জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে টাইগাররা। বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম।
ওয়ানডে ম্যাচে ১৪১ রান চেজ করতে নেমে নিদারুণ ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন ব্যাটাররা। দুই অঙ্কের রান পেলেন মাত্র তিনজন— তৌহিদ হৃদয় (৫৮ বলে ২৫), নুরুল হাসান সোহান (৪৪ ব ৩১) আর মেহেদি হাসান মিরাজ (১৮ বলে ১০)। তাতে শেষ পর্যন্ত ৩৩ ওভার ১ বলে মাত্র ১১৬ রানে অলআউট হলো বাংলাদেশ। হেরে গেল ২৫ রানে।
নাহিদ রানার আগুনঝরা বোলিংয়ে ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে মাত্র ১৪১ রানে অলআউট করে দিয়েছে টাইগাররা। ১০ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছেন এই গত
শুরুতে একটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া হলেও পরে তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দারুণ বোলিংয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। ১৫ ওভারের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৪৭ রান।
ফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫০ রান তোলে ইংল্যান্ড। জবাবে মাত্র ১৭.১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। হাতে তখনও ছিল ১৭ বল ও ৭ উইকেট। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামে
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে জিম্বাবুয়ে সফরে স্পটভাবেই ফেভারিট ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু জিম্বাবুয়ের সফরের শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। সিরিজের একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বড়সড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
হারারের টেস্ট হয়ে থাকল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায়। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা, আর সেই রেকর্ড গড়ার দিনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ।
পাওয়ারপ্লের আগেই তারা ৫২ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে ফেলে। অধিনায়ক মিচেল মার্শ মাত্র ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। জস ইংলিস, কুপার কনোলি ও মার্শকে ফিরিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি। টিম ডেভিড মাত্র ৩ বল খেলেই দুটি ছক্কা হাঁ
এ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে নতুন ইতিহাসও হয়েছে। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথম এলো একাধিক জয়। এর আগে কখনোই এক বিশ্বকাপে একাধিক জয় পায়নি বাংলাদেশ। আবার প্রথম তিন ম্যাচেই এলো দুই জয়।
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্নও দেখেছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্নায়ুচাপ সামলাতে না পেরে ৭ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
ব্যাট হাতে শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের লড়াইয়ে কোনোভাবে ১৩১ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা।
এলোমেলো ব্যাটিংয়ে যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ, তখন শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ান শেখ মেহেদী হাসান। তার ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস এবং মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে শেষ জুটির অবদানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে ১৩১ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর এবার টি–টোয়েন্টি মঞ্চে নতুন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। তবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগেই ধাক্কা খেয়েছে স্বাগতিকরা। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না অধিনায়ক লিটন দাস। তার অনুপস্থিতিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়।
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মেয়েদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। বিশ্বকাপের আগে ৯ ম্যাচে সাত পরাজয়ের সাক্ষী হওয়ায় প্রথম ম্যাচেই জয় স্বস্তি এনেছে টাইগ্রেস শিবিরে।
রোববার (১৪ জুন) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৭৪ রান। সিরিজে প্রথমবার দুই দলের মধ্যে টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতার দেখা মেলে। পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে নিয়ে
লিটন ছাড়াও এই ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তাওহীদ হৃদয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন। তিন ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার টার্গেট ২৭৫। অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে হলে এর আগেই আটকে ফেলতে হবে টাইগার বোলারদের।