মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ আর নেই

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ আহমদ মারা গেছেন। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে কুয়ালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে তিনি মারা যান। পাক লাহ নামে পরিচিত আবদুল্লাহ আহমদ ২০০৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। খবর রয়টার্সের

এদিন এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বাদাবির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার জামাতা ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী খাইরি জামালুদ্দিন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোববার সকালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

কুয়ালামপুর ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‌হাসপাতালে আসার সঙ্গেই আবদুল্লাহ আহমদকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টাতেও কাজ হয়নি।

এদিকে আবদুল্লাহ আহমদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ২২ বছর শাসনের পর ২০০৩ সালে মাহাথির মোহাম্মদ পদত্যাগ করেন। এরপর আবদুল্লাহ দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের মুখ মিলেছে, সাড়া মেলেনি কর্মীদের

তবে টানেলের ভেতর থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। টানেলে ঠিক কতজন আটকে আছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপালি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে অন্তত ৩৫ জন সেখানে আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নেপাল পুলিশের হিসাবে সংখ্যাটি প্রায় ২০০ হতে পারে।

১ দিন আগে

নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে ২ দিন, মায়ের কোলে ফিরল ৫ বছরের মনীষা

সেই ধারণা থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রির নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মনীষাকে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, মা-বাবার কাছে। এ সময় এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।

২ দিন আগে

মক্কা চুক্তি: ইস্তাম্বুলে প্রথম বৈঠকে থাকছেন যারা

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বৈঠকে তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং চিফস অব স্টাফরা অংশ নেবেন।

২ দিন আগে

নেপালে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি ছাড়াল ৭০০, নিখোঁজ আড়াই হাজার

উদ্ধারকারীদের বরাতে জানা যায়, বানের তোড়ে মরদেহগুলো মূল ঘটনাস্থল থেকে বহু দূরে ভেসে গেছে। আকস্মিক বন্যার তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে চিতাওয়ান এলাকায়, যেখান থেকে সর্বোচ্চ ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ১৮৪টি, পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে ৮২টি, গোর্খায় ৫৮টি, নুয়াকোটে ৫২টি, ধাধল

২ দিন আগে
Advertisement