
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রি’ তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে অভিবাসন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার দেশের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কাউকেই তিনি রাখবেন না।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লিখেছেন। ওই পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার’ করার উদ্দেশ্যের কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন একদিন আগে হোয়াইট হাউজের কাছেই গুলিতে এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য নিহত হয়েছেনর। তদন্তকারীরা বলছেন, এ হামলায় অভিযুক্ত রহমানুল্লাহ লাখানওয়াল আফগানিস্তানের নাগরিক। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর আফগানদের জন্য বিশেষ অভিবাসন সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় তিনি ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, প্রযুক্তিগতভাবে আমরা অনেক অগ্রগতি করেছি। কিন্তু অভিবাসন নীতি সেই অর্জনকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে। আমি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ঢেলে সাজাব। এর জন্য তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করব।
ট্রাম্প এবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন জো বাইডেন। তার সময়কার অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ওই সময় অনুমোদন ছাড়াই লাখ লাখ মানুষ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘ঘুমন্ত বাইডেন’ অটোপেন দিয়ে অনেক অভিবাসীকে অনুমোদন করেছিলেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, এসব অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করবেন তিনি। যেসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্পদ নয় বা যুক্তরাষ্ট্রকে ভালোবাসতে পারবে না, তাদের তিনি অপসারণ করে ফেলবেন।
ট্রাম্প বলেন, আমাদের দেশের নাগরিক নয়— এমন ব্যক্তিদের জন্য সব ফেডারেল সুবিধা ও ভর্তুকি বন্ধ করব। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ব্যাহত করে— এমন অভিবাসীদের নাগরিকত্ব বাতিল করব। নিরাপত্তা ঝুঁকি বা পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ— এমন যেকোনো বিদেশিকে বহিষ্কার করব।
এর আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থার প্রধান জোসেফ এডলো জানিয়েছেন, বিশ্বের ১৯টি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের গ্রিনকার্ড পুনরায় যাচাইয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সুস্পষ্ট দিয়েছেন। ট্রাম্পের নির্দেশ— যেসব দেশ নিয়ে উদ্বেগ আছে, সেসব দেশ থেকে আসা প্রতিটি বিদেশির গ্রিন কার্ড পূর্ণাঙ্গ ও কঠোরভাবে পুনরায় পর্যালোচনা করতে হবে।
গত জুন মাসে এক ঘোষণায় ১২টি দেশের নাগরিকদের প্রবেশে ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশগুলো হলো— আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাঁদ, কঙ্গো, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন।
এ ছাড়া আরও সাতটি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়া হয়। সেগুলো হলো— বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা। হোয়াইট হাউজের ইঙ্গিত, এই ১৯টি দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ডই আবার পর্যালোচনা করবে ট্রাম্প প্রশাসন।
অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর মাধ্যমেই নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করেন ট্রাম্প। বলেন, এ কাজগুলোর উদ্দেশ্য অবৈধ ও অস্থিতিশীল জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, যার মধ্যে অননুমোদিত ও অবৈধ অটোপেন অনুমোদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রবেশকারীরাও রয়েছে। ‘রিভার্স মাইগ্রেশনে’র মাধ্যমেই কেবল এ পরিস্থিতির সম্পূর্ণ সমাধান সম্ভব।
সবাইকে ‘থ্যাংকসগিভিং ডে’র শুভেচ্ছা জানালেও যারা ‘ঘৃণা করে, চুরি করে, হত্যা করে এবং আমেরিকার মূল্যবোধ ধ্বংস করে’ তাদের এ দিবসের শুভেচ্ছা জানাননি ট্রাম্প। তাদের উদ্দেশে বরং স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘তোমরা এখানে বেশি দিন থাকবে না!’

