
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া। দেশটি ঘোষণা করেছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে তারা গ্যাসোলিন বা পেট্রোল রপ্তানি বন্ধ করবে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত রাখা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।
রাশিয়া সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দামে বড় ধরনের ওঠানামা হচ্ছে।
দেশটির ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে রাশিয়ার জ্বালানির চাহিদা এখনো শক্তিশালী রয়েছে। তবে সরকার এখন দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর। বৈঠকে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশনার ওপর, যেখানে বলা হয়েছে জ্বালানির দাম যেন পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি না বাড়ে।
রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে তেল পরিশোধনের হার স্থিতিশীল রয়েছে, যা ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মতোই। ফলে দেশের ভেতরে জ্বালানির সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই।
এ ছাড়া গ্যাসোলিন ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং রিফাইনারিগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে। তাই দেশের চাহিদা সহজেই মেটানো সম্ভব বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের নির্ধারিত লক্ষ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের জ্বালানির দাম যেন পূর্বাভাসের বাইরে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে সুরক্ষিত রাখা। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বাড়লে অনেক সময় দেশের ভেতরে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। তাই আগাম ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর সম্ভাব্য চাপ কমানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া। দেশটি ঘোষণা করেছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে তারা গ্যাসোলিন বা পেট্রোল রপ্তানি বন্ধ করবে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত রাখা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।
রাশিয়া সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দামে বড় ধরনের ওঠানামা হচ্ছে।
দেশটির ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে রাশিয়ার জ্বালানির চাহিদা এখনো শক্তিশালী রয়েছে। তবে সরকার এখন দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর। বৈঠকে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশনার ওপর, যেখানে বলা হয়েছে জ্বালানির দাম যেন পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি না বাড়ে।
রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে তেল পরিশোধনের হার স্থিতিশীল রয়েছে, যা ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মতোই। ফলে দেশের ভেতরে জ্বালানির সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই।
এ ছাড়া গ্যাসোলিন ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং রিফাইনারিগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে। তাই দেশের চাহিদা সহজেই মেটানো সম্ভব বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের নির্ধারিত লক্ষ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের জ্বালানির দাম যেন পূর্বাভাসের বাইরে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে সুরক্ষিত রাখা। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বাড়লে অনেক সময় দেশের ভেতরে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। তাই আগাম ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর সম্ভাব্য চাপ কমানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া।

ইতোমধ্যে চিবা প্রিফেকচার ও ইজু দ্বীপপুঞ্জসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। শনিবার থেকে কোনো কোনো এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার বিকেল থেকে কান্তো অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বহুগুণ বাড়তে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মামলাটির বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই জরুরি শুনানি হতে পারে জানিয়েছে সিএনএন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে স্বাভাবিক কর্মঘণ্টার বাইরে হোয়াইট হাউজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের দুই বোন উজমা খান ও নরিন নিয়াজিকে ৩০ দিনের জন্য আটক করা হয়েছে। সোমবার লাহোরের ডেপুটি কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয় তাদের আটকের আদেশ দেয়। আদেশ অনুযায়ী, উজমা ও নরিনকে লাহোরের কোট লাখপত কেন্দ্রীয় কারাগারের তত্ত্বাবধানে রাখা
১৯ ঘণ্টা আগে
পরে দুই দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানসহ বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও শোনা যায়।
২০ ঘণ্টা আগে