
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের সিনেমার প্লেব্যাকে পুরুষ কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে তিনিই সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয়, সফলও। এ নিয়ে খুব বেশি তর্কের অবকাশ নেই। বয়সও এখনো ৪০-এর কোটায় পৌঁছেনি। এমন সাফল্যে টইটুম্বুর অবস্থাতেই প্লেব্যাক তথা সিনেমার গানকে ‘না’ করে দিলেন অরিজিৎ সিং। অর্থাৎ এখন থেকে আর সিনেমার জন্য গান গাইবেন না তিনি!
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে এমন ঘোষণাই দিয়েছেন অরিজিৎ। বলেছেন, প্লেব্যাকের ‘দীর্ঘ ও সফল’ যাত্রায় এখানেই সমাপ্তি টানছেন।
অরিজিৎ তার পোস্টে লিখেছেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে আর কোনো নতুন কাজ নেব না। এখানেই আমি প্লেব্যাক বন্ধ করে দিচ্ছি। গোটা যাত্রাটা ছিল অসাধারণ।’
পোস্টের শুরুতেই অবশ্য নিজের ভক্ত ও শ্রোতাদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অরিজিৎ। সঙ্গে এ-ও লিখেছেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে সবাই তাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
প্লেব্যাক তথা সিনেমার গান থেকে ‘অবসর’ নিলেও অরিজিৎ গানের জগৎ থেকে সরে যাবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি সরাসরি ঘোষণা না দিলেও এর আগে তাকে বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে দেখা গেছে।
এর মধ্যে অন্যতম ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান। তার সঙ্গে ‘স্যাফায়ার’ নামে একটি গান করেছেন তিনি। এ ছাড়া ডাচ ডিজে মার্টিন গ্যারিক্সের সঙ্গে কাজ করেছেন অরিজিৎ। ভারতের জনপ্রিয় র্যাপার বাদশার সঙ্গেও কাজ করেছেন।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি নিজের মিউজিক লেবেল ‘ওরিয়ন’ (Oriyon Music) শুরু করেছেন অরিজিৎ, যেখান থেকে একের পর এক ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিউজিক’ উপহার দিচ্ছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্ল্যাটফর্মকেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে মনোযোগী হতেই প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।
২০০৫ সালে ১৮ বছর বয়সে ‘ফেম গুরুকুল’ রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিন অরিজিৎ। তবে সেরা পাঁচে জায়গা হয়নি তার। প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েন ষষ্ঠ হয়ে। তবে সংগীত নিয়ে তার লড়াই শুরু এরপরই। ছোটখাটো কাজ করতে করতেই তিনি সংগীত পরিচালক প্রীতমের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন, সেটি মূলত মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে। সুরের কারিগরি খুঁটিনাটি শেখার সেই সময়টাই আজ তাকে অন্য গায়কদের থেকে আলাদা করে তোলে।
২০০৭ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘সাওয়ারিয়া’ ছবির জন্য ‘ইউ শবনামি’ গানটি রেকর্ড করলেও সেটি সিনেমায় ব্যবহার করা হয়নি। পরে ২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’-এর ‘ফির মহব্বত’ গান দিয়ে সিনেমায় প্লেব্যাক অভিষেক ঘটে অরিজিতের।
২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গান সব হিসাব বদলে দেয়। অরিজিৎকে এই গান রাতারাতি তারকা বানি দেয়, পৌঁছে যান খ্যাতির শীর্ষে। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি নিজেকে বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠে পরিণত করেন।
শুধু হিন্দি গান নয়, বাংলা সিনেমার গানেও নিজেকে মেলে ধরেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ‘ঘরের ছেলে’ অরিজিৎ। মানবজমিন, লহ গৌরাঙ্গের নাম ছবিগুলোর গান তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড থেকে শুরু করে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন। কনসার্টের জন্য ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া গায়কদের একজনও তিনি।
অবসরের ঘোষণার পর টাইমস অব ইন্ডিয়া তার গাওয়া জনপ্রিয়তম গানগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ‘ইয়ে দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘ফির লে আয়া দিল’, ‘তুম হি হো’, ‘চান্না মেরেয়া’, ‘কেসারিয়া’, ‘লাল ইশ্ক’, ‘সাতরাঙ্গা’, ‘দেশ মেরে’, ‘বিনতে দিল’, ‘ন্যায়না’, ‘কলঙ্ক’, ‘প্যায়ার ঝুটা’।
অরিজিৎ সিংয়ের আচমকা এ অবসরের ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে। ভারত ছাপিয়ে বাংলাদেশেও তার ভক্তরা স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বেদনার কথা জানিয়েছেন। তার না থাকা বলিউডের প্লেব্যাকের বড় শূন্যতা বলে মনে করছেন তারা। তবে অরিজিৎ ব্যক্তিগতভাবে সংগীতচর্চা অব্যাহত রেখে শ্রোতাদের মন মাতিয়ে যাবেন বলেও আশাবাদ তাদের।

বলিউডের সিনেমার প্লেব্যাকে পুরুষ কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে তিনিই সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয়, সফলও। এ নিয়ে খুব বেশি তর্কের অবকাশ নেই। বয়সও এখনো ৪০-এর কোটায় পৌঁছেনি। এমন সাফল্যে টইটুম্বুর অবস্থাতেই প্লেব্যাক তথা সিনেমার গানকে ‘না’ করে দিলেন অরিজিৎ সিং। অর্থাৎ এখন থেকে আর সিনেমার জন্য গান গাইবেন না তিনি!
