
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। নিজেদের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠিও দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হলেও বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে রাজি করানো যায়নি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দীর্ঘ কয়েক মাসের তদন্ত শেষে তিন সদস্যের কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত এবং এর পেছনে কার ভূমিকা ছিল, তা তুলে ধরা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ক্রিকেটাররা রাজি থাকলেও সরকার থেকে ক্লিয়ারেন্স (অনুমতি) না পাওয়ায় বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।’
তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে যাবে না। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জায়গায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়ার পেছনে প্রকৃত কারণ নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
এ জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) কে এম অলিউল্ল্যাহকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কারণ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন ও আইনজীবী ফয়সালা দস্তগীর।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তদন্তে যা উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সবকিছু মিলিয়ে যা বলা যায়, যে মানুষটি দায়ী (বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য), তিনি হলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপেদষ্টা আসিফ নজরুল। সেই সময়ের সরকার ও তিনি দায়ী।’
তদন্ত কমিটির এই প্রতিনিধি আরও জানান, ‘অবশ্যই বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া উচিত ছিল।’
তদন্ত প্রতিবেদনে বেশ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বক্তব্য যুক্ত করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এ ছাড়া সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, বোর্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদ সৈয়দ আশরাফুল হক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ওই সময়ে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং তৎকালীন বিসিবির পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের। এ ছাড়া গণমাধ্যমের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধিরও সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।
তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল; তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নিতে পারেনি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। নিজেদের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠিও দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হলেও বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে রাজি করানো যায়নি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দীর্ঘ কয়েক মাসের তদন্ত শেষে তিন সদস্যের কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত এবং এর পেছনে কার ভূমিকা ছিল, তা তুলে ধরা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ক্রিকেটাররা রাজি থাকলেও সরকার থেকে ক্লিয়ারেন্স (অনুমতি) না পাওয়ায় বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।’
তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে যাবে না। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জায়গায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়ার পেছনে প্রকৃত কারণ নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
এ জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) কে এম অলিউল্ল্যাহকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কারণ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন ও আইনজীবী ফয়সালা দস্তগীর।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তদন্তে যা উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সবকিছু মিলিয়ে যা বলা যায়, যে মানুষটি দায়ী (বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য), তিনি হলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপেদষ্টা আসিফ নজরুল। সেই সময়ের সরকার ও তিনি দায়ী।’
তদন্ত কমিটির এই প্রতিনিধি আরও জানান, ‘অবশ্যই বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া উচিত ছিল।’
তদন্ত প্রতিবেদনে বেশ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বক্তব্য যুক্ত করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এ ছাড়া সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, বোর্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদ সৈয়দ আশরাফুল হক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ওই সময়ে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং তৎকালীন বিসিবির পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের। এ ছাড়া গণমাধ্যমের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধিরও সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।
তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল; তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নিতে পারেনি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

ফিফার নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ ছিল সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে ক্লাবগুলোকে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে হয় এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এরপর অর্থ পরিশোধের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথি ফিফার কাছে জমা দেওয়া হয়। ফিফা এসব নথি যাচাই করে সন্তু
৮ দিন আগে
দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
১০ দিন আগে
এই চুক্তিতে নির্ধারিত ট্রান্সফার ফি-র পাশাপাশি ভবিষ্যতে মার্তিনেলিকে অন্য কোনো ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আর্সেনাল পাবে বলেও চুক্তি স্বাক্ষর শেষে নিশ্চিত করেছে সৌদি ক্লাবটি। এর আগে ২০১৭ সালে অক্সলেড-চেম্বারলিনকে লিভারপুলের কাছে বিক্রির সময় প্রাপ্ত অর্থই ছিল গানার্সদের ট্রান্সফ
১১ দিন আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে আর্জেন্টিনার ঘরোয়া ফুটবলের পুরুষ ও নারীদের সব ম্যাচে প্রথমার্ধের ১০ মিনিটে পর থেমে যাবে খেলা। এরপর মেসির সম্মানে স্টেডিয়াম জুড়ে এক মিনিট ধরে করতালি দেওয়া হবে।
১২ দিন আগে