ফের এমবাপ্পের জোড়া গোল, ইরাককে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিলো ফ্রান্স

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম ম্যাচের মতো ইরাকের বিপক্ষেও জোড়া গোল পেয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতির বাধাও থামাতে পারেনি ফ্রান্সকে। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় ঝড়-বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকলেও মাঠে ফিরে একই ছন্দে খেলেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল ও উসমান দেম্বেলের এক গোলে ইরাককে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।

‘আই’ গ্রুপের আরেক ম্যাচে সেনেগালকে হারিয়েছে নরওয়ে। তাতে গ্রুপ থেকে ফ্রান্স ও নরওয়ের নকআউট পর্বে উত্তরণ নিশ্চিত হয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ইরাকের রক্ষণে তীব্র চাপ তৈরি করে ফরাসিরা। প্রথম ১০ মিনিটে একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে প্রায় নিজেদের ছয় গজের মধ্যে আটকে রাখে। সেই চাপেরই ফল আসে ১০ মিনিটে। জুল কুন্দের আক্রমণ গড়ে দেওয়া বল মাইকেল অলিসে বাড়িয়ে দেন এমবাপ্পের কাছে। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে গোলরক্ষক আহমেদ বাসিলকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন ফরাসি অধিনায়ক।

গোল হজমের পর কিছুটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা করে ইরাক। আলি আল-হামাদির একটি হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্টও হয়। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা ১১ মিনিট পর খেলা আবার শুরু হয়।

বিরতির পর মাঠে নেমেই নিজেদের ভুলের খেসারত দেয় ইরাক। ডিফেন্ডার জায়েদ তাহসিনের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে দেম্বলে সেটি বাড়িয়ে দেন এমবাপ্পেকে। সহজ ফিনিশে নিজের দ্বিতীয় ও টুর্নামেন্টের চতুর্থ গোল করেন ফরাসি তারকা। এর ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও আরও শক্ত অবস্থানে চলে আসেন তিনি।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ইরাকের প্রতিরোধ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ৬৬ মিনিটে অলিসের দারুণ পাস থেকে নিচু শটে ব্যবধান ৩-০ করেন দেম্বলে। এটি ছিল বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তার প্রথম গোল।

এরপর অলিসে ও দেম্বলেকে তুলে বিশ্রাম দেন কোচ দেশম। এমবাপ্পেও যোগ করা সময়ে মাঠ ছাড়েন দর্শকদের করতালির মধ্যে। দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে ফ্রান্স। সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নরওয়ে। দুই ম্যাচ খেলে সেনেগাল আর ইরাক কোনো পয়েন্ট অর্জন করতে পারেনি।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খেলা থেকে আরও পড়ুন

ডারউইনে অবিশ্বাস্য বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়াকে নাস্তানাবুদ করে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

২ দিন আগে

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশের টার্গেট ৫৭

শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।

২ দিন আগে

ডারউইনে তৃতীয় দিন শেষে জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।

৩ দিন আগে

বাংলাদেশের রানের পাহাড়, অস্ট্রেলিয়াকে ২২৮ রানের লিড

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

৩ দিন আগে