
ক্রীড়া ডেস্ক

২০ বছর পর এসেছিল সুযোগ। ম্যাচে এগিয়েও গিয়েছিল শুরুতেই। দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে খেলায় ফেরে সমতা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিট যোগ করেও ১-১ ডেডলক ভাঙেনি। শেষ পর্যন্ত দ্বারস্থ টাইব্রেকারের। সেখানেই স্বপ্নভঙ্গ উত্তর লন্ডনের ক্লাব আর্সেনালের। ৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচ হারল আর্সেনাল। পিএসজি টানা দ্বিতীয়বারের মতো জিতল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের ইউরোপসেরার খেতাব ঘরে তুলল পিএসজি।
শনিবার (৩০ মে) রাতে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্সেনাল ও পিএসজি। ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠে প্রথমবারের মতো শিরোপায় নজর রেখেছিল আর্সেনাল। অন্যদিকে শিরোপা ডিফেন্ড করতে নেমেছিল পিএসজি।
আর্সেনালের জন্য ফাইনালের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় পিএসজির রক্ষণভাগের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত এক শটে গানারদের লিড এনে দেন কাই হাভার্টজ। এরপর পুরো ম্যাচেই রক্ষণের দেয়াল তুলে রাখে আর্সেনাল। পিএসজি পুরো মাঠে দাপট দেখালেও গোলবারে শটই নিতে পারেনি আর্সেনালের রক্ষণের দক্ষতায়।
বিরতির পর আক্রমণ আরও বাড়ায় পিএসজি। ৬২ মিনিটে উসমান দেম্বেলের সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢোকার মুখে খভিচা কাভারাতসখেলিয়াকে পেছন থেকে ফাউল করেন ক্রিস্টিয়ান মসকেরা। রেফারি দেন পেনাল্টি। ডেভিড রায়াকে ভুল দিকে ডাইভ করিয়ে পিএসজিকে সমতায় ফেরান দেম্বেলে।
এরপর অতিরিক্ত সময়ে দুদলই খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছে, খেলার কৌশলেও পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু ৯০ মিনিট শেষে ১২০ মিনিটেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। তাতে শিরোপার ভাগ্যনির্ধারণ গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই পিএসজিকে এগিয়ে নেন গনসালো রামোস। আর্সেনালের হয়েও ঠান্ডা মাথায় প্রথম পেনাল্টিতে সফল ভিক্টর গিয়োকেরেস। পিএসজির হয়ে দ্বিতীয় কিক থেকে তরুণ ফরোয়ার্ড দুয়ে লক্ষ্যভেদ করেন। আর্সেনালের পক্ষে দ্বিতীয় শটটি গোলবারের বাইরে পাঠিয়ে দেন এবেরেচি এজে। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।
পরের শটেই নুনো মেন্দেসের নেওয়া কিক রুখে দিয়ে গানারদের ম্যাচে ফেরান গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। ডেক্লান রাইস অত্যন্ত নিখুঁত শটে স্কোর করলে তৃতীয় রাউন্ড শেষে ২-২ সমতায় ফেরে ম্যাচ। চতুর্থ শটে পিএসজির হয়ে আশরাফ হাকিমি আর আর্সেনালের হয়ে গাব্রিয়েল মার্তিনেলিও বল জালে জড়ালে স্কোরলাইন ৩-৩ সমতায় আসে।
নির্ধারিত পঞ্চম ও শেষ রাউন্ডে পিএসজির পক্ষে লুকাস বেরালদো ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান। আর্সেনালির হয়ে শেষ শটটি নিতে আসেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল মাগালায়েস। কিন্তু চাপ নিতে পারেননি তিনি। ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে তার শট গ্যালারির দিকে ছুটলে আর্সেনাল দলসহ গ্যালারিতে গানার সমর্থকরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পাঁচ রাউন্ড শেষে ৪-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত হয় পিএসজির।
ইউরোপসেরার মঞ্চে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ ঘটল আর্সেনালের। ১৯৮০ সালে ইউরোপিয়ান কাপ উইনারস ফাইনালে স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল তারা। পরে ২০০০ সালে উয়েফা কাপের ফাইনালেও তুরস্কের গ্যালাতাসারাইয়ের কাছে টাইব্রেকারে হার মানে গানাররা।
এদিকে ২০০৫-০৬ মৌসুমেও চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছিল আর্সেনাল। সেবার বার্সেলোনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে রানার-আপ ট্রাফিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। এবারও একই ভাগ্য বরণ করতে হলো তাদের। ইউরোপসেরা হওয়া হলো না, প্রথমবারের মতো ইংলিশ লিগ আর চ্যাম্পিয়নস লিগের ডাবলও তোলা হলো না ঘরে। পিএসজির ঘরেই থেকে গেল ইউরোপসেরার শিরোপা।

