
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীতে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ২০০১ সালের সন্ত্রাসী হামলার স্মৃতিকে সামনে রেখে তারা ইরান যুদ্ধকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’র ধারাবাহিকতা হিসেবে তুলে ধরেছেন।
সাধারণত ১১ সেপ্টেম্বরের স্মরণ অনুষ্ঠানগুলোতে হামলায় নিহতদের স্মরণ, তাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াই মূল বিষয় থাকে। কিন্তু শুক্রবার পেন্টাগনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ও হেগসেথ দুজনই ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধকে তাদের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বানান।
ট্রাম্প বলেন, ৯/১১-এর পর ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ দায়িত্ব পালন করা মার্কিন সামরিক সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। এরপর তিনি ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সেনারা এখনো কাজ করছে।
পেন্টাগনেই ৯/১১ হামলার একটি বিমান আঘাত হেনেছিল। ওই ঘটনায় বিমানে থাকা ৬৪ জন এবং ভবনের ভেতরে থাকা ১২৫ জন নিহত হন।
বক্তৃতার শেষদিকে ট্রাম্প আরও সরাসরি ৯/১১-এর সঙ্গে ইরান যুদ্ধের যোগসূত্র টানেন। বলেন, ২৫ বছর আগে নিহতদের নামে যে ‘পবিত্র শপথ’ নেওয়া হয়েছিল, আজ তা আবারও নবায়ন করা হচ্ছে। এরপর তার বক্তব্য, ‘সেই কারণেই আমরা আজ লড়াই করছি। আমাদের কোনো বিকল্প নেই। জয় ছাড়া আর কিছু হতে পারে না।’
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধটি যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হলেও ট্রাম্প সেটিকে ৯/১১-পরবর্তী নিরাপত্তা লড়াইয়ের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেন।
‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ এখনো শেষ হয়নি: হেগসেথ
পেন্টাগনের স্মরণসভায় আরও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে এমন একটি ‘ইসলামি ধর্মতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেন, যে প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ধ্বংস কামনা করে আসছে।
হেগসেথ দাবি করেন, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘ধ্বংস হয়ে গেছে’। যদিও যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন তথ্য এই দাবির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো সন্ত্রাসীদের ‘যেখানে তাদের থাকা উচিত সেখানে— নরকে’ পাঠাচ্ছে এবং ‘যেখানে থাকা উচিত সেখানে— সমুদ্রের তলায়’ ট্যাংকার পাঠাচ্ছে। একই সঙ্গে ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি।
হেগসেথের ভাষায়, ‘অশুভের বিরুদ্ধে সংগ্রাম’ অব্যাহত ছিল এবং এখনো চলছে; বিচারের দিন পর্যন্ত তা চলবে। পৃথিবীতে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র উত্তর হলো ‘চিরস্থায়ী সতর্কতা’।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও হুমকি রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, বিদেশি ও দেশীয় ইসলামি সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন শত্রু মার্কিন শক্তি সীমিত করা এবং দেশটির নাগরিকদের হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।
এরপর হেগসেথ ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার কৃতিত্ব ট্রাম্পকে দেন। বক্তব্যের শেষে তিনি নতুন প্রজন্মের ‘শক্তিশালী ও সাহসী যোদ্ধা’ তৈরির আহ্বান জানান, যারা প্রয়োজনের মুহূর্তে দেশের হয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত থাকবে।
বিতর্কিত যুদ্ধের সঙ্গে ৯/১১-এর যোগসূত্র
ট্রাম্পের পেন্টাগনে উপস্থিতি নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। তিনি ওয়াশিংটনেই ছিলেন, অন্যদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসাবশেষের স্থান গ্রাউন্ড জিরোর স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তবে ট্রাম্প ও হেগসেথের বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল ৯/১১-এর স্মৃতিকে বর্তমান ইরান যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত করা।
২০০১ সালের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ পরিচালনা করেছে। সেই একই রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতায় ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান যুদ্ধকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প ও তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
তাদের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে সন্ত্রাস, ইসলামি জঙ্গিবাদ, জাতীয় নিরাপত্তা, পারমাণবিক অস্ত্র এবং সামরিক শক্তি। ফলে ৯/১১-এর ২৫ বছর পরের স্মরণ অনুষ্ঠান শুধু অতীতের নিহতদের স্মরণে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং বর্তমান যুদ্ধের রাজনৈতিক বৈধতা প্রতিষ্ঠার মঞ্চ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে।
আর ট্রাম্পের ভাষায়, সেই যুদ্ধের শেষও কেবল ‘জয়ে’র মধ্য দিয়ে— অর্থাৎ ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান শেষ করার বদলে তা চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক সংকল্পই সেখানে বেশি স্পষ্ট হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীতে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ২০০১ সালের সন্ত্রাসী হামলার স্মৃতিকে সামনে রেখে তারা ইরান যুদ্ধকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’র ধারাবাহিকতা হিসেবে তুলে ধরেছেন।
