
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে দূরে থেকেছেন উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন। ফিফার সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত হননি বলে ইউরোপীয় ফুটবল মহলে আলোচনা চলছে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ উপলক্ষে তিনি মেক্সিকো সিটিতে গিয়েছিলেন। তবে রোববারের ফাইনালের আগে যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও ভেন্যুতে যাননি।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে। শেষ ষোলোতে লাল কার্ড দেখার পর তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা। এই সিদ্ধান্তের পর উয়েফা প্রকাশ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, এমন সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। ইউরোপীয় ফুটবল কর্তৃপক্ষের মতে, নিয়মের প্রয়োগে অসঙ্গতি গ্রহণযোগ্য নয়।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েও সেফেরিনের আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ফাইনালে হাফ টাইম শো আয়োজনের ধারণার বিরোধিতা করছেন তিনি।
এবারের ফাইনালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তারকার পরিবেশনার কারণে বিরতি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক দীর্ঘ হয়। সেফেরিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে এমন আয়োজনের পরিকল্পনা নেই।
দুই সংস্থার মতপার্থক্য শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাও উয়েফা সমর্থন করছে না। পাশাপাশি ভিএআর ব্যবহারের কিছু নতুন প্রোটোকল নিয়েও তাদের অবস্থান আলাদা।
বিশ্বকাপের টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়েও ফিফার সমালোচনা করেছে উয়েফা। সংস্থাটি দাবি করেছে, ২০২৮ ইউরোতে দর্শকদের জন্য টিকিটের দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত রাখা হবে।
সব মিলিয়ে ইনফান্তিনোর ফিফা ও সেফেরিনের উয়েফার মধ্যে নীতিগত দূরত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে দূরে থেকেছেন উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন। ফিফার সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত হননি বলে ইউরোপীয় ফুটবল মহলে আলোচনা চলছে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ উপলক্ষে তিনি মেক্সিকো সিটিতে গিয়েছিলেন। তবে রোববারের ফাইনালের আগে যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও ভেন্যুতে যাননি।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে। শেষ ষোলোতে লাল কার্ড দেখার পর তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা। এই সিদ্ধান্তের পর উয়েফা প্রকাশ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, এমন সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। ইউরোপীয় ফুটবল কর্তৃপক্ষের মতে, নিয়মের প্রয়োগে অসঙ্গতি গ্রহণযোগ্য নয়।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েও সেফেরিনের আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ফাইনালে হাফ টাইম শো আয়োজনের ধারণার বিরোধিতা করছেন তিনি।
এবারের ফাইনালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তারকার পরিবেশনার কারণে বিরতি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক দীর্ঘ হয়। সেফেরিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে এমন আয়োজনের পরিকল্পনা নেই।
দুই সংস্থার মতপার্থক্য শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাও উয়েফা সমর্থন করছে না। পাশাপাশি ভিএআর ব্যবহারের কিছু নতুন প্রোটোকল নিয়েও তাদের অবস্থান আলাদা।
বিশ্বকাপের টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়েও ফিফার সমালোচনা করেছে উয়েফা। সংস্থাটি দাবি করেছে, ২০২৮ ইউরোতে দর্শকদের জন্য টিকিটের দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত রাখা হবে।
সব মিলিয়ে ইনফান্তিনোর ফিফা ও সেফেরিনের উয়েফার মধ্যে নীতিগত দূরত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে