
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের মেগা ফাইনালে জয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়ামে আগামী ১৯ জুলাই অনুষ্ঠেয় ফাইনাল ম্যাচের ট্রফি বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো জানান, তারা দুজনে যৌথভাবে বিশ্বজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে সোনালী ট্রফিটি তুলে দেবেন।
ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ফিফা সভাপতি নিশ্চিত করেছেন যে, নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ট্রফি বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রাম্প একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালেও ট্রাম্প একইভাবে ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন, যেখানে শিরোপা ঘরে তুলেছিল ইংলিশ ক্লাব চেলসি।
ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করব এবং অবশ্যই বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেব।’
তারা দুজনে যৌথভাবে ট্রফিটি প্রদান করবেন কিনা জানতে চাইলে ইনফান্তিনো যোগ করেন, ‘অবশ্যই, আমরা সবসময় একসঙ্গেই থাকি।’
এর আগে গত ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে এক বিভ্রান্তির জন্ম দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চেলসির অধিনায়ক রিস জেমসের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও ট্রাম্প বিজয়ীদের মঞ্চেই অবস্থান করেছিলেন।
পরবর্তীতে সেই ঘটনা স্মরণ করে জেমস বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল যে তিনি ট্রফি প্রদান করে মঞ্চ থেকে নেমে যাবেন। আমিও ভেবেছিলাম তিনি চলে যাবেন, কিন্তু তিনি মঞ্চেই থেকে যেতে চেয়েছিলেন।’
ট্রাম্প তাকে কী বলেছিলেন জানতে চাইলে জেমস যোগ করেন, ‘সত্যি বলতে, স্টেডিয়ামে তখন অনেক চিৎকার ও শব্দ ছিল। আমি খুব একটা শুনতে পাইনি। তিনি শুধু আমাকে এবং আমাদের দলকে ট্রফি জেতার জন্য অভিনন্দন জানান এবং এই মুহূর্তটি উপভোগ করতে বলেন।’
পিএসজির বিপক্ষে দুটি গোল করা চেলসির কোল পালমার অবশ্য পুরো বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্ত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম তিনি এখানে থাকবেন, কিন্তু ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সময় তিনি যে আমাদের সঙ্গে মঞ্চে অবস্থান করবেন, তা জানতাম না। হ্যাঁ, আমি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম।’
রাজনীতি/এসআর

এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের মেগা ফাইনালে জয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়ামে আগামী ১৯ জুলাই অনুষ্ঠেয় ফাইনাল ম্যাচের ট্রফি বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো জানান, তারা দুজনে যৌথভাবে বিশ্বজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে সোনালী ট্রফিটি তুলে দেবেন।
ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ফিফা সভাপতি নিশ্চিত করেছেন যে, নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ট্রফি বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রাম্প একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালেও ট্রাম্প একইভাবে ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন, যেখানে শিরোপা ঘরে তুলেছিল ইংলিশ ক্লাব চেলসি।
ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করব এবং অবশ্যই বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেব।’
তারা দুজনে যৌথভাবে ট্রফিটি প্রদান করবেন কিনা জানতে চাইলে ইনফান্তিনো যোগ করেন, ‘অবশ্যই, আমরা সবসময় একসঙ্গেই থাকি।’
এর আগে গত ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে এক বিভ্রান্তির জন্ম দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চেলসির অধিনায়ক রিস জেমসের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও ট্রাম্প বিজয়ীদের মঞ্চেই অবস্থান করেছিলেন।
পরবর্তীতে সেই ঘটনা স্মরণ করে জেমস বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল যে তিনি ট্রফি প্রদান করে মঞ্চ থেকে নেমে যাবেন। আমিও ভেবেছিলাম তিনি চলে যাবেন, কিন্তু তিনি মঞ্চেই থেকে যেতে চেয়েছিলেন।’
ট্রাম্প তাকে কী বলেছিলেন জানতে চাইলে জেমস যোগ করেন, ‘সত্যি বলতে, স্টেডিয়ামে তখন অনেক চিৎকার ও শব্দ ছিল। আমি খুব একটা শুনতে পাইনি। তিনি শুধু আমাকে এবং আমাদের দলকে ট্রফি জেতার জন্য অভিনন্দন জানান এবং এই মুহূর্তটি উপভোগ করতে বলেন।’
পিএসজির বিপক্ষে দুটি গোল করা চেলসির কোল পালমার অবশ্য পুরো বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্ত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম তিনি এখানে থাকবেন, কিন্তু ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সময় তিনি যে আমাদের সঙ্গে মঞ্চে অবস্থান করবেন, তা জানতাম না। হ্যাঁ, আমি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম।’
রাজনীতি/এসআর

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে