
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে স্পেন ও আর্জেন্টিনাকে নিয়ে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মেসিদের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থনের কথা জানালেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রয়েছে এবং সে কারণেই নয়, ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিকও আর্জেন্টিনার জয় দেখতে চান বলে তিনি মনে করেন।
ফাইনালের আগের দিন ইসরায়েলে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত রাব্বি শিমন অ্যাক্সেল ওয়াহনিশ নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একটি জার্সি উপহার দেন এবং প্রেসিডেন্ট মিলেইর পাঠানো একটি অডিও বার্তা শোনান।
বার্তায় মিলেই নেতানিয়াহুকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে বলেন, তিনি সব সময় আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন দেখিয়েছেন এবং ফাইনালের আগে এই সমর্থনের কথা জেনে তিনি আনন্দিত।
এর জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, “হাভিয়ের, তুমি একজন সত্যিকারের বন্ধু। আমরা তোমার পাশে আছি এবং নানা ক্ষেত্রেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করছি। আগামীকালও করব। শুভকামনা।”
পরে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপচারিতায় নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি, এটা গোপন করার কিছু নেই। আমার বিশ্বাস, ইসরায়েলের বেশির ভাগ মানুষও আর্জেন্টিনার পক্ষেই থাকবে। ভামোস আর্জেন্টিনা।”
আজ নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। সেখানে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা এবং নিজেদের চতুর্থ ট্রফির লক্ষ্যে মাঠে নামবে। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে খেলবে স্পেন।
আর্জেন্টিনা ও ইসরায়েলের বর্তমান সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টি নতুন নয়। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই হাভিয়ের মিলেই ইসরায়েলের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে আসছেন, আর নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই সম্পর্কের আরেকটি প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে স্পেন ও আর্জেন্টিনাকে নিয়ে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মেসিদের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থনের কথা জানালেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রয়েছে এবং সে কারণেই নয়, ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিকও আর্জেন্টিনার জয় দেখতে চান বলে তিনি মনে করেন।
ফাইনালের আগের দিন ইসরায়েলে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত রাব্বি শিমন অ্যাক্সেল ওয়াহনিশ নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একটি জার্সি উপহার দেন এবং প্রেসিডেন্ট মিলেইর পাঠানো একটি অডিও বার্তা শোনান।
বার্তায় মিলেই নেতানিয়াহুকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে বলেন, তিনি সব সময় আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন দেখিয়েছেন এবং ফাইনালের আগে এই সমর্থনের কথা জেনে তিনি আনন্দিত।
এর জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, “হাভিয়ের, তুমি একজন সত্যিকারের বন্ধু। আমরা তোমার পাশে আছি এবং নানা ক্ষেত্রেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করছি। আগামীকালও করব। শুভকামনা।”
পরে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপচারিতায় নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি, এটা গোপন করার কিছু নেই। আমার বিশ্বাস, ইসরায়েলের বেশির ভাগ মানুষও আর্জেন্টিনার পক্ষেই থাকবে। ভামোস আর্জেন্টিনা।”
আজ নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। সেখানে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা এবং নিজেদের চতুর্থ ট্রফির লক্ষ্যে মাঠে নামবে। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে খেলবে স্পেন।
আর্জেন্টিনা ও ইসরায়েলের বর্তমান সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টি নতুন নয়। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই হাভিয়ের মিলেই ইসরায়েলের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে আসছেন, আর নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই সম্পর্কের আরেকটি প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বাড়তি আয়ের সুফল ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও অর্থ বণ্টনের চূড়ান্ত কাঠামো এখনও নির্ধারিত হয়নি, ফিফা আগেই জানিয়েছিল বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের বড় অংশ বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়নে পুনর্বিনিয়োগ করা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন ৪-৩-৩ ছকে খেলছে। আক্রমণে মিকেল ওইয়ারসাবাল, দুই উইংয়ে লামিন ইয়ামাল ও আলেক্স বেইনা এবং মাঝমাঠে রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও দানি ওলমো। রক্ষণভাগে আইমেরিক লাপোর্তে ও পাউ কুবারসির নেতৃত্বাধীন স্পেনের প্রতিষ্ঠিত কাঠামো যেন একটি দুর্দান্ত দক্ষ যন্ত্র।
৯ ঘণ্টা আগে
তার মৃত্যুর পর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী ও সেনাদের সহিংসতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ১৯৬৭ সাল থেকে পশ্চিম তীর তেল আবিবের দখলে রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হলেও সেখানে ইসরাইলি বসতি স্থাপন কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর পর, এশিয়ান হকির যুব পর্যায়ে এটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের নারী হকি দলের সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক সাফল্য। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে প্রতিপক্ষদের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে অবশেষে গত আসরের রানার্সআপ হওয়ার আক্ষেপ ঘুচিয়ে শিরোপা ঘরে তুলল দেশের মেয়েরা।
১২ ঘণ্টা আগে