২০ বছর পর এসেছিল সুযোগ। ম্যাচে এগিয়েও গিয়েছিল শুরুতেই। দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে খেলায় ফেরে সমতা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিট যোগ করেও ১-১ ডেডলক ভাঙেনি। শেষ পর্যন্ত দ্বারস্থ টাইব্রেকারের। সেখানেই স্বপ্নভঙ্গ উত্তর লন্ডনের ক্লাব আর্সেনালের। ৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচ হারল আর্সেনাল। পিএসজি টানা দ্বিতীয়বারের মতো জিতল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের ইউরোপসেরার খেতাব ঘরে তুলল পিএসজি।
শনিবার (৩০ মে) রাতে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্সেনাল ও পিএসজি। ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠে প্রথমবারের মতো শিরোপায় নজর রেখেছিল আর্সেনাল। অন্যদিকে শিরোপা ডিফেন্ড করতে নেমেছিল পিএসজি।
আর্সেনালের জন্য ফাইনালের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় পিএসজির রক্ষণভাগের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত এক শটে গানারদের লিড এনে দেন কাই হাভার্টজ। এরপর পুরো ম্যাচেই রক্ষণের দেয়াল তুলে রাখে আর্সেনাল। পিএসজি পুরো মাঠে দাপট দেখালেও গোলবারে শটই নিতে পারেনি আর্সেনালের রক্ষণের দক্ষতায়।
বিরতির পর আক্রমণ আরও বাড়ায় পিএসজি। ৬২ মিনিটে উসমান দেম্বেলের সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢোকার মুখে খভিচা কাভারাতসখেলিয়াকে পেছন থেকে ফাউল করেন ক্রিস্টিয়ান মসকেরা। রেফারি দেন পেনাল্টি। ডেভিড রায়াকে ভুল দিকে ডাইভ করিয়ে পিএসজিকে সমতায় ফেরান দেম্বেলে।
এরপর অতিরিক্ত সময়ে দুদলই খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছে, খেলার কৌশলেও পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু ৯০ মিনিট শেষে ১২০ মিনিটেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। তাতে শিরোপার ভাগ্যনির্ধারণ গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই পিএসজিকে এগিয়ে নেন গনসালো রামোস। আর্সেনালের হয়েও ঠান্ডা মাথায় প্রথম পেনাল্টিতে সফল ভিক্টর গিয়োকেরেস। পিএসজির হয়ে দ্বিতীয় কিক থেকে তরুণ ফরোয়ার্ড দুয়ে লক্ষ্যভেদ করেন। আর্সেনালের পক্ষে দ্বিতীয় শটটি গোলবারের বাইরে পাঠিয়ে দেন এবেরেচি এজে। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।
পরের শটেই নুনো মেন্দেসের নেওয়া কিক রুখে দিয়ে গানারদের ম্যাচে ফেরান গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। ডেক্লান রাইস অত্যন্ত নিখুঁত শটে স্কোর করলে তৃতীয় রাউন্ড শেষে ২-২ সমতায় ফেরে ম্যাচ। চতুর্থ শটে পিএসজির হয়ে আশরাফ হাকিমি আর আর্সেনালের হয়ে গাব্রিয়েল মার্তিনেলিও বল জালে জড়ালে স্কোরলাইন ৩-৩ সমতায় আসে।
নির্ধারিত পঞ্চম ও শেষ রাউন্ডে পিএসজির পক্ষে লুকাস বেরালদো ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান। আর্সেনালির হয়ে শেষ শটটি নিতে আসেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল মাগালায়েস। কিন্তু চাপ নিতে পারেননি তিনি। ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে তার শট গ্যালারির দিকে ছুটলে আর্সেনাল দলসহ গ্যালারিতে গানার সমর্থকরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পাঁচ রাউন্ড শেষে ৪-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত হয় পিএসজির।
ইউরোপসেরার মঞ্চে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ ঘটল আর্সেনালের। ১৯৮০ সালে ইউরোপিয়ান কাপ উইনারস ফাইনালে স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল তারা। পরে ২০০০ সালে উয়েফা কাপের ফাইনালেও তুরস্কের গ্যালাতাসারাইয়ের কাছে টাইব্রেকারে হার মানে গানাররা।
এদিকে ২০০৫-০৬ মৌসুমেও চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছিল আর্সেনাল। সেবার বার্সেলোনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে রানার-আপ ট্রাফিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। এবারও একই ভাগ্য বরণ করতে হলো তাদের। ইউরোপসেরা হওয়া হলো না, প্রথমবারের মতো ইংলিশ লিগ আর চ্যাম্পিয়নস লিগের ডাবলও তোলা হলো না ঘরে। পিএসজির ঘরেই থেকে গেল ইউরোপসেরার শিরোপা।

স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। নতুন চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও বেতন নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে।
৪ দিন আগে
রোনালদোর সঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন আর্সেনাল ও ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। একসময় মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও এবার তারা একই প্রজেক্টে কাজ করবেন।
৪ দিন আগে
নতুন মৌসুমের সূচনা হবে স্প্যানিশ লা লিগা দিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট উদ্বোধনী ম্যাচে আলাভেসের মুখোমুখি হবে গেতাফে।
৬ দিন আগে
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেছেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওটামেন্ডি। স্পেনের বিপক্ষে অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় লড়াই ফিনালিসিমায় (বা সাম্প্রতিক ফাইনাল ম্যাচ) ১-০ গোলের হারের স্মৃতি
৭ দিন আগে