
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজা যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এলো, যখন পরিকল্পনার প্রথম ধাপের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ— বিশেষ করে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পূর্ণ যুদ্ধবিরতি এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে এই দ্বিতীয় ধাপটি শুরু থেকেই নানা জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানান, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় একটি অস্থায়ী টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি প্রশাসন গঠন করা হবে। এই প্রশাসনের মাধ্যমে গাজার নিরস্ত্রীকরণ ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর মূল লক্ষ্য হবে অনুমোদনহীন সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নেওয়া।
তবে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার শুরুতে হামাস তাদের অস্ত্র ত্যাগে অস্বীকৃতি জানালেও, গত অক্টোবরে তারা গাজার শাসনভার একটি টেকনোক্র্যাটিক কমিটির হাতে তুলে দিতে সম্মত হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসসহ বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর নেতারা বর্তমানে কায়রোতে অবস্থান করছেন। মিশরীয় সূত্রের বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এখন হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ। ইসরায়েলের আরও সেনা প্রত্যাহার এই নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত হলেও হামাস বলেছে, স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র ছাড়বে না।
এদিকে গাজা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর, কাতার ও তুরস্কের দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৫ সদস্যের প্রস্তাবিত এই ফিলিস্তিনি কমিটির নেতৃত্ব দেবেন আলি শাথ। তিনি পশ্চিমা সমর্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাবেক উপমন্ত্রী এবং শিল্পাঞ্চল উন্নয়নবিষয়ক দায়িত্বে ছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা এই কমিটির তত্ত্বাবধান করবে। যা অস্থায়ীভাবে গাজার শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গত অক্টোবর মাসে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছিল।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বোর্ড অব পিসের পক্ষে মাঠপর্যায়ে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন জাতিসংঘের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। এ ছাড়া বেসরকারি খাত ও এনজিও প্রতিনিধিদের নামও তালিকায় রয়েছে। তবে কমিটির মোট সদস্যসংখ্যা বা তাদের নাম প্রকাশ করেননি উইটকফ।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এক নেতা বলেন, গাজার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে— ‘এক ব্যবস্থা, এক আইন ও এক বৈধ অস্ত্র’ নীতির ভিত্তিতে।
এ ছাড়া আলি শাথ এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নতুন কমিটি প্রাথমিকভাবে গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে মনোযোগ দেবে। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা এর অন্যতম অগ্রাধিকার হবে। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন ভূমি তৈরির ধারণার মাধ্যমে গাজার পুনর্গঠন সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরবাড়ি পুরোপুরি পুনর্গঠনে অন্তত ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে; এমনকি এ সময়সীমা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

গাজা যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এলো, যখন পরিকল্পনার প্রথম ধাপের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ— বিশেষ করে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পূর্ণ যুদ্ধবিরতি এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে এই দ্বিতীয় ধাপটি শুরু থেকেই নানা জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানান, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় একটি অস্থায়ী টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি প্রশাসন গঠন করা হবে। এই প্রশাসনের মাধ্যমে গাজার নিরস্ত্রীকরণ ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর মূল লক্ষ্য হবে অনুমোদনহীন সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নেওয়া।
তবে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার শুরুতে হামাস তাদের অস্ত্র ত্যাগে অস্বীকৃতি জানালেও, গত অক্টোবরে তারা গাজার শাসনভার একটি টেকনোক্র্যাটিক কমিটির হাতে তুলে দিতে সম্মত হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসসহ বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর নেতারা বর্তমানে কায়রোতে অবস্থান করছেন। মিশরীয় সূত্রের বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এখন হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ। ইসরায়েলের আরও সেনা প্রত্যাহার এই নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত হলেও হামাস বলেছে, স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র ছাড়বে না।
এদিকে গাজা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর, কাতার ও তুরস্কের দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৫ সদস্যের প্রস্তাবিত এই ফিলিস্তিনি কমিটির নেতৃত্ব দেবেন আলি শাথ। তিনি পশ্চিমা সমর্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাবেক উপমন্ত্রী এবং শিল্পাঞ্চল উন্নয়নবিষয়ক দায়িত্বে ছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা এই কমিটির তত্ত্বাবধান করবে। যা অস্থায়ীভাবে গাজার শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গত অক্টোবর মাসে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছিল।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বোর্ড অব পিসের পক্ষে মাঠপর্যায়ে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন জাতিসংঘের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। এ ছাড়া বেসরকারি খাত ও এনজিও প্রতিনিধিদের নামও তালিকায় রয়েছে। তবে কমিটির মোট সদস্যসংখ্যা বা তাদের নাম প্রকাশ করেননি উইটকফ।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এক নেতা বলেন, গাজার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে— ‘এক ব্যবস্থা, এক আইন ও এক বৈধ অস্ত্র’ নীতির ভিত্তিতে।
এ ছাড়া আলি শাথ এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নতুন কমিটি প্রাথমিকভাবে গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে মনোযোগ দেবে। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা এর অন্যতম অগ্রাধিকার হবে। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন ভূমি তৈরির ধারণার মাধ্যমে গাজার পুনর্গঠন সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরবাড়ি পুরোপুরি পুনর্গঠনে অন্তত ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে; এমনকি এ সময়সীমা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এই শুল্ক ১ জুন থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে এবং গ্রিনল্যান্ড কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
১ দিন আগে
উনিশ শতকে আমেরিকা একটি ভয়ানক দর্শন বিশ্বাস করত— ম্যানিফেস্ট ডেস্টিনি। সৃষ্টিকর্তা তাদের আটলান্টিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত পুরো মহাদেশ দখল করার অধিকার দিয়েছেন বলে মনে করত দেশটি। ২০২৬ সালে এসেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাত ধরে সেই পুরনো, হিংস্র ও বর্ণবাদী দর্শনই ফিরে এক নতুন ও দানবীয় রূপে।
২ দিন আগে
ইরানি কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য ক্রমেই বিদেশি শক্তিগুলোকে দায়ী করছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অস্থিরতা উসকে দিয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
২ দিন আগে
ইরানে চলমান সরকারবিবোধী বিক্ষোভে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সহিংসতায় আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএর বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
২ দিন আগে