
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগুন যেন মানুষের জীবনের সবচেয়ে নির্মম এক শত্রু। মুহূর্তেই সব কিছু গলিয়ে দিতে পারে তার তাপে। কিন্তু আগুনে পোড়া মানুষদের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়টা শুরু হয় আগুন নিভে যাওয়ার পর, যখন পোড়া শরীর নিয়ে শুরু হয় বাঁচার লড়াই। আগুনে পোড়া মানে শুধু চামড়ার ক্ষতি নয়, বরং ভেতরের কোষ, রক্তনালী, এমনকি ফুসফুস পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে। তাই এই ধরনের রোগিদের চিকিৎসা জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।
আগুনে পোড়া রোগিদের বাঁচাতে হলে প্রথমেই দরকার দ্রুত সাড়া দেওয়া। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের চোখে যেটিকে বলে ‘টাইম টু ট্রিটমেন্ট’, অর্থাৎ যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু হবে, তত বেশি বাঁচার সম্ভাবনা। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল বার্ন ফাউন্ডেশন’ (National Burn Foundation) বলছে, প্রথম এক ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যাকে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। এই সময়ে যদি রোগিকে প্রাথমিক সঠিক চিকিৎসা দেওয়া যায়, যেমন জ্বালাপোড়া কমানোর ব্যবস্থা, সংক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা এবং পর্যাপ্ত তরল সরবরাহ, তাহলে রোগির জীবন রক্ষা করা অনেক সহজ হয়।
তবে শুধু সময় মতো চিকিৎসাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট, যেখানে পোড়া রোগিদের জন্য আলাদা শয্যা, জীবাণুমুক্ত পরিবেশ, অভিজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জন ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের উপস্থিতি থাকে। বাংলাদেশে এখনো এমন ইউনিট হাতেগোনা কয়েকটিতে সীমিত। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোতে এ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা ও উন্নয়ন হয়েছে। আমেরিকার হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের বার্ন বিশেষজ্ঞ ড. এলেনা কারস্টেন (Dr. Elena Karsten) বলেন, “আগুনে পোড়া রোগিকে শুধু চিকিৎসা দিলেই হবে না, তাকে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তাও দিতে হবে, কারণ পোড়ার সঙ্গে আসে মানসিক ধ্বংস। আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, পুড়ে যাওয়া রোগিদের ৭৫% পরবর্তীতে অবসাদে ভোগেন।” তাঁর মতে, চিকিৎসার অংশ হিসেবে কাউন্সেলিং চালু করা জরুরি।
আগুনে পোড়ার ক্ষেত্রে আরেকটি বড় বিপদ হলো ইনফেকশন। পোড়া অংশে ত্বকের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ভেঙে যায়, ফলে অতি সহজেই সেখানে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক আক্রমণ করতে পারে। এই কারণে রোগিকে চিকিৎসার সময় সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে রাখতে হয়, কখনও কখনও আলাদা কেবিনে। কানাডার ‘বার্ন ইনজুরি সোসাইটি’র (Burn Injury Society of Canada) গবেষক ড. লুকাস গ্রিন (Dr. Lucas Green) বলেন, “আমরা দেখেছি, বার্ন রোগিদের ৪৫% মৃত্যুর পেছনে মূল কারণ ইনফেকশন। আধুনিক অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও এই ইনফেকশন পুরোপুরি ঠেকানো কঠিন, যদি না পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি কঠোরভাবে মানা হয়।”
শুধু চিকিৎসা নয়, পোড়া অংশে ত্বক আবার গজানো বা প্রতিস্থাপন করাও বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় স্কিন গ্রাফটিং বা ‘ত্বক প্রতিস্থাপন’। রোগির নিজের শরীরের অন্য অংশ থেকে ত্বক কেটে এনে পোড়া জায়গায় লাগানো হয়। কিন্তু যদি শরীরের অনেক বড় অংশ পুড়ে যায়, তখন আর নিজের ত্বক যথেষ্ট থাকে না। তখন প্রয়োজন পড়ে কৃত্রিম ত্বক বা অন্য ব্যক্তির দান করা ত্বক। ইউরোপে কয়েকটি বিশেষায়িত স্কিন ব্যাংক আছে, যেখানে মানুষ মৃত্যুর পর নিজের ত্বক দান করেন। ফ্রান্সের লিওঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ক্লেমেন্টিন মোরো (Dr. Clémentine Moreau) বলেন, “আমরা কৃত্রিমভাবে এমন এক ধরনের ত্বক তৈরি করেছি যা শুধু প্রতিস্থাপন নয়, পোড়া জায়গায় কোষ পুনরায় জন্মাতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তি এখন পরীক্ষামূলক হলেও আগামী দশ বছরে এটি চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।”
আবার অনেক সময় পোড়া রোগিকে কেবল বাঁচিয়ে রাখাই যথেষ্ট নয়, তাকে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে ফিরিয়ে আনাও জরুরি। পোড়া চিহ্ন, বিকৃত চেহারা, হাত-পা নাড়ার অক্ষমতা—সব কিছু মিলিয়ে রোগি অনেক সময় সমাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। তাই প্রয়োজন পুনর্বাসন ব্যবস্থা। কিছু দেশে যেমন জার্মানি বা সুইডেনে পোড়া রোগিদের জন্য আলাদা থেরাপি সেন্টার রয়েছে, যেখানে তাদের হাঁটা, কথা বলা, এমনকি চুল আঁচড়ানো শেখানো হয় নতুন করে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী ড. টম হ্যামফ্রে (Dr. Tom Humphrey) বলেন, “আমরা বহু রোগিকে দেখেছি যারা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। এক্ষেত্রে গ্রুপ থেরাপি এবং পারিবারিক পরামর্শ খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে।”
বাংলাদেশে এখনো এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তেমন গড়ে ওঠেনি। তবে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে কিছু ভালো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। অনেক চিকিৎসক চেষ্টার পাশাপাশি সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে, কারণ পোড়া রোগিরা যেন বোঝা নয়, বরং সাহসিকতার প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন।
আগুনে পোড়া মানে মৃত্যু নয়—এই ধারণা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে। উন্নত চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি, মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা এবং সামাজিক পুনর্বাসন—এই চারটি স্তম্ভ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে পোড়া মানুষদের জীবন আবার নতুন আলোয় ফিরতে পারে। জীবন কখনো আগুনে পোড়ে, কিন্তু সেখান থেকে ফিনিক্স পাখির মতো আবারও উড়ে ওঠা সম্ভব—যদি আমরা সত্যিই চাই।

আগুন যেন মানুষের জীবনের সবচেয়ে নির্মম এক শত্রু। মুহূর্তেই সব কিছু গলিয়ে দিতে পারে তার তাপে। কিন্তু আগুনে পোড়া মানুষদের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়টা শুরু হয় আগুন নিভে যাওয়ার পর, যখন পোড়া শরীর নিয়ে শুরু হয় বাঁচার লড়াই। আগুনে পোড়া মানে শুধু চামড়ার ক্ষতি নয়, বরং ভেতরের কোষ, রক্তনালী, এমনকি ফুসফুস পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে। তাই এই ধরনের রোগিদের চিকিৎসা জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।
আগুনে পোড়া রোগিদের বাঁচাতে হলে প্রথমেই দরকার দ্রুত সাড়া দেওয়া। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের চোখে যেটিকে বলে ‘টাইম টু ট্রিটমেন্ট’, অর্থাৎ যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু হবে, তত বেশি বাঁচার সম্ভাবনা। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল বার্ন ফাউন্ডেশন’ (National Burn Foundation) বলছে, প্রথম এক ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যাকে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। এই সময়ে যদি রোগিকে প্রাথমিক সঠিক চিকিৎসা দেওয়া যায়, যেমন জ্বালাপোড়া কমানোর ব্যবস্থা, সংক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা এবং পর্যাপ্ত তরল সরবরাহ, তাহলে রোগির জীবন রক্ষা করা অনেক সহজ হয়।
তবে শুধু সময় মতো চিকিৎসাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট, যেখানে পোড়া রোগিদের জন্য আলাদা শয্যা, জীবাণুমুক্ত পরিবেশ, অভিজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জন ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের উপস্থিতি থাকে। বাংলাদেশে এখনো এমন ইউনিট হাতেগোনা কয়েকটিতে সীমিত। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোতে এ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা ও উন্নয়ন হয়েছে। আমেরিকার হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের বার্ন বিশেষজ্ঞ ড. এলেনা কারস্টেন (Dr. Elena Karsten) বলেন, “আগুনে পোড়া রোগিকে শুধু চিকিৎসা দিলেই হবে না, তাকে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তাও দিতে হবে, কারণ পোড়ার সঙ্গে আসে মানসিক ধ্বংস। আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, পুড়ে যাওয়া রোগিদের ৭৫% পরবর্তীতে অবসাদে ভোগেন।” তাঁর মতে, চিকিৎসার অংশ হিসেবে কাউন্সেলিং চালু করা জরুরি।
আগুনে পোড়ার ক্ষেত্রে আরেকটি বড় বিপদ হলো ইনফেকশন। পোড়া অংশে ত্বকের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ভেঙে যায়, ফলে অতি সহজেই সেখানে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক আক্রমণ করতে পারে। এই কারণে রোগিকে চিকিৎসার সময় সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে রাখতে হয়, কখনও কখনও আলাদা কেবিনে। কানাডার ‘বার্ন ইনজুরি সোসাইটি’র (Burn Injury Society of Canada) গবেষক ড. লুকাস গ্রিন (Dr. Lucas Green) বলেন, “আমরা দেখেছি, বার্ন রোগিদের ৪৫% মৃত্যুর পেছনে মূল কারণ ইনফেকশন। আধুনিক অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও এই ইনফেকশন পুরোপুরি ঠেকানো কঠিন, যদি না পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি কঠোরভাবে মানা হয়।”
