
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানান লাইবেরিয়ার প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ফ্রান্সিস কাতেহ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনার খবরটি বলা হয়েছে। ফ্রান্সিস কাতেহ বলেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সম্প্রচারকারী সুপার বোঞ্জিজ টিভিকে তিনি বলেন, নিহতের সংখ্যা নির্ণয় করা কঠিন কারণ, অনেক ছাই হয়ে গেছে। তবে তিনি অনুমান করেছেন যে, এই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, যারা নিখোঁজ রয়েছেন তাদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য উদ্ধারকারী দল ঘরে ঘরে যাচ্ছে।
গত মঙ্গলবার গভীর রাতে লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়া থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে টোটোটাতে জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকারটি বিধ্বস্ত হয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে। এরপর ঘটনাস্থলে ছুটে আসা অনেক মানুষ এই বিস্ফোরণে হতাহত হন। অ্যারন ম্যাসাকুই নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে বলেন যে, জড়ো হওয়া মানুষেরা সবাই জ্বালানির ট্যাংকারের ওপর উঠেছিল। লোহার মতো কিছু দিয়ে তারা ট্যাংকারে আঘাত করছিল যাতে তারা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ট্যাংকারের চালকও সবাইকে বলছিল যে, যে জ্বালানি বের হয়ে গেছে তা তারা নিয়ে যেতে পারে। ট্যাংকারের ওপরে উঠতে এবং ট্যাংকারের গায়ে আঘাত করতে চালক নিষেধ করেন। তবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষেরা ট্যাংকার গর্ত করতে স্ক্রু ড্রাইভার ব্যবহার করা শুরু করেছিল।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুসারে, দুর্বল সড়ক নিরাপত্তা এবং দুর্বল অবকাঠামোর কারণে সাব-সাহারান আফ্রিকা দুর্ঘটনার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এ অঞ্চলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ইউরোপের গড় থেকে তিনগুণ বেশি।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানান লাইবেরিয়ার প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ফ্রান্সিস কাতেহ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনার খবরটি বলা হয়েছে। ফ্রান্সিস কাতেহ বলেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সম্প্রচারকারী সুপার বোঞ্জিজ টিভিকে তিনি বলেন, নিহতের সংখ্যা নির্ণয় করা কঠিন কারণ, অনেক ছাই হয়ে গেছে। তবে তিনি অনুমান করেছেন যে, এই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, যারা নিখোঁজ রয়েছেন তাদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য উদ্ধারকারী দল ঘরে ঘরে যাচ্ছে।
গত মঙ্গলবার গভীর রাতে লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়া থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে টোটোটাতে জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকারটি বিধ্বস্ত হয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে। এরপর ঘটনাস্থলে ছুটে আসা অনেক মানুষ এই বিস্ফোরণে হতাহত হন। অ্যারন ম্যাসাকুই নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে বলেন যে, জড়ো হওয়া মানুষেরা সবাই জ্বালানির ট্যাংকারের ওপর উঠেছিল। লোহার মতো কিছু দিয়ে তারা ট্যাংকারে আঘাত করছিল যাতে তারা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ট্যাংকারের চালকও সবাইকে বলছিল যে, যে জ্বালানি বের হয়ে গেছে তা তারা নিয়ে যেতে পারে। ট্যাংকারের ওপরে উঠতে এবং ট্যাংকারের গায়ে আঘাত করতে চালক নিষেধ করেন। তবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষেরা ট্যাংকার গর্ত করতে স্ক্রু ড্রাইভার ব্যবহার করা শুরু করেছিল।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুসারে, দুর্বল সড়ক নিরাপত্তা এবং দুর্বল অবকাঠামোর কারণে সাব-সাহারান আফ্রিকা দুর্ঘটনার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এ অঞ্চলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ইউরোপের গড় থেকে তিনগুণ বেশি।

ইতিমধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এক বছরের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। ইরানের সব এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম বলেও দাবি করেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, কট্টরপন্থিদের একটি 'পথভ্রষ্ট' গোষ্ঠী বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে তেহরান জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কিউবার রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এর সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়া হলেও বছরের শুরু থেকে এ নিয়ে দেশটিতে চারবার সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটল। ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যবর্ত
৮ ঘণ্টা আগে
ভূমিকম্পবিদরা জানিয়েছেন, মিয়ানমার ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত। দেশটি মূলত ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্দা এবং বার্মা—এই চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এই চার প্লেটের সংযোগস্থলে থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত ভূগর্ভস্থ সক্রিয় প্রক্রিয়া সচল থাকে। ফলে দেশটির দীর্ঘ উপকূলরেখা বরাবর ম
৯ ঘণ্টা আগে