
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ–ভারত ফুটবল দ্বৈরথ আবারও উত্তেজনার সঙ্গে ফিরে এসেছে। তবে লাল-সবুজরা ভারতের বিপক্ষে দীর্ঘ ২২ বছরের জয়ের অভাবের আক্ষেপ আজ ঢাকায় দূর করতে চায়।
আজ রাত ৮টায় বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি শুরু হবে। এটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস, এছাড়াও অনলাইনে বঙ্গবিডির সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে খেলা দেখা যাবে।
এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচের আগে আবেগের প্রকাশ ঘটালেন বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এটা অনেক আবেগের ম্যাচ, হাইভোল্টেজ ম্যাচ।
বছরটা যদি জয় দিয়ে শেষ করতে পারি, তা শুধু আমাদের জন্য নয়, সমর্থক এবং সবার জন্যই ইতিবাচক হবে। তাই আমার জন্য ম্যাচটি আবেগের, একই সঙ্গে মস্তিষ্ক ব্যবহার করে খেলতে হবে।
ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, দুই দেশের ২৭টি স্বীকৃত ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ১১ বার, বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ৩ বার, বাকি ১৩ ম্যাচ ড্র হয়েছে।
সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে চারটি ড্র এবং একটি ভারতীয় জয় রয়েছে। বাংলাদেশের শেষ জয়টি এসেছে ২০০৩ সালে ঢাকা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে।
এর আগে, চলতি বছরের মার্চে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে, যেখানে গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। সেই ম্যাচে লাল-সবুজ জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল হামজা চৌধুরীর।

বাংলাদেশ–ভারত ফুটবল দ্বৈরথ আবারও উত্তেজনার সঙ্গে ফিরে এসেছে। তবে লাল-সবুজরা ভারতের বিপক্ষে দীর্ঘ ২২ বছরের জয়ের অভাবের আক্ষেপ আজ ঢাকায় দূর করতে চায়।
আজ রাত ৮টায় বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি শুরু হবে। এটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস, এছাড়াও অনলাইনে বঙ্গবিডির সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে খেলা দেখা যাবে।
এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচের আগে আবেগের প্রকাশ ঘটালেন বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এটা অনেক আবেগের ম্যাচ, হাইভোল্টেজ ম্যাচ।
বছরটা যদি জয় দিয়ে শেষ করতে পারি, তা শুধু আমাদের জন্য নয়, সমর্থক এবং সবার জন্যই ইতিবাচক হবে। তাই আমার জন্য ম্যাচটি আবেগের, একই সঙ্গে মস্তিষ্ক ব্যবহার করে খেলতে হবে।
ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, দুই দেশের ২৭টি স্বীকৃত ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ১১ বার, বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ৩ বার, বাকি ১৩ ম্যাচ ড্র হয়েছে।
সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে চারটি ড্র এবং একটি ভারতীয় জয় রয়েছে। বাংলাদেশের শেষ জয়টি এসেছে ২০০৩ সালে ঢাকা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে।
এর আগে, চলতি বছরের মার্চে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে, যেখানে গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। সেই ম্যাচে লাল-সবুজ জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল হামজা চৌধুরীর।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৫ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
৫ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৬ দিন আগে