
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মারা গেছেন 'গজনি' খ্যাত জনপ্রিয় খল অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তাকে ভিওয়ান্ডির একটি ক্যান্সার বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হিন্দি, তামিল, তেলুগু, কন্নড় ও মালয়ালম চলচ্চিত্রের এই পরিচিত মুখ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়জগতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৮৫ সালে 'মেরি জং' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে। তবে ১৯৮৮ সালে বি. আর. চোপড়ার কালজয়ী টেলিভিশন ধারাবাহিক 'মহাভারত'-এ দ্রোণাচার্যের পুত্র অশ্বত্থামার চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি পান।
পরবর্তীতে ২০০১ সালে আমির খানের সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের ছবি 'লগান'-এ কাজ করেন তিনি। ২০০৪ সালে এস. এস. রাজামৌলির 'সিয়ে' ছবির মাধ্যমে তেলুগু চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে, যা তাঁর অভিনয়জীবনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল।
তবে প্রদীপ রাওয়াতকে নতুন করে তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় ২০০৫ সালের সুপারহিট তামিল চলচ্চিত্র 'গজনি'। সেখানে প্রধান খলনায়কের চরিত্রে তাঁর অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে, ২০০৮ সালে আমির খান অভিনীত 'গজনি'-র হিন্দি রিমেকেও একই চরিত্রে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি 'সরফরোশ', 'দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব আ স্পাই', 'স্টালিন', 'বীরম', '১: নেনোক্কাডিনে', 'লৌক্যম', 'নেনু সাইলাজা', 'সররাইনোডু', 'নেনে রাজু নেনে মন্ত্রী', 'আয়িরাথিল ইরুভার', 'মার্কেট রাজা এমবিবিএস' এবং 'মিস ম্যাচ'-এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মারা গেছেন 'গজনি' খ্যাত জনপ্রিয় খল অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তাকে ভিওয়ান্ডির একটি ক্যান্সার বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হিন্দি, তামিল, তেলুগু, কন্নড় ও মালয়ালম চলচ্চিত্রের এই পরিচিত মুখ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়জগতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৮৫ সালে 'মেরি জং' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে। তবে ১৯৮৮ সালে বি. আর. চোপড়ার কালজয়ী টেলিভিশন ধারাবাহিক 'মহাভারত'-এ দ্রোণাচার্যের পুত্র অশ্বত্থামার চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি পান।
পরবর্তীতে ২০০১ সালে আমির খানের সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের ছবি 'লগান'-এ কাজ করেন তিনি। ২০০৪ সালে এস. এস. রাজামৌলির 'সিয়ে' ছবির মাধ্যমে তেলুগু চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে, যা তাঁর অভিনয়জীবনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল।
তবে প্রদীপ রাওয়াতকে নতুন করে তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় ২০০৫ সালের সুপারহিট তামিল চলচ্চিত্র 'গজনি'। সেখানে প্রধান খলনায়কের চরিত্রে তাঁর অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে, ২০০৮ সালে আমির খান অভিনীত 'গজনি'-র হিন্দি রিমেকেও একই চরিত্রে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি 'সরফরোশ', 'দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব আ স্পাই', 'স্টালিন', 'বীরম', '১: নেনোক্কাডিনে', 'লৌক্যম', 'নেনু সাইলাজা', 'সররাইনোডু', 'নেনে রাজু নেনে মন্ত্রী', 'আয়িরাথিল ইরুভার', 'মার্কেট রাজা এমবিবিএস' এবং 'মিস ম্যাচ'-এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
১৭ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
১৯ দিন আগে
প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত আলাপ পরিবেশন করেন। পরে ঝাপতাল ও তিন তালে নিবদ্ধ গৎ পরিবেশন করেন। এরপর তিনি পরিবেশন করেন রাগ হংসধ্বনি। পর্যায়ক্রমে রাগ জয়-জয়ন্তীসহ আরও কয়েকটি রাগ সংক্ষিপ্তভাবে বাঁশিতে তুলে ধরেন প্রখ্যাত এই শিল্পী।
২৫ দিন আগে
হঠাৎ করে লিপস্টিক নিয়ে পড়ার কারণ হলো— প্রতি বছরের ২৯ জুলাই দিনটিকে বিশ্ব জুড়ে পালন করা হয় ‘আন্তর্জাতিক লিপস্টিক দিবস’ হিসেবে। না, এ দিবসে নেই কোনো সরকারি ছুটি। তবে বিশ্বব্যাপী সৌন্দর্যপ্রেমী, মেকআপ শিল্পী আর কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রির কাছে দিনটির অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
২৯ জুলাই ২০২৬