটি বছর। সে বছরই মুক্তি পায় ‘দ্য পিয়ানো’, যেখানে অন্যতম চরিত্রে ছিলেন স্যাম। এ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা পায়। ওই বছরই মুক্তি পায় স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ‘জুরাসিক পার্ক’। এ সিনেমার ড. অ্যালান গ্র্যান্ট চরিত্রটি বিশ্ব জুড়ে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পায়। জুরাসিক পার্ক সিরিজের শেষ সিনেমা ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: ডমিনিয়ন’ মুক্তি পায় ২০২২ সালে। এবারও ড. অ্যালানের চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তুলে দর্শকদের নস্টালজিক করে তোলেন তিনি।
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বড়পর্দার পাশাপাশি টেলিভিশন সিরিজগুলোতেও চুটিয়ে কাজ করেছেন স্যাম নিল।
অস্ট্রেলিয়া একাডেমি অব সিনেমা অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টসের বাৎসরিক অ্যাওয়ার্ডে প্রধান চরিত্রে অভিনয়নের জন্য পাঁচবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে জিতে নেন একই সংস্থার দেওয়া লংফোর্ড লেইল অ্যাওয়ার্ড। নিউজিল্যান্ড ফিল্ম অ্যান্ড টিভি অ্যাওয়ার্ড, নিউজিল্যান্ড স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড, লগি অ্যাওয়ার্ডসহ নানা পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। টিভি সিরিজের জন্য গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনবার।

জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা স্যাম নিল মারা গেছেন। ১৯৯৩ সালে স্টিভেন স্পিলবার্গের বিশ্বমাতানো ‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে সুপরিচিত হয়ে ওঠেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্যাম। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
স্যাম নিলের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরিবার জানিয়েছে, শেষ সময়ে স্যাম নিল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই ছিলেন এবং মর্যাদার সঙ্গে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।
অ্যাঞ্জিওইমিউনোব্লাস্টিক টি-সেল লিম্ফোমা নামের রক্তের বিরল এক ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন স্যাম নিল। দীর্ঘ দিন সিডনির সেন্ট ভিনসেন্টস প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পরিবার বলেছেন, আকস্মিকভাবে মারা গেলেও স্যাম নিল ক্যানসারমুক্ত অবস্থাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

স্যাম নিলের অভিনয় জীবনের ব্যাপ্তি পাঁচ দশকেরও বেশি। ১৯৭১ সালে ‘দ্য সিটি অব নো’ দিয়ে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু নিলের। প্রথম সিনেমা ‘ল্যান্ডফল’ মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালে। ১৯৭৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাই ব্রিলিয়ান্ট ক্যারিয়ার’ দিয়ে তিনি আলোচনায় উঠে আসেন। ১৯৮৩ সালে তার অভিনীত ‘রাইলি: এস অব স্পাইজ’ টিভি সিরিজ তাকে খ্যাতি এনে দেয়।
১৯৯৩ সাল ছিল স্যাম নিলের জন্য দারুণ একটি বছর। সে বছরই মুক্তি পায় ‘দ্য পিয়ানো’, যেখানে অন্যতম চরিত্রে ছিলেন স্যাম। এ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা পায়। ওই বছরই মুক্তি পায় স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ‘জুরাসিক পার্ক’। এ সিনেমার ড. অ্যালান গ্র্যান্ট চরিত্রটি বিশ্ব জুড়ে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পায়। জুরাসিক পার্ক সিরিজের শেষ সিনেমা ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: ডমিনিয়ন’ মুক্তি পায় ২০২২ সালে। এবারও ড. অ্যালানের চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তুলে দর্শকদের নস্টালজিক করে তোলেন তিনি।
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বড়পর্দার পাশাপাশি টেলিভিশন সিরিজগুলোতেও চুটিয়ে কাজ করেছেন স্যাম নিল।
অস্ট্রেলিয়া একাডেমি অব সিনেমা অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টসের বাৎসরিক অ্যাওয়ার্ডে প্রধান চরিত্রে অভিনয়নের জন্য পাঁচবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে জিতে নেন একই সংস্থার দেওয়া লংফোর্ড লেইল অ্যাওয়ার্ড। নিউজিল্যান্ড ফিল্ম অ্যান্ড টিভি অ্যাওয়ার্ড, নিউজিল্যান্ড স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড, লগি অ্যাওয়ার্ডসহ নানা পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। টিভি সিরিজের জন্য গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনবার।

১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই লেফট ফুট’ ছবিতে ক্রিস ব্রাউনের মায়ের (ব্রিজেট ফ্যাগন ব্রাউন) মর্মস্পর্শী চরিত্রে অভিনয় করে তিনি একাডেমি পুরস্কারে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর অস্কার জিতে নেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য তৎকালীন আইরিশ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক যুগান্তকারী মোড় এনে দিয়েছিল, যা দেশটির পরবর্তী সিনেমা
১৬ দিন আগে
আনিকা মেরাজ শুধু সৌন্দর্যেই নয়, মেধার দিক থেকেও অনন্য। তিনি ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) এবং অর্থনীতিতে সফলতার সাথে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি অডিটিং এবং অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করছেন। পেশাদার ক্যারিয়ারে একজন রাষ্ট্রীয় অনুমোদিত পাবলিক অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়ার স্ব
১৭ দিন আগে
মিসরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব মন্ত্রণালয় বলছে, নতুন এই আবিষ্কারগুলো শুধু স্থাপত্যের নিদর্শন নয়, বরং বাইজান্টাইন শাসনামলে মিসরের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, অর্থনীতি, ধর্মীয় চর্চা এবং নগর পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনবে।
০৫ জুলাই ২০২৬
মার্কিন পপ তারকা টেলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার নিউইয়র্কে জাঁকজমকপূর্ণ এক আয়োজনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বহুল আলোচিত এই বিয়েকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘রাজকীয় বিয়ে’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
০৫ জুলাই ২০২৬