
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের ‘কে’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণের লড়াইয়ে আক্রমণ-পালটা আক্রমণের রোমাঞ্চ থাকলেও গোলের দেখা মেলেনি। গোলশূন্য ড্রয়ের পরও গ্রুপসেরা হয়েছে কলম্বিয়া। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার-আপ হয়েছে পর্তুগাল।
মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই বেশি ছন্দে ছিল কলম্বিয়া। লুইস দিয়াজের আক্রমণভাগের তৎপরতায় প্রথম মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়। তার বল থেকে জন কর্দোবা হেড নিলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। কিছুক্ষণ পর একই কর্দোবার জোরালো শট এক হাতে দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন পর্তুগাল গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা।
অন্যদিকে পর্তুগালের আক্রমণ অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ওপর। তবে ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে কলম্বিয়ার রক্ষণ। প্রথমার্ধে ব্রুনো ফার্নান্দেসের দূরপাল্লার শট ফিরিয়ে দেন কামিলো ভার্গাস, আর ফিরতি বলে রোনালদোর বাইসাইকেল কিকও আটকে যায় রক্ষণে। পুরো ম্যাচেই পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে হিমশিম খেতে দেখা যায় রবার্তো মার্তিনেজের দলকে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও বেশি নিজেদের হাতে নেয় কলম্বিয়া। রিচার্ড রিওস কাছ থেকে সুযোগ নষ্ট করেন, জন আরিয়াসের শটও রুখে দেন কস্তা। পরে অভিজ্ঞ লুইস সুয়ারেসও ভালো অবস্থান থেকে শট নিতে ব্যর্থ হন। জেমস রদ্রিগেজের একটি নিশ্চিত গোলও শেষ মুহূর্তে গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন রেনাতো ভেইগা।
চাপ বাড়তে থাকায় বেঞ্চ থেকে রাফায়েল লেয়াওকে নামান পর্তুগাল কোচ। শেষ দিকে ব্রুনো ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে দিয়োগো দালোত গোলের কাছাকাছি পৌঁছালেও তার বাঁকানো শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়।
যোগ করা সময়ে মনে হয়েছিল জয় পেয়ে গেছে কলম্বিয়া। দাভিনসন সানচেজের হেডে বল জালে জড়ানোর পর মাঠে নেমে উদ্যাপনও শুরু করে কলম্বিয়ার বেঞ্চ। কিন্তু ভিএআরের সহায়তায় অফসাইডের সিদ্ধান্ত দিলে সেই উল্লাস মুহূর্তেই থেমে যায়।
গোল না পেলেও পুরো ম্যাচে আক্রমণ, সুযোগ তৈরি এবং খেলার নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। সেই পারফরম্যান্সের সুবাদেই গ্রুপসেরা হিসেবে নকআউটে উঠল তারা। অন্যদিকে পর্তুগালও নকআউট নিশ্চিত করলেও শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের আরও ধারালো করে তোলার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত স্পষ্টভাবেই রেখে গেল।

বিশ্বকাপের ‘কে’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণের লড়াইয়ে আক্রমণ-পালটা আক্রমণের রোমাঞ্চ থাকলেও গোলের দেখা মেলেনি। গোলশূন্য ড্রয়ের পরও গ্রুপসেরা হয়েছে কলম্বিয়া। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার-আপ হয়েছে পর্তুগাল।
মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই বেশি ছন্দে ছিল কলম্বিয়া। লুইস দিয়াজের আক্রমণভাগের তৎপরতায় প্রথম মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়। তার বল থেকে জন কর্দোবা হেড নিলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। কিছুক্ষণ পর একই কর্দোবার জোরালো শট এক হাতে দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন পর্তুগাল গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা।
অন্যদিকে পর্তুগালের আক্রমণ অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ওপর। তবে ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে কলম্বিয়ার রক্ষণ। প্রথমার্ধে ব্রুনো ফার্নান্দেসের দূরপাল্লার শট ফিরিয়ে দেন কামিলো ভার্গাস, আর ফিরতি বলে রোনালদোর বাইসাইকেল কিকও আটকে যায় রক্ষণে। পুরো ম্যাচেই পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে হিমশিম খেতে দেখা যায় রবার্তো মার্তিনেজের দলকে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও বেশি নিজেদের হাতে নেয় কলম্বিয়া। রিচার্ড রিওস কাছ থেকে সুযোগ নষ্ট করেন, জন আরিয়াসের শটও রুখে দেন কস্তা। পরে অভিজ্ঞ লুইস সুয়ারেসও ভালো অবস্থান থেকে শট নিতে ব্যর্থ হন। জেমস রদ্রিগেজের একটি নিশ্চিত গোলও শেষ মুহূর্তে গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন রেনাতো ভেইগা।
চাপ বাড়তে থাকায় বেঞ্চ থেকে রাফায়েল লেয়াওকে নামান পর্তুগাল কোচ। শেষ দিকে ব্রুনো ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে দিয়োগো দালোত গোলের কাছাকাছি পৌঁছালেও তার বাঁকানো শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়।
যোগ করা সময়ে মনে হয়েছিল জয় পেয়ে গেছে কলম্বিয়া। দাভিনসন সানচেজের হেডে বল জালে জড়ানোর পর মাঠে নেমে উদ্যাপনও শুরু করে কলম্বিয়ার বেঞ্চ। কিন্তু ভিএআরের সহায়তায় অফসাইডের সিদ্ধান্ত দিলে সেই উল্লাস মুহূর্তেই থেমে যায়।
গোল না পেলেও পুরো ম্যাচে আক্রমণ, সুযোগ তৈরি এবং খেলার নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। সেই পারফরম্যান্সের সুবাদেই গ্রুপসেরা হিসেবে নকআউটে উঠল তারা। অন্যদিকে পর্তুগালও নকআউট নিশ্চিত করলেও শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের আরও ধারালো করে তোলার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত স্পষ্টভাবেই রেখে গেল।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে