
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গভীর রাতে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়জন পরমাণু বিজ্ঞানীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইরান। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান। ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানও পালটা জবাব হিসেবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরের দিকে ইসরায়েল হামলা চালায় ইরানে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরাক-ইরান যুদ্ধের পর এত বেশি হামলার শিকার আর কখনো হয়নি ইরান।
হামলার পরপরই ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এইওআইর সাবেক প্রধান ফেরেয়দুন আব্বাসির মৃত্যুর তথ্য জানা যায়। পরে সবশেষ ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরান কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের মধ্যে মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তেহরানের ইসলামিক আজাদ ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিহতের তালিকায় আরও আছেন আব্দোলহামিদ মিনৌচেহর, আহমাদ রেজা জোলফাঘারি ও আমিরহোসেইন ফেকহি। তাদের প্রত্যেকেই তেহরানের শহীদ বেহেশতি ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ছিলেন।
হামলায় নিহত ষষ্ঠ পরমাণু বিজ্ঞানীর পুরো নাম এখনো প্রকাশ করেনি ইরান কর্তৃপক্ষ। শুধু তার পদবি ‘মোতাল্লেবিজাদেহ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও এ হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি প্রাণ হারিয়েছেন। আরও নিহত হয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার হোসেইন সালামি। খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার ঘোলামালি রশীদের নিহত হওয়ার তথ্যও নিশ্চিত করেছে ইরান।
এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডিফ্রিন দাবি করেছেন, ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে এক শ ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। তারা সেগুলো প্রতিহত করতে কাজ করছেন।
ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী, রেভল্যুশনারি গার্ড ও ইমার্জেন্সি কমান্ডের কমান্ডার নিহত হওয়ার কথাও জানান তিনি। ওই হামলার পরপরই পালটা হামলার আশঙ্কায় নিজেদের দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইসরায়েলি সরকার।

গভীর রাতে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়জন পরমাণু বিজ্ঞানীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইরান। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান। ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানও পালটা জবাব হিসেবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরের দিকে ইসরায়েল হামলা চালায় ইরানে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরাক-ইরান যুদ্ধের পর এত বেশি হামলার শিকার আর কখনো হয়নি ইরান।
হামলার পরপরই ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এইওআইর সাবেক প্রধান ফেরেয়দুন আব্বাসির মৃত্যুর তথ্য জানা যায়। পরে সবশেষ ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরান কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের মধ্যে মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তেহরানের ইসলামিক আজাদ ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিহতের তালিকায় আরও আছেন আব্দোলহামিদ মিনৌচেহর, আহমাদ রেজা জোলফাঘারি ও আমিরহোসেইন ফেকহি। তাদের প্রত্যেকেই তেহরানের শহীদ বেহেশতি ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ছিলেন।
হামলায় নিহত ষষ্ঠ পরমাণু বিজ্ঞানীর পুরো নাম এখনো প্রকাশ করেনি ইরান কর্তৃপক্ষ। শুধু তার পদবি ‘মোতাল্লেবিজাদেহ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও এ হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি প্রাণ হারিয়েছেন। আরও নিহত হয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার হোসেইন সালামি। খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার ঘোলামালি রশীদের নিহত হওয়ার তথ্যও নিশ্চিত করেছে ইরান।
এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডিফ্রিন দাবি করেছেন, ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে এক শ ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। তারা সেগুলো প্রতিহত করতে কাজ করছেন।
ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী, রেভল্যুশনারি গার্ড ও ইমার্জেন্সি কমান্ডের কমান্ডার নিহত হওয়ার কথাও জানান তিনি। ওই হামলার পরপরই পালটা হামলার আশঙ্কায় নিজেদের দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইসরায়েলি সরকার।

রুশ বাহিনীর এই ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সিএসআইএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো বৃহৎ শক্তির সেনাবাহিনী বিশ্বের কোথাও, কোনো যুদ্ধে এত বেশি হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিপি) চূড়ান্ত হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় দুই দশকের আলোচনার পর চূড়ান্ত হয়েছে এ চুক্তি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শুল্কযুদ্ধে’র প্রেক্ষাপটে এ চুক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। যু
১ দিন আগে
যেকোনো আগ্রাসনের মুখে 'দাঁতভাঙা জবাব' দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন এই রণতরী তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।
১ দিন আগে
গত সেপ্টেম্বরের পর থেকে চালানো অভিযানে নিহত ১২৬ জনের মধ্যে ১১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১০ জনের মরদেহ সাগরে ভেসে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তারা সবাই মার্কিন অভিযানের সময়ই নিহত হয়েছেন—এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
১ দিন আগে