সাধারণত ১১ সেপ্টেম্বরের স্মরণ অনুষ্ঠানগুলোতে হামলায় নিহতদের স্মরণ, তাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াই মূল বিষয় থাকে। কিন্তু শুক্রবার পেন্টাগনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ও হেগসেথ দুজনই ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধকে তাদের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বানান।
ট্রাম্প বলেন, ৯/১১-এর পর ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ দায়িত্ব পালন করা মার্কিন সামরিক সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। এরপর তিনি ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সেনারা এখনো কাজ করছে।
পেন্টাগনেই ৯/১১ হামলার একটি বিমান আঘাত হেনেছিল। ওই ঘটনায় বিমানে থাকা ৬৪ জন এবং ভবনের ভেতরে থাকা ১২৫ জন নিহত হন।
বক্তৃতার শেষদিকে ট্রাম্প আরও সরাসরি ৯/১১-এর সঙ্গে ইরান যুদ্ধের যোগসূত্র টানেন। বলেন, ২৫ বছর আগে নিহতদের নামে যে ‘পবিত্র শপথ’ নেওয়া হয়েছিল, আজ তা আবারও নবায়ন করা হচ্ছে। এরপর তার বক্তব্য, ‘সেই কারণেই আমরা আজ লড়াই করছি। আমাদের কোনো বিকল্প নেই। জয় ছাড়া আর কিছু হতে পারে না।’
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধটি যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হলেও ট্রাম্প সেটিকে ৯/১১-পরবর্তী নিরাপত্তা লড়াইয়ের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেন।
‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ এখনো শেষ হয়নি: হেগসেথ
পেন্টাগনের স্মরণসভায় আরও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে এমন একটি ‘ইসলামি ধর্মতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেন, যে প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ধ্বংস কামনা করে আসছে।
হেগসেথ দাবি করেন, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘ধ্বংস হয়ে গেছে’। যদিও যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন তথ্য এই দাবির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো সন্ত্রাসীদের ‘যেখানে তাদের থাকা উচিত সেখানে— নরকে’ পাঠাচ্ছে এবং ‘যেখানে থাকা উচিত সেখানে— সমুদ্রের তলায়’ ট্যাংকার পাঠাচ্ছে। একই সঙ্গে ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি।
হেগসেথের ভাষায়, ‘অশুভের বিরুদ্ধে সংগ্রাম’ অব্যাহত ছিল এবং এখনো চলছে; বিচারের দিন পর্যন্ত তা চলবে। পৃথিবীতে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র উত্তর হলো ‘চিরস্থায়ী সতর্কতা’।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও হুমকি রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, বিদেশি ও দেশীয় ইসলামি সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন শত্রু মার্কিন শক্তি সীমিত করা এবং দেশটির নাগরিকদের হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।
এরপর হেগসেথ ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার কৃতিত্ব ট্রাম্পকে দেন। বক্তব্যের শেষে তিনি নতুন প্রজন্মের ‘শক্তিশালী ও সাহসী যোদ্ধা’ তৈরির আহ্বান জানান, যারা প্রয়োজনের মুহূর্তে দেশের হয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত থাকবে।
বিতর্কিত যুদ্ধের সঙ্গে ৯/১১-এর যোগসূত্র
ট্রাম্পের পেন্টাগনে উপস্থিতি নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। তিনি ওয়াশিংটনেই ছিলেন, অন্যদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসাবশেষের স্থান গ্রাউন্ড জিরোর স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তবে ট্রাম্প ও হেগসেথের বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল ৯/১১-এর স্মৃতিকে বর্তমান ইরান যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত করা।
২০০১ সালের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ পরিচালনা করেছে। সেই একই রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতায় ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান যুদ্ধকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প ও তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
তাদের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে সন্ত্রাস, ইসলামি জঙ্গিবাদ, জাতীয় নিরাপত্তা, পারমাণবিক অস্ত্র এবং সামরিক শক্তি। ফলে ৯/১১-এর ২৫ বছর পরের স্মরণ অনুষ্ঠান শুধু অতীতের নিহতদের স্মরণে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং বর্তমান যুদ্ধের রাজনৈতিক বৈধতা প্রতিষ্ঠার মঞ্চ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে।
আর ট্রাম্পের ভাষায়, সেই যুদ্ধের শেষও কেবল ‘জয়ে’র মধ্য দিয়ে— অর্থাৎ ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান শেষ করার বদলে তা চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক সংকল্পই সেখানে বেশি স্পষ্ট হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই নিজেদের মধ্যে ঐক্যের বার্তা দিলো ব্রিকস। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, একতরফা বাণিজ্যনীতি ও সামরিক আগ্রাসনের বিরোধিতা করে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ১১ দেশের জোটটি। তবে দুই দিনের নয়াদিল্লি সম্মেলনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে থাকল— ব্রিকস কি সত্যিই পশ্চিমা
১৫ ঘণ্টা আগে
৪০টির বেশি পৃষ্ঠার ঘোষণায় ব্রিকস নেতারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দ্রুত অবনতিতে গভীর উদ্বেগ জানান। সংঘাত আরও বাড়াতে পারে— এমন যেকোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়ে তারা সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দেন। তবে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়ে
১৬ ঘণ্টা আগে