‘থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রি’ তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে অভিবাসন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার দেশের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কাউকেই তিনি রাখবেন না।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লিখেছেন। ওই পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার’ করার উদ্দেশ্যের কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন একদিন আগে হোয়াইট হাউজের কাছেই গুলিতে এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য নিহত হয়েছেনর। তদন্তকারীরা বলছেন, এ হামলায় অভিযুক্ত রহমানুল্লাহ লাখানওয়াল আফগানিস্তানের নাগরিক। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর আফগানদের জন্য বিশেষ অভিবাসন সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় তিনি ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, প্রযুক্তিগতভাবে আমরা অনেক অগ্রগতি করেছি। কিন্তু অভিবাসন নীতি সেই অর্জনকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে। আমি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ঢেলে সাজাব। এর জন্য তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করব।
ট্রাম্প এবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন জো বাইডেন। তার সময়কার অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ওই সময় অনুমোদন ছাড়াই লাখ লাখ মানুষ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘ঘুমন্ত বাইডেন’ অটোপেন দিয়ে অনেক অভিবাসীকে অনুমোদন করেছিলেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, এসব অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করবেন তিনি। যেসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্পদ নয় বা যুক্তরাষ্ট্রকে ভালোবাসতে পারবে না, তাদের তিনি অপসারণ করে ফেলবেন।
ট্রাম্প বলেন, আমাদের দেশের নাগরিক নয়— এমন ব্যক্তিদের জন্য সব ফেডারেল সুবিধা ও ভর্তুকি বন্ধ করব। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ব্যাহত করে— এমন অভিবাসীদের নাগরিকত্ব বাতিল করব। নিরাপত্তা ঝুঁকি বা পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ— এমন যেকোনো বিদেশিকে বহিষ্কার করব।
এর আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থার প্রধান জোসেফ এডলো জানিয়েছেন, বিশ্বের ১৯টি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের গ্রিনকার্ড পুনরায় যাচাইয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সুস্পষ্ট দিয়েছেন। ট্রাম্পের নির্দেশ— যেসব দেশ নিয়ে উদ্বেগ আছে, সেসব দেশ থেকে আসা প্রতিটি বিদেশির গ্রিন কার্ড পূর্ণাঙ্গ ও কঠোরভাবে পুনরায় পর্যালোচনা করতে হবে।
গত জুন মাসে এক ঘোষণায় ১২টি দেশের নাগরিকদের প্রবেশে ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশগুলো হলো— আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাঁদ, কঙ্গো, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন।
এ ছাড়া আরও সাতটি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়া হয়। সেগুলো হলো— বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা। হোয়াইট হাউজের ইঙ্গিত, এই ১৯টি দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ডই আবার পর্যালোচনা করবে ট্রাম্প প্রশাসন।
অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর মাধ্যমেই নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করেন ট্রাম্প। বলেন, এ কাজগুলোর উদ্দেশ্য অবৈধ ও অস্থিতিশীল জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, যার মধ্যে অননুমোদিত ও অবৈধ অটোপেন অনুমোদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রবেশকারীরাও রয়েছে। ‘রিভার্স মাইগ্রেশনে’র মাধ্যমেই কেবল এ পরিস্থিতির সম্পূর্ণ সমাধান সম্ভব।
সবাইকে ‘থ্যাংকসগিভিং ডে’র শুভেচ্ছা জানালেও যারা ‘ঘৃণা করে, চুরি করে, হত্যা করে এবং আমেরিকার মূল্যবোধ ধ্বংস করে’ তাদের এ দিবসের শুভেচ্ছা জানাননি ট্রাম্প। তাদের উদ্দেশে বরং স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘তোমরা এখানে বেশি দিন থাকবে না!’

বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স ও পর্তুগালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে দাবানল আরও বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জলকামানসহ শত শত দমকলকর্মী দিনরাত কাজ করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, কারখানার নিচতলায় যেখানে দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ করা হতো, সেখান থেকেই মূলত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন, অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘শেষ’। তার এ অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলা
১০ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের আলমেরিয়া প্রদেশের লস গাইয়ারদোস এলাকায় এ দাবানলের সূত্রপাত হয়। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের মরদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে