
যশোর অফিস

বাংলা ক্যালেন্ডারের পৌষ মাসে শীতের আমেজে বেনাপোল ও শার্শা অঞ্চলে চলছে পিঠার উৎসব। দিনভর ব্যস্ত মানুষেরা সন্ধ্যা নামলেই ভিড় জমাচ্ছেন রাস্তার ধারে ছোট ছোট পিঠার দোকানে। ভাপা, চিতই, পাটিসাপটার মতো ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদ নিতে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে।
নবান্নের মৌসুমে নতুন চাল গোলায় উঠতেই শুরু হয় পিঠা তৈরির আয়োজন। গ্রামাঞ্চলে এই ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত। কিন্তু এখন শহরের ব্যস্ত জীবনেও এর প্রভাব স্পষ্ট।
বেনাপোল ও শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি পিঠার দোকানগুলো সরগরম। ক্রেতারা কেউ দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে পিঠা খাচ্ছেন, কেউবা পরিবার-পরিজনের জন্য নিচ্ছেন।
পিঠার দোকানগুলোতে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটার পাশাপাশি চিতই পিঠার সঙ্গে শুটকি, কাঁচা মরিচ আর ধনিয়া পাতার মজাদার ভর্তাও পাওয়া যাচ্ছে। অনেক দোকানে আবার বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য পিঠার অর্ডার নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাজার ও পাড়া-মহল্লার দোকান থেকে শুরু করে বড় সুপারশপগুলোতেও চলছে পিঠা বানানোর প্রতিযোগিতা।
পিঠার প্রধান উপকরণ আতপ চালের গুঁড়া, গুড়, নারকেল, দুধ ও তেলের দাম বেড়ে গেছে।আতপ চালের গুঁড়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, যা গত বছরের তুলনায় ২০টাকা বেশি। খেজুরের গুড় ও পাটালি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৩০০ টাকায়।নারকেলের দাম বেড়ে একেকটি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকায়। তবুও পিঠার প্রতি মানুষের আগ্রহে ভাটা পড়েনি।
উপজেলার অনেক নারী পিঠা বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই পেশায় আছেন জহুরুন নেছা। রাজনীতি ডটকমকে তিনি জানান, একসময় একাই পিঠা বানাতেন, এখন তার সঙ্গে ছেলেসহ চারজন কর্মচারী কাজ করেন। শারমিন সুলতানার মতো স্বামী পরিত্যক্তা নারীরাও এই পেশায় সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন।
শীতের পিঠা শুধু খাবার নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ। ব্যস্ত কর্মজীবী মানুষরাও পিঠার দোকানে এসে সেই ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে ভোলেন না। সবুজ নামের এক কর্মজীবী জানান, গ্রামের পিঠার স্বাদ মিস করলেও শহরের এই দোকানগুলো তাকে কিছুটা তৃপ্তি দেয়।
তবে, রাস্তার পাশে তৈরি পিঠা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, খোলা জায়গায় তৈরি পিঠায় ধুলাবালু ও জীবাণুর ঝুঁকি থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শীতের এই সময়জুড়ে বেনাপোল ও শার্শার গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত পিঠা-পুলির যে উৎসব চলছে, তা চলবে আরও কয়েক মাস। পিঠা যেন কেবল খাবার নয়, এটি বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন।

বাংলা ক্যালেন্ডারের পৌষ মাসে শীতের আমেজে বেনাপোল ও শার্শা অঞ্চলে চলছে পিঠার উৎসব। দিনভর ব্যস্ত মানুষেরা সন্ধ্যা নামলেই ভিড় জমাচ্ছেন রাস্তার ধারে ছোট ছোট পিঠার দোকানে। ভাপা, চিতই, পাটিসাপটার মতো ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদ নিতে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে।
নবান্নের মৌসুমে নতুন চাল গোলায় উঠতেই শুরু হয় পিঠা তৈরির আয়োজন। গ্রামাঞ্চলে এই ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত। কিন্তু এখন শহরের ব্যস্ত জীবনেও এর প্রভাব স্পষ্ট।
বেনাপোল ও শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি পিঠার দোকানগুলো সরগরম। ক্রেতারা কেউ দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে পিঠা খাচ্ছেন, কেউবা পরিবার-পরিজনের জন্য নিচ্ছেন।
পিঠার দোকানগুলোতে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটার পাশাপাশি চিতই পিঠার সঙ্গে শুটকি, কাঁচা মরিচ আর ধনিয়া পাতার মজাদার ভর্তাও পাওয়া যাচ্ছে। অনেক দোকানে আবার বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য পিঠার অর্ডার নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাজার ও পাড়া-মহল্লার দোকান থেকে শুরু করে বড় সুপারশপগুলোতেও চলছে পিঠা বানানোর প্রতিযোগিতা।
পিঠার প্রধান উপকরণ আতপ চালের গুঁড়া, গুড়, নারকেল, দুধ ও তেলের দাম বেড়ে গেছে।আতপ চালের গুঁড়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, যা গত বছরের তুলনায় ২০টাকা বেশি। খেজুরের গুড় ও পাটালি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৩০০ টাকায়।নারকেলের দাম বেড়ে একেকটি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকায়। তবুও পিঠার প্রতি মানুষের আগ্রহে ভাটা পড়েনি।
উপজেলার অনেক নারী পিঠা বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই পেশায় আছেন জহুরুন নেছা। রাজনীতি ডটকমকে তিনি জানান, একসময় একাই পিঠা বানাতেন, এখন তার সঙ্গে ছেলেসহ চারজন কর্মচারী কাজ করেন। শারমিন সুলতানার মতো স্বামী পরিত্যক্তা নারীরাও এই পেশায় সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন।
শীতের পিঠা শুধু খাবার নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ। ব্যস্ত কর্মজীবী মানুষরাও পিঠার দোকানে এসে সেই ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে ভোলেন না। সবুজ নামের এক কর্মজীবী জানান, গ্রামের পিঠার স্বাদ মিস করলেও শহরের এই দোকানগুলো তাকে কিছুটা তৃপ্তি দেয়।
তবে, রাস্তার পাশে তৈরি পিঠা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, খোলা জায়গায় তৈরি পিঠায় ধুলাবালু ও জীবাণুর ঝুঁকি থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শীতের এই সময়জুড়ে বেনাপোল ও শার্শার গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত পিঠা-পুলির যে উৎসব চলছে, তা চলবে আরও কয়েক মাস। পিঠা যেন কেবল খাবার নয়, এটি বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন।

বাড়ির উঠোনের এক পাশে খড়ের পালা, অন্য পাশে পুঁথি পাঠের আয়োজন। ভ্যাপসা গরমেও মানুষের আগ্রহে কমতি নেই। আয়োজকরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। মাথার ওপরে পূর্ণিমার চাঁদ, আর উঠোনে কুপি ও হারিকেনের আলো— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল অন্যরকম এক আবহ।
২৮ আগস্ট ২০২৬
আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে বলেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারি
২৭ আগস্ট ২০২৬
এথিকের প্রথম প্রযোজনা ‘হাঁড়ি ফাটিবে’ নতুন আঙ্গিকে নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। নাটকটির শততম মঞ্চায়ন উপলক্ষ্যে মঞ্চ ও নেপথ্যে যুক্ত থাকা ১০০ জন কলাকুশলীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।
২০ আগস্ট ২০২৬
১৯৪৯ সালের এ দিনে সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা মফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমস এবং মা মরহুম ফিরোজা খাতুন।
১৮ আগস্ট ২০২৬