
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল ইরান। এবার আর কোনো রাখঢাক না করে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বিরুদ্ধেই তোপ দাগলেন দলটির অধিনায়ক মেহদি তারেমি। চলতি বিশ্বকাপকে ‘চূড়ান্ত বিপর্যয়’ আখ্যা দিয়ে তার অভিযোগ, শুরু থেকেই ইরানের সঙ্গে অন্যায় করেছে ফিফা।
মিসরের বিপক্ষে জিতলেই শেষ বত্রিশ নিশ্চিত হতো ইরানের। কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোল বাতিল হওয়ায় ১-১ গোলের ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দলটিকে। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থাকা ইরানের ভাগ্য এখন নির্ভর করছে অন্য দলগুলোর ফলাফলের ওপর। এমন হতাশার দিনেই ফিফার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তারেমি।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তারেমি বলেছেন, ‘টুর্নামেন্ট হিসেবে এই বিশ্বকাপ একটি চূড়ান্ত বিপর্যয়। সব সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব ছিল ফিফার, কিন্তু শুরু থেকেই তারা সেটি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের সাথে প্রথম ম্যাচের পর ফিফা প্রেসিডেন্ট আমাদের ড্রেসিংরুমে এসে বলেছিলেন, মাত্র তো বিশ্বকাপ শুরু হলো। কিন্তু এখন তো গ্রুপ পর্বই শেষ হয়ে গেলো’।
এবারের বিশ্বকাপে একদম শুরু থেকেই নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছে ইরান। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র ১০ দিন আগে দলটি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেয়েছে। তাও কোচিং ও সাপোর্ট স্টাফের অনেকে ভিসা পাননি। ফলে আরিজোনা থেকে বেসক্যাম্প সরিয়ে নিতে হয়েছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। এরপর দলটির ওপর দেওয়া হয় ভ্রমণ-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ। প্রতিটি ম্যাচের এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই আবার মেক্সিকোতে ফিরতে হয়েছে ইরানকে। এতে দলটির প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এত সব কিছুর পরও ফিফার নিরুত্তাপ ভূমিকা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি তারেমি। তিনি বলেন, ‘যে মানুষগুলো আমাদের লজিস্টিকস সহায়তা দেয়, তাদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হয়নি। প্রতিবার তিজুয়ানা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলা, এটা কীভাবে সম্ভব? আমরা মেক্সিকো ও তিজুয়ানার মানুষকে ভালোবাসি, কিন্তু একটা পেশাদার টুর্নামেন্টে পেশাদার খেলোয়াড়দের সাথে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’।
ফিফা ইরানের সঙ্গে অবিচার করেছে— এমন সরাসরি অভিযোগও তুলেছেন তারেমি। তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথে যা হয়েছে তা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়। ফিফার কাছে কি এটা ন্যায়সঙ্গত মনে হচ্ছে? তারা যদি চায় আমরা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে যাই, তাহলে ঠিক আছে, আমরা বিদায়ই নিয়ে নিচ্ছি। আমরা প্রতিবার এসব নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি, কিন্তু আমাদের সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসেনি’।
মিসরের বিপক্ষে ড্রয়ের পর ইরানের ভাগ্য এখন আর নিজেদের হাতে নেই। গ্রুপ ‘জে’তে আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচ যদি ড্র হয়, গ্রুপ ‘এল’-এ ক্রোয়েশিয়া-ঘানা ম্যাচও যদি ড্র হয়, আর ডিআর কঙ্গো যদি হারিয়ে দেয় উজবেকিস্তানকে, তাহলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে ইরানের।

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল ইরান। এবার আর কোনো রাখঢাক না করে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বিরুদ্ধেই তোপ দাগলেন দলটির অধিনায়ক মেহদি তারেমি। চলতি বিশ্বকাপকে ‘চূড়ান্ত বিপর্যয়’ আখ্যা দিয়ে তার অভিযোগ, শুরু থেকেই ইরানের সঙ্গে অন্যায় করেছে ফিফা।
মিসরের বিপক্ষে জিতলেই শেষ বত্রিশ নিশ্চিত হতো ইরানের। কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোল বাতিল হওয়ায় ১-১ গোলের ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দলটিকে। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থাকা ইরানের ভাগ্য এখন নির্ভর করছে অন্য দলগুলোর ফলাফলের ওপর। এমন হতাশার দিনেই ফিফার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তারেমি।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তারেমি বলেছেন, ‘টুর্নামেন্ট হিসেবে এই বিশ্বকাপ একটি চূড়ান্ত বিপর্যয়। সব সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব ছিল ফিফার, কিন্তু শুরু থেকেই তারা সেটি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের সাথে প্রথম ম্যাচের পর ফিফা প্রেসিডেন্ট আমাদের ড্রেসিংরুমে এসে বলেছিলেন, মাত্র তো বিশ্বকাপ শুরু হলো। কিন্তু এখন তো গ্রুপ পর্বই শেষ হয়ে গেলো’।
এবারের বিশ্বকাপে একদম শুরু থেকেই নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছে ইরান। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র ১০ দিন আগে দলটি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেয়েছে। তাও কোচিং ও সাপোর্ট স্টাফের অনেকে ভিসা পাননি। ফলে আরিজোনা থেকে বেসক্যাম্প সরিয়ে নিতে হয়েছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। এরপর দলটির ওপর দেওয়া হয় ভ্রমণ-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ। প্রতিটি ম্যাচের এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই আবার মেক্সিকোতে ফিরতে হয়েছে ইরানকে। এতে দলটির প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এত সব কিছুর পরও ফিফার নিরুত্তাপ ভূমিকা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি তারেমি। তিনি বলেন, ‘যে মানুষগুলো আমাদের লজিস্টিকস সহায়তা দেয়, তাদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হয়নি। প্রতিবার তিজুয়ানা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলা, এটা কীভাবে সম্ভব? আমরা মেক্সিকো ও তিজুয়ানার মানুষকে ভালোবাসি, কিন্তু একটা পেশাদার টুর্নামেন্টে পেশাদার খেলোয়াড়দের সাথে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’।
ফিফা ইরানের সঙ্গে অবিচার করেছে— এমন সরাসরি অভিযোগও তুলেছেন তারেমি। তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথে যা হয়েছে তা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়। ফিফার কাছে কি এটা ন্যায়সঙ্গত মনে হচ্ছে? তারা যদি চায় আমরা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে যাই, তাহলে ঠিক আছে, আমরা বিদায়ই নিয়ে নিচ্ছি। আমরা প্রতিবার এসব নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি, কিন্তু আমাদের সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসেনি’।
মিসরের বিপক্ষে ড্রয়ের পর ইরানের ভাগ্য এখন আর নিজেদের হাতে নেই। গ্রুপ ‘জে’তে আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচ যদি ড্র হয়, গ্রুপ ‘এল’-এ ক্রোয়েশিয়া-ঘানা ম্যাচও যদি ড্র হয়, আর ডিআর কঙ্গো যদি হারিয়ে দেয় উজবেকিস্তানকে, তাহলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে ইরানের।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে