
ক্রীড়া ডেস্ক

‘এল’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে জিতে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। অন্য ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েছে ক্রোয়েশিয়া।
এই গ্রুপ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করলেও সেরা আটটি তৃতীয় স্থানাধিকারী দলের একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে ঘানা। অন্যদিকে টানা তিন ম্যাচ হেরে পয়েন্টশূন্য অবস্থায় বিশ্বকাপ শেষ করেছে পানামা।
নিউ জার্সিতে প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ৯টি শট নিয়েও মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় টুখেলের দল। শুরু থেকেই মার্কাস রাশফোর্ড ও বুকায়ো সাকা দুই প্রান্ত দিয়ে বারবার পানামার রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। রাশফোর্ডের নিচু শট ও সাকার প্রচেষ্টা দুটিই ফিরিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক। অন্যদিকে ২৬তম মিনিটে হোসে লুইস রদ্রিগেসের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন জর্ডান পিকফোর্ড।
বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। মাত্র ৫ মিনিটের এক ঝড়ে পানামাকে এলোমেলো করে দেয় ইংল্যান্ড। ৬২তম মিনিটে সাকার কর্নার থেকে বল পেয়ে কাছ থেকে ভলিতে গোল করে লিড এনে দেন জুড বেলিংহ্যাম। পাঁচ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ক্যাপ্টেন হ্যারি কেইন। বাঁ দিক থেকে বেলিংহ্যামের নিখুঁত ক্রসে হেডে জাল খুঁজে নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ১১তম গোল করে গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড ভেঙে দেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন কেইন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোল। শেষ দিকে আরও কয়েকটি সুযোগ পেলেও ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড।
ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ক্রোয়েশিয়া। ৩১তম মিনিটে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত নিচু শটে দলকে এগিয়ে দেন পেতার সুচিচ। জাতীয় দলের হয়ে প্রায় দুই বছর পর গোল পেলেন এই মিডফিল্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড়দের নিয়ে ঘানা ম্যাচে ফিরতে শুরু করে। ৭৩তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া বলে ডেরিক লাকাশেন গোল করলে সমতায় ফেরে আফ্রিকার দল। প্রথমে অফসাইডের সিদ্ধান্ত এলেও ভিএআরের সহায়তায় গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।
তবে সেই সমতা বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ৮২তম মিনিটে লুকা মদ্রিচের নেওয়া কর্নার থেকে নিকোলা ভ্লাসিচের শক্তিশালী হেডে আবারও এগিয়ে যায় জ্লাতকো দালিচের দল। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধানই ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।
প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারলেও পরের দুই ম্যাচে টানা জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নকআউট পর্বে উঠল ক্রোয়েশিয়া।

‘এল’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে জিতে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। অন্য ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েছে ক্রোয়েশিয়া।
এই গ্রুপ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করলেও সেরা আটটি তৃতীয় স্থানাধিকারী দলের একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে ঘানা। অন্যদিকে টানা তিন ম্যাচ হেরে পয়েন্টশূন্য অবস্থায় বিশ্বকাপ শেষ করেছে পানামা।
নিউ জার্সিতে প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ৯টি শট নিয়েও মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় টুখেলের দল। শুরু থেকেই মার্কাস রাশফোর্ড ও বুকায়ো সাকা দুই প্রান্ত দিয়ে বারবার পানামার রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। রাশফোর্ডের নিচু শট ও সাকার প্রচেষ্টা দুটিই ফিরিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক। অন্যদিকে ২৬তম মিনিটে হোসে লুইস রদ্রিগেসের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন জর্ডান পিকফোর্ড।
বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। মাত্র ৫ মিনিটের এক ঝড়ে পানামাকে এলোমেলো করে দেয় ইংল্যান্ড। ৬২তম মিনিটে সাকার কর্নার থেকে বল পেয়ে কাছ থেকে ভলিতে গোল করে লিড এনে দেন জুড বেলিংহ্যাম। পাঁচ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ক্যাপ্টেন হ্যারি কেইন। বাঁ দিক থেকে বেলিংহ্যামের নিখুঁত ক্রসে হেডে জাল খুঁজে নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ১১তম গোল করে গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড ভেঙে দেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন কেইন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোল। শেষ দিকে আরও কয়েকটি সুযোগ পেলেও ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড।
ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ক্রোয়েশিয়া। ৩১তম মিনিটে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত নিচু শটে দলকে এগিয়ে দেন পেতার সুচিচ। জাতীয় দলের হয়ে প্রায় দুই বছর পর গোল পেলেন এই মিডফিল্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড়দের নিয়ে ঘানা ম্যাচে ফিরতে শুরু করে। ৭৩তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া বলে ডেরিক লাকাশেন গোল করলে সমতায় ফেরে আফ্রিকার দল। প্রথমে অফসাইডের সিদ্ধান্ত এলেও ভিএআরের সহায়তায় গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।
তবে সেই সমতা বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ৮২তম মিনিটে লুকা মদ্রিচের নেওয়া কর্নার থেকে নিকোলা ভ্লাসিচের শক্তিশালী হেডে আবারও এগিয়ে যায় জ্লাতকো দালিচের দল। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধানই ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।
প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারলেও পরের দুই ম্যাচে টানা জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নকআউট পর্বে উঠল ক্রোয়েশিয়া।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে