
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার একটি বিতর্কিত বিল ইসরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে। যদিও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এর বিরোধিতা করেছেন, তবুও ১২০ আসনের নেসেটে ২৫-২৪ ভোটে বিলটির প্রথম ধাপ পাস হয়। বিলটি আইনে পরিণত হলে পশ্চিম তীর কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
তবে এই পদক্ষেপ দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথকে কার্যত বন্ধ করে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই বিলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হামাস, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ১২০ আসনের নেসেটে অনুষ্ঠিত ভোটে ২৫-২৪ ব্যবধানে বিলটির প্রথম ধাপ পাস হয়। এখন এটি আইনে পরিণত হতে আরও তিন দফা ভোটে অনুমোদন পেতে হবে। নেতানিয়াহু ও তার দল লিকুদ পার্টি বিরোধিতা করলেও সরকার-সমর্থক কয়েকজন জোটসঙ্গী এবং বিরোধী এমপিরা বিলটির পক্ষে ভোট দেন।
নেসেটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জুদিয়া ও সামারিয়া (অর্থাৎ পশ্চিম তীর) অঞ্চলে ইসরায়েল রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা’ করার লক্ষ্যেই এই বিল উত্থাপন করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুমোদনের পর এটি আরও আলোচনার জন্য সংসদের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটিতে পাঠানো হবে।
এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন এক সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক মাস আগেই ঘোষণা দেন যে ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর সংযুক্তির অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েল সফর করছেন।
এদিকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি এক বিবৃতিতে এই ভোটকে ‘বিরোধী দলের রাজনৈতিক উসকানি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সার্বভৌমত্ব শুধু কথার মাধ্যমে নয়, বরং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমেই অর্জন সম্ভব।’
বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হলে বহু আলোচিত দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হামাস, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা নেসেটের ফিলিস্তিনি ভূমি সংযুক্তির এই প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা এক অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড, যার ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই।’
হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই বিল দখলদার ইসরায়েলের উপনিবেশবাদী চেহারাকে আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। পশ্চিম তীর দখলের এই প্রচেষ্টা অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য।’
কাতারও একে ‘ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের প্রকাশ্য লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ’ বলে মন্তব্য করেছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বসতি স্থাপন ও সম্প্রসারণমূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে রিয়াদ।’ জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন, দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথে প্রতিবন্ধকতা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারে সরাসরি হস্তক্ষেপ।’
বর্তমানে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে সাত লাখেরও বেশি ইসরায়েলি অবৈধভাবে নির্মিত বসতিতে বসবাস করছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব বসতি অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার একটি বিতর্কিত বিল ইসরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে। যদিও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এর বিরোধিতা করেছেন, তবুও ১২০ আসনের নেসেটে ২৫-২৪ ভোটে বিলটির প্রথম ধাপ পাস হয়। বিলটি আইনে পরিণত হলে পশ্চিম তীর কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
তবে এই পদক্ষেপ দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথকে কার্যত বন্ধ করে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই বিলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হামাস, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ১২০ আসনের নেসেটে অনুষ্ঠিত ভোটে ২৫-২৪ ব্যবধানে বিলটির প্রথম ধাপ পাস হয়। এখন এটি আইনে পরিণত হতে আরও তিন দফা ভোটে অনুমোদন পেতে হবে। নেতানিয়াহু ও তার দল লিকুদ পার্টি বিরোধিতা করলেও সরকার-সমর্থক কয়েকজন জোটসঙ্গী এবং বিরোধী এমপিরা বিলটির পক্ষে ভোট দেন।
নেসেটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জুদিয়া ও সামারিয়া (অর্থাৎ পশ্চিম তীর) অঞ্চলে ইসরায়েল রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা’ করার লক্ষ্যেই এই বিল উত্থাপন করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুমোদনের পর এটি আরও আলোচনার জন্য সংসদের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটিতে পাঠানো হবে।
এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন এক সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক মাস আগেই ঘোষণা দেন যে ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর সংযুক্তির অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েল সফর করছেন।
এদিকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি এক বিবৃতিতে এই ভোটকে ‘বিরোধী দলের রাজনৈতিক উসকানি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সার্বভৌমত্ব শুধু কথার মাধ্যমে নয়, বরং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমেই অর্জন সম্ভব।’
বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হলে বহু আলোচিত দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হামাস, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা নেসেটের ফিলিস্তিনি ভূমি সংযুক্তির এই প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা এক অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড, যার ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই।’
হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই বিল দখলদার ইসরায়েলের উপনিবেশবাদী চেহারাকে আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। পশ্চিম তীর দখলের এই প্রচেষ্টা অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য।’
কাতারও একে ‘ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের প্রকাশ্য লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ’ বলে মন্তব্য করেছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বসতি স্থাপন ও সম্প্রসারণমূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে রিয়াদ।’ জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন, দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথে প্রতিবন্ধকতা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারে সরাসরি হস্তক্ষেপ।’
বর্তমানে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে সাত লাখেরও বেশি ইসরায়েলি অবৈধভাবে নির্মিত বসতিতে বসবাস করছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব বসতি অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র অপ্রয়োজনীয়ভাবে নোংরা, দূষিত এবং অস্বাস্থ্যকর বাতাসের আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে।" তিনি কানাডার বিরুদ্ধে 'ইচ্ছাকৃত অবহেলার' অভিযোগ তুলে নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দেন।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ইরানকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেই এই ধারাবাহিক অভিযান চালানো হচ্ছে। বিমান হামলার পাশাপাশি ইরানের কৌশলগত বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ কার্যকর করা শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
৭ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির নৌবাহিনীর দাবি, মাইনক্ষেত্রে প্রবেশের আগেই ট্যাঙ্কার দুটিকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে। একই সাথে তারা নাবিকদের নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ছড়ানো ‘বিভ্রান্তি’ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবারের নতুন এই নেতা আরও বলেন, পথ চলতে চলতে তিনি মানুষের কথা শুনেছেন, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন এবং সেই কারণেই আরও পরিণত হয়েছেন। এরপরই দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি জানি আমি কী বিশ্বাস করি এবং আমি কী করতে চাই। আই হ্যাভ আ প্ল্যান। লেবার পার্টির নতুন নেতা হিসেবে আমি আবারও মানুষের আশা ফিরিয়ে আনব।’
১৩ ঘণ্টা আগে