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে এমন ঘোষণাই দিয়েছেন অরিজিৎ। বলেছেন, প্লেব্যাকের ‘দীর্ঘ ও সফল’ যাত্রায় এখানেই সমাপ্তি টানছেন।
অরিজিৎ তার পোস্টে লিখেছেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে আর কোনো নতুন কাজ নেব না। এখানেই আমি প্লেব্যাক বন্ধ করে দিচ্ছি। গোটা যাত্রাটা ছিল অসাধারণ।’
পোস্টের শুরুতেই অবশ্য নিজের ভক্ত ও শ্রোতাদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অরিজিৎ। সঙ্গে এ-ও লিখেছেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে সবাই তাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
প্লেব্যাক তথা সিনেমার গান থেকে ‘অবসর’ নিলেও অরিজিৎ গানের জগৎ থেকে সরে যাবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি সরাসরি ঘোষণা না দিলেও এর আগে তাকে বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে দেখা গেছে।
এর মধ্যে অন্যতম ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান। তার সঙ্গে ‘স্যাফায়ার’ নামে একটি গান করেছেন তিনি। এ ছাড়া ডাচ ডিজে মার্টিন গ্যারিক্সের সঙ্গে কাজ করেছেন অরিজিৎ। ভারতের জনপ্রিয় র্যাপার বাদশার সঙ্গেও কাজ করেছেন।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি নিজের মিউজিক লেবেল ‘ওরিয়ন’ (Oriyon Music) শুরু করেছেন অরিজিৎ, যেখান থেকে একের পর এক ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিউজিক’ উপহার দিচ্ছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্ল্যাটফর্মকেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে মনোযোগী হতেই প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।
২০০৫ সালে ১৮ বছর বয়সে ‘ফেম গুরুকুল’ রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিন অরিজিৎ। তবে সেরা পাঁচে জায়গা হয়নি তার। প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েন ষষ্ঠ হয়ে। তবে সংগীত নিয়ে তার লড়াই শুরু এরপরই। ছোটখাটো কাজ করতে করতেই তিনি সংগীত পরিচালক প্রীতমের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন, সেটি মূলত মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে। সুরের কারিগরি খুঁটিনাটি শেখার সেই সময়টাই আজ তাকে অন্য গায়কদের থেকে আলাদা করে তোলে।
২০০৭ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘সাওয়ারিয়া’ ছবির জন্য ‘ইউ শবনামি’ গানটি রেকর্ড করলেও সেটি সিনেমায় ব্যবহার করা হয়নি। পরে ২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’-এর ‘ফির মহব্বত’ গান দিয়ে সিনেমায় প্লেব্যাক অভিষেক ঘটে অরিজিতের।
২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গান সব হিসাব বদলে দেয়। অরিজিৎকে এই গান রাতারাতি তারকা বানি দেয়, পৌঁছে যান খ্যাতির শীর্ষে। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি নিজেকে বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠে পরিণত করেন।
শুধু হিন্দি গান নয়, বাংলা সিনেমার গানেও নিজেকে মেলে ধরেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ‘ঘরের ছেলে’ অরিজিৎ। মানবজমিন, লহ গৌরাঙ্গের নাম ছবিগুলোর গান তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড থেকে শুরু করে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন। কনসার্টের জন্য ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া গায়কদের একজনও তিনি।
অবসরের ঘোষণার পর টাইমস অব ইন্ডিয়া তার গাওয়া জনপ্রিয়তম গানগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ‘ইয়ে দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘ফির লে আয়া দিল’, ‘তুম হি হো’, ‘চান্না মেরেয়া’, ‘কেসারিয়া’, ‘লাল ইশ্ক’, ‘সাতরাঙ্গা’, ‘দেশ মেরে’, ‘বিনতে দিল’, ‘ন্যায়না’, ‘কলঙ্ক’, ‘প্যায়ার ঝুটা’।
অরিজিৎ সিংয়ের আচমকা এ অবসরের ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে। ভারত ছাপিয়ে বাংলাদেশেও তার ভক্তরা স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বেদনার কথা জানিয়েছেন। তার না থাকা বলিউডের প্লেব্যাকের বড় শূন্যতা বলে মনে করছেন তারা। তবে অরিজিৎ ব্যক্তিগতভাবে সংগীতচর্চা অব্যাহত রেখে শ্রোতাদের মন মাতিয়ে যাবেন বলেও আশাবাদ তাদের।

বাড়ির উঠোনের এক পাশে খড়ের পালা, অন্য পাশে পুঁথি পাঠের আয়োজন। ভ্যাপসা গরমেও মানুষের আগ্রহে কমতি নেই। আয়োজকরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। মাথার ওপরে পূর্ণিমার চাঁদ, আর উঠোনে কুপি ও হারিকেনের আলো— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল অন্যরকম এক আবহ।
১৮ দিন আগে
আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে বলেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারি
১৯ দিন আগে
এথিকের প্রথম প্রযোজনা ‘হাঁড়ি ফাটিবে’ নতুন আঙ্গিকে নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। নাটকটির শততম মঞ্চায়ন উপলক্ষ্যে মঞ্চ ও নেপথ্যে যুক্ত থাকা ১০০ জন কলাকুশলীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।
২০ আগস্ট ২০২৬
১৯৪৯ সালের এ দিনে সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস এবং মা মরহুম ফিরোজা খাতুন।
১৮ আগস্ট ২০২৬