
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশে ফিরেই ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা পেয়েছেন স্পেনের দুই তারকা ফুটবলার ফাবিয়ান রুইজ ও গাভি। নিজ শহরে তাদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের সম্মানে শহরের দুটি ফুটবল স্টেডিয়ামের নামও পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর স্পেন দলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা জয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে যেমন হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপন, তেমনি সেভিল প্রদেশের লস পালাসিওস ওয়াই ভিয়াফ্রাঙ্কায় নিজ শহরের দুই বিশ্বজয়ী তারকার জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সংবর্ধনার।
এই শহরেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা পাবলো পায়েজ গাভিরা (গাভি নামেই বেশি পরিচিত) ও ফাবিয়ান রুইজের। বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশে ফিরতেই তাদের সংবর্ধনা দেয় সিটি কাউন্সিল। স্থানীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, দুই ফুটবলারকে তাদের নিজেদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়। অভিনব এই সম্মান পেয়ে আপ্লুত হন দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
বদলাচ্ছে দুই স্টেডিয়ামের নাম
ব্যতিক্রমী টমেটো সংবর্ধনার পাশাপাশি আরও বড় সম্মান অপেক্ষা করছিল দুই তারকার জন্য। লস পালাসিওস ওয়াই ভিয়াফ্রাঙ্কার স্থানীয় প্রশাসন শহরের দুটি ফুটবল স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সান সেবাস্তিয়ান স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হবে ‘পাবলো পায়েজ গাভিরা (গাভি)’। আর মারিসমাস স্টেডিয়ামের নতুন নাম হবে ‘ফাবিয়ান রুইজ’। বিশ্বকাপজয়ী এই দুই ফুটবলারের অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শৈশবের মাঠেই মিলল স্বীকৃতি
স্টেডিয়াম দুটির সঙ্গে দুই ফুটবলারের শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। মাত্র ছয় বছর বয়সে লা লিয়ারা বালোম্পি ক্লাবের যুব দলে যোগ দেন গাভি। তার ফুটবলজীবনের ভিত্তি গড়ে ওঠে এই ক্লাবেই। ক্লাবটির হোম ভেন্যু সান সেবাস্তিয়ান স্টেডিয়াম, যা এখন থেকে গাভির নাম বহন করবে।
অন্যদিকে ফাবিয়ান রুইজের ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল লস পালাসিওস সিএফ ক্লাবে। দলটি নিজেদের হোম ম্যাচ খেলে মারিসমাস স্টেডিয়ামে। তাই শৈশবের সেই মাঠ এবার তার নামেই পরিচিত হবে। এভাবে দুই ফুটবলারের শৈশবের মাঠের সঙ্গে তাদের অর্জনকে এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
নির্মাণ হবে স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ
সম্মাননা এখানেই শেষ হচ্ছে না। শহরের কৃতী সন্তানদের স্মরণীয় করে রাখতে হুয়ান হোসে ভাকেরো অ্যাভিনিউতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি কাউন্সিল।
ফাবিয়ান রুইজ ও গাভির পাশাপাশি সেখানে জায়গা পাবেন ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলের সদস্য ও এই শহরের আরেক কৃতী ফুটবলার জেসুস নাভাস। স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে এই তিন বিশ্বকাপজয়ীর অবদানকে স্থায়ীভাবে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ফাবিয়ান রুইজ ও গাভি খুব শিগগিরই এই স্মৃতিস্তম্ভের একটি মডেল জনসমক্ষে উন্মোচন করবেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর নিজের শহরে এমন ব্যতিক্রমী সম্মান নিঃসন্দেহে তাদের ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশে ফিরেই ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা পেয়েছেন স্পেনের দুই তারকা ফুটবলার ফাবিয়ান রুইজ ও গাভি। নিজ শহরে তাদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের সম্মানে শহরের দুটি ফুটবল স্টেডিয়ামের নামও পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর স্পেন দলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা জয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে যেমন হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপন, তেমনি সেভিল প্রদেশের লস পালাসিওস ওয়াই ভিয়াফ্রাঙ্কায় নিজ শহরের দুই বিশ্বজয়ী তারকার জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সংবর্ধনার।
এই শহরেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা পাবলো পায়েজ গাভিরা (গাভি নামেই বেশি পরিচিত) ও ফাবিয়ান রুইজের। বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশে ফিরতেই তাদের সংবর্ধনা দেয় সিটি কাউন্সিল। স্থানীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, দুই ফুটবলারকে তাদের নিজেদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়। অভিনব এই সম্মান পেয়ে আপ্লুত হন দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
বদলাচ্ছে দুই স্টেডিয়ামের নাম
ব্যতিক্রমী টমেটো সংবর্ধনার পাশাপাশি আরও বড় সম্মান অপেক্ষা করছিল দুই তারকার জন্য। লস পালাসিওস ওয়াই ভিয়াফ্রাঙ্কার স্থানীয় প্রশাসন শহরের দুটি ফুটবল স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সান সেবাস্তিয়ান স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হবে ‘পাবলো পায়েজ গাভিরা (গাভি)’। আর মারিসমাস স্টেডিয়ামের নতুন নাম হবে ‘ফাবিয়ান রুইজ’। বিশ্বকাপজয়ী এই দুই ফুটবলারের অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শৈশবের মাঠেই মিলল স্বীকৃতি
স্টেডিয়াম দুটির সঙ্গে দুই ফুটবলারের শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। মাত্র ছয় বছর বয়সে লা লিয়ারা বালোম্পি ক্লাবের যুব দলে যোগ দেন গাভি। তার ফুটবলজীবনের ভিত্তি গড়ে ওঠে এই ক্লাবেই। ক্লাবটির হোম ভেন্যু সান সেবাস্তিয়ান স্টেডিয়াম, যা এখন থেকে গাভির নাম বহন করবে।
অন্যদিকে ফাবিয়ান রুইজের ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল লস পালাসিওস সিএফ ক্লাবে। দলটি নিজেদের হোম ম্যাচ খেলে মারিসমাস স্টেডিয়ামে। তাই শৈশবের সেই মাঠ এবার তার নামেই পরিচিত হবে। এভাবে দুই ফুটবলারের শৈশবের মাঠের সঙ্গে তাদের অর্জনকে এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
নির্মাণ হবে স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ
সম্মাননা এখানেই শেষ হচ্ছে না। শহরের কৃতী সন্তানদের স্মরণীয় করে রাখতে হুয়ান হোসে ভাকেরো অ্যাভিনিউতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি কাউন্সিল।
ফাবিয়ান রুইজ ও গাভির পাশাপাশি সেখানে জায়গা পাবেন ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলের সদস্য ও এই শহরের আরেক কৃতী ফুটবলার জেসুস নাভাস। স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে এই তিন বিশ্বকাপজয়ীর অবদানকে স্থায়ীভাবে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ফাবিয়ান রুইজ ও গাভি খুব শিগগিরই এই স্মৃতিস্তম্ভের একটি মডেল জনসমক্ষে উন্মোচন করবেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর নিজের শহরে এমন ব্যতিক্রমী সম্মান নিঃসন্দেহে তাদের ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর রাজধানী বুয়েনস এইরেসে বিক্ষুব্ধ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েকজন সমর্থক ও সাত পুলিশ সদস্য।
২ দিন আগে
ফিফার হিসাব অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের পরবর্তী র্যাংকিং প্রকাশের আগে শীর্ষস্থানে কোনো পরিবর্তন আসছে না। ফলে অন্তত ওই সময় পর্যন্ত বিশ্বের এক নম্বর দল হিসেবেই থাকবে স্পেন।
২ দিন আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেন শিরোপা উদযাপন শুরু করে। সেই সময় স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে তর্কে জড়ান পারেদেস। একপর্যায়ে তিনি গার্সিয়াকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
২ দিন আগে
প্রাইজমানিতে বড় উল্লম্ফনটা ঘটেছে চ্যাম্পিয়ন টিমের জন্যই। গত বিশ্বকাপে তারা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এবার ৮০ লাখ ডলার বেশি পেয়েছে চ্যাম্পিয়ন টিম। রানার-আপ টিম গত বিশ্বকাপের তুলনায় বেশি পেয়েছে ৩০ লাখ ডলার। এ ছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে দলগুলো ২০ লাখ ডলার করে বেশি পেয়েছে আগের বিশ্বকাপ থেকে।
২ দিন আগে