শুধু চিকিৎসা নয়, পোড়া অংশে ত্বক আবার গজানো বা প্রতিস্থাপন করাও বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় স্কিন গ্রাফটিং বা ‘ত্বক প্রতিস্থাপন’। রোগির নিজের শরীরের অন্য অংশ থেকে ত্বক কেটে এনে পোড়া জায়গায় লাগানো হয়। কিন্তু যদি শরীরের অনেক বড় অংশ পুড়ে যায়, তখন আর নিজের ত্বক যথেষ্ট থাকে না। তখন প্রয়োজন পড়ে কৃত্রিম ত্বক বা অন্য ব্যক্তির দান করা ত্বক। ইউরোপে কয়েকটি বিশেষায়িত স্কিন ব্যাংক আছে, যেখানে মানুষ মৃত্যুর পর নিজের ত্বক দান করেন। ফ্রান্সের লিওঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ক্লেমেন্টিন মোরো (Dr. Clémentine Moreau) বলেন, “আমরা কৃত্রিমভাবে এমন এক ধরনের ত্বক তৈরি করেছি যা শুধু প্রতিস্থাপন নয়, পোড়া জায়গায় কোষ পুনরায় জন্মাতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তি এখন পরীক্ষামূলক হলেও আগামী দশ বছরে এটি চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।”
আবার অনেক সময় পোড়া রোগিকে কেবল বাঁচিয়ে রাখাই যথেষ্ট নয়, তাকে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে ফিরিয়ে আনাও জরুরি। পোড়া চিহ্ন, বিকৃত চেহারা, হাত-পা নাড়ার অক্ষমতা—সব কিছু মিলিয়ে রোগি অনেক সময় সমাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। তাই প্রয়োজন পুনর্বাসন ব্যবস্থা। কিছু দেশে যেমন জার্মানি বা সুইডেনে পোড়া রোগিদের জন্য আলাদা থেরাপি সেন্টার রয়েছে, যেখানে তাদের হাঁটা, কথা বলা, এমনকি চুল আঁচড়ানো শেখানো হয় নতুন করে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী ড. টম হ্যামফ্রে (Dr. Tom Humphrey) বলেন, “আমরা বহু রোগিকে দেখেছি যারা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। এক্ষেত্রে গ্রুপ থেরাপি এবং পারিবারিক পরামর্শ খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে।”
বাংলাদেশে এখনো এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তেমন গড়ে ওঠেনি। তবে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে কিছু ভালো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। অনেক চিকিৎসক চেষ্টার পাশাপাশি সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে, কারণ পোড়া রোগিরা যেন বোঝা নয়, বরং সাহসিকতার প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন।
আগুনে পোড়া মানে মৃত্যু নয়—এই ধারণা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে। উন্নত চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি, মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা এবং সামাজিক পুনর্বাসন—এই চারটি স্তম্ভ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে পোড়া মানুষদের জীবন আবার নতুন আলোয় ফিরতে পারে। জীবন কখনো আগুনে পোড়ে, কিন্তু সেখান থেকে ফিনিক্স পাখির মতো আবারও উড়ে ওঠা সম্ভব—যদি আমরা সত্যিই চাই।

ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর আতিথ্যে কাটানো দুই মাসের স্মৃতি, অনুভূতি, নীরবতা ও অন্তর্জগতের আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ম্যাড থেটারের দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় বিজয়া’। শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে নাটকটির একাদশ প্রদর্শনী অনু
১৩ দিন আগে
১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই লেফট ফুট’ ছবিতে ক্রিস ব্রাউনের মায়ের (ব্রিজেট ফ্যাগন ব্রাউন) মর্মস্পর্শী চরিত্রে অভিনয় করে তিনি একাডেমি পুরস্কারে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর অস্কার জিতে নেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য তৎকালীন আইরিশ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক যুগান্তকারী মোড় এনে দিয়েছিল, যা দেশটির পরবর্তী সিনেমা
১৮ দিন আগে
আনিকা মেরাজ শুধু সৌন্দর্যেই নয়, মেধার দিক থেকেও অনন্য। তিনি ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) এবং অর্থনীতিতে সফলতার সাথে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি অডিটিং এবং অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করছেন। পেশাদার ক্যারিয়ারে একজন রাষ্ট্রীয় অনুমোদিত পাবলিক অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়ার স্ব
১৯ দিন আগে
১৯৯৩ সাল ছিল স্যাম নিলের জন্য দারুণ একটি বছর। সে বছরই মুক্তি পায় ‘দ্য পিয়ানো’, যেখানে অন্যতম চরিত্রে ছিলেন স্যাম। এ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা পায়। ওই বছরই মুক্তি পায় স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ‘জুরাসিক পার্ক’। এ সিনেমার ড. অ্যালান গ্র্যান্ট চরিত্রটি বিশ্ব জুড়ে ব্যা
২৩ দিন আগে