
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

টানা ৮০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। এ বর্বর আগ্রাসনে গেলো ২৪ ঘণ্টায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মাগাজি শরণার্থী শিবিরেই নিহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজায় গেল ২৪ ঘণ্টায় একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এসব হামলায় ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু মাগাজি শরণার্থী শিবিরেই ১০০ জনেরও বেশি গাজাবাসীকে হত্যা করেছে ইসরাইল। আহত হয়েছেন বহু লোক।
মাগাজি শরণার্থী শিবিরে এক নারী বলেন, ‘আমার পুরো পরিবার চলে গেছে। আমার পাঁচ ভাইয়ের সবাই চলে গেছেন। তারা আমার কোনো ভাইকেই ছাড়েনি।...সবাই মারা গেছেন!’
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ক্যাম্পের একটি আবাসিক চত্বরে ইসরাইলি হামলায় সাতটি পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
মাগাজির বাসিন্দা জেয়াদ আওয়াদ আল-জাজিরাকে বলেছেন, ‘ইসরাইলি বাহিনী বেসামরিক মানুষকেও রেহাই দিচ্ছে না। আমার সন্তান আমাকে বললো, ‘আমাকে সাহায্য কর! কি হচ্ছে? আমি শ্বাস নিতে পারছি না।’
বড়দিনের আগের রাতে ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে চলমান লড়াইয়ের মধ্যে গাজায় ব্যাপকহারে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় বহু আবাসিক ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন অনেকে। এদিকে খান ইউনিস, বুরেইজ এবং নুসেইরাতেও বহু মানুষ নিহত হয়েছে। গত দিনের হামলায় অন্তত ৫০০ মানুষ আহত হয়েছেন।
৭ অক্টোবর ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

টানা ৮০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। এ বর্বর আগ্রাসনে গেলো ২৪ ঘণ্টায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মাগাজি শরণার্থী শিবিরেই নিহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজায় গেল ২৪ ঘণ্টায় একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এসব হামলায় ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু মাগাজি শরণার্থী শিবিরেই ১০০ জনেরও বেশি গাজাবাসীকে হত্যা করেছে ইসরাইল। আহত হয়েছেন বহু লোক।
মাগাজি শরণার্থী শিবিরে এক নারী বলেন, ‘আমার পুরো পরিবার চলে গেছে। আমার পাঁচ ভাইয়ের সবাই চলে গেছেন। তারা আমার কোনো ভাইকেই ছাড়েনি।...সবাই মারা গেছেন!’
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ক্যাম্পের একটি আবাসিক চত্বরে ইসরাইলি হামলায় সাতটি পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
মাগাজির বাসিন্দা জেয়াদ আওয়াদ আল-জাজিরাকে বলেছেন, ‘ইসরাইলি বাহিনী বেসামরিক মানুষকেও রেহাই দিচ্ছে না। আমার সন্তান আমাকে বললো, ‘আমাকে সাহায্য কর! কি হচ্ছে? আমি শ্বাস নিতে পারছি না।’
বড়দিনের আগের রাতে ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে চলমান লড়াইয়ের মধ্যে গাজায় ব্যাপকহারে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় বহু আবাসিক ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন অনেকে। এদিকে খান ইউনিস, বুরেইজ এবং নুসেইরাতেও বহু মানুষ নিহত হয়েছে। গত দিনের হামলায় অন্তত ৫০০ মানুষ আহত হয়েছেন।
৭ অক্টোবর ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

ইতিমধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এক বছরের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। ইরানের সব এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম বলেও দাবি করেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, কট্টরপন্থিদের একটি 'পথভ্রষ্ট' গোষ্ঠী বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে তেহরান জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কিউবার রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এর সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়া হলেও বছরের শুরু থেকে এ নিয়ে দেশটিতে চারবার সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটল। ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যবর্ত
৮ ঘণ্টা আগে
ভূমিকম্পবিদরা জানিয়েছেন, মিয়ানমার ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত। দেশটি মূলত ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্দা এবং বার্মা—এই চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এই চার প্লেটের সংযোগস্থলে থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত ভূগর্ভস্থ সক্রিয় প্রক্রিয়া সচল থাকে। ফলে দেশটির দীর্ঘ উপকূলরেখা বরাবর ম
৯ ঘণ্